"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
বিংশ শতাব্দীর শরুর দিকে বর্মী নেতাদের একটি নতুন প্রজন্মের উত্থান হয়৷ তাদের মধ্যে যারা শিক্ষিত পরিবার থেকে আসতো তারা লন্ডনে আইনবিষয়ক উচ্চশিক্ষা লাভ করতে যেত কারণ তারা মনে করেছিলো তাদের এই অভাজ্ঞতা তাদের স্বজাতীয় বর্মীদের বর্তমান অবস্থান উন্নতি ও পুণর্গঠনে সাহায্য করবে৷ সাংবিধানিক উন্নয়ন এবং ১৯২০ এর শুরুর দিকে তার পুণর্গঠনের ফলে আইনসভাতে ব্রিটিশ একাধিপত্য কমে আসে এবং ভারতে যুক্ত থেকেও বর্মাতে আংশিক স্বায়ত্ত্বশাসন প্রতিষ্ঠা পায়৷ বেসামরিক চাকুরীতে জাতিতে বর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টায় চাপ সৃষ্টি করা হয়৷ অনেকে মনে করেন পরিবর্তনের হার প্রয়োজনীয়তার তুলনায় কম হলেও এই চাপ সৃষ্টি ও সামান্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধিও বেশ কার্যকর ছিলো৷
 
১৯২০ খ্রিস্টাব্দে বর্মার ইতিহাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম ছাত্র ধর্মঘট করে৷ তারা নতুন বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায় কিরণ তারা মনে করেছিলো যে সেই আইনে একশ্রেণীর বিত্তবান এবং ঔপনিবেশাকদেরই লাভ হবে৷ দেশজুড়ে জাতীয় বিদ্যালয়গুলিতে বিদ্রোহর আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা এই ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে নিস্তার দাবী করে৷ ধর্মঘটের দিনটি দেশজুড়ে [[জাতীয় দিবস]] হিসাবে পালিত হয়৷<ref name="ms"/> উন্থানু আথিনের নেতৃৃত্বে ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে আবার আয়কর বিরোধী সর্বজনীন প্রতিবাদ সংগঠিত হয়৷ প্রকৃষ্টভাবে বৌদ্ধভিক্ষু ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এই আন্দোলনে যোগ দেন, তাদের মধ্যে উ ওত্তামা ও [[রাখাইন রাজ্য|আরাকান]] থেকে উ শেইন্দা স্বাধীনতার দাবী তুলে ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র জাতীয়তাবাদী আন্দোলন গড়ে তোলেন৷ দীর্ঘকালীন অনশন ধর্মঘটের ফলে উ উইসারা আন্দোলনের প্রথম মরণোত্তর শহিদ হন এবং ব্রিটিশ হেফাজতে কারাগারে মৃৃত্যুবরণ করেন৷<ref name="ms"/>
 
==তথ্যসূত্র==