"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
ডোরম্যান-স্মিথ কে বদলি করে মেজর জেনারেল স্যার হুবার্ট রান্সকে নতুন গভর্নর হিসাবে বর্মায় আনা হয়৷ তার বর্মায় আসার কিছু দিনের মধ্যেই রেঙ্গুনে সৈন্যবাহিনী কর্মবিরতি ঘোষনা করে৷ ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে এই ধর্মঘট শুরু হয় এবং পুলিশবাহিনী থেকে সরকারী কর্মচারীরাও এই ধর্মঘট সমর্থন করলে এটি সাধারণ ধর্মঘটের রূপ নেয়৷ রান্স আং সানের সাথে দেখা করেন এবং পরিস্থিতি পূর্বাবস্থিয় ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হন৷ তিনি আং সানকে তার সংগঠনের সদস্যসহ সরকারী কার্যনির্বাহী পরিষদে যোগ দেওয়া জন্য মানিয়ে নেন৷<ref name="ms"/> বিশ্বাসযোগ্য পরিচালনায় নতুন কার্যনিরাবাহী পরিষদের সুনাম পায় দেশজুড়ে জনচর্চিত হতে থাকে৷ এই পরিচালনার ফলে বর্মার স্বাধীনতা বিষয়টি আলোচ্য হিসাবে ব্রিটিশ কাউন্সিলে উঠে আসে এবং ২৭শে জানুয়ারী ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে উভয়ের মধ্যে [[ক্লিমেন্ট এট্‌লি]] চুক্তি সফলভাবে সাক্ষর হয়৷<ref name="ms"/>
 
বর্মার কম্যিউনিস্ট দলের বামপন্থী সদস্যরা এবং এ.এফ.পি.এফ.এল এর রক্ষণশিল সদস্যরা এই চুক্তির কিছু দাবী মেনে নিতে পারেনি ফলে সদস্য কর্তৃৃত্ব দ্বারা বামপন্থীরা সদস্যরা দুর্ব্যবহার পায় ও রক্ষণশীলরা সদস্যরা এর বিপক্ষে কথা বলে৷ আং সান ভাষাগত সংখ্যালঘুদের সমর্থন জোগাড় করে একটি একত্রিত অখণ্ড বর্মা গঠনের লক্ষ্যে ১২ই ফেব্রুয়ারী পাংলং সম্মেলন|পাংলং সম্মেলনে একটি চুক্তিপত্র পেশ করতে সক্ষম হন এবং দিনটি বর্মায় "ঐক্যের দিবস" নামে পরিচিতি পায়৷<ref name="ms"/><ref>{{cite web|url=http://www.ibiblio.org/obl/docs/panglong_agreement.htm| title=The Panglong Agreement, 1947|publisher=Online Burma/Myanmar Library}}</ref> চুক্তি সাক্ষরের অল্প সময়ের মধ্যেই আরাকান প্রদেশে এক অভিজ্ঞ সন্যাসী উ শেইন্দার নেতৃৃত্বে বিদ্রোহ ঘোষিত হয়, যা সমগ্র জেলাটিতে ছড়িয়ে পড়ে৷<ref name="ms"/> এইসময়ে এ.এফ.পি.এফ.এল - এতে আং সান এবং সমাজবাদীদের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে৷ এর প্রভাবে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে এপ্রিল মাসে বিধানসর্ভা নির্বাচনের ফল ঘোষনা হলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে নিরঙ্কুশভাবে আং সানের দল বিজয়ী ঘোষত হয়৷<ref name="ms"/>
 
==তথ্যসূত্র==