"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
বর্মার যোগদান ব্রিটিশ অর্থনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে৷ নাটকীয়ভাবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রকৃৃতি পরিবর্তিত হয়৷ ব্রিটিশরা বর্মার মহামূল্যবান জমি ব্যবহার করার জন্য ইরাবতী নদী (মিয়ানমার)|ইরাবতী নদীর দুধারের ঘন [[ম্যানগ্রোভ]] অরণ্য কেটে ফেলার ব্যবস্থা করে৷ মিয়ানমারে প্রধান এবং পর্যাপ্ত পরিমান উৎপাদিত ফসল ছিলো ধান, আবার ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে সুয়েজ খাল তৈরীর পর থেকে ইউরোপে চাউলের চাহিদা বৃৃদ্ধি পেতে থাকে৷ ধানের উৎপাদন বৃৃদ্ধি করার জন্য অনেক বর্মী বর্মার উত্তরভাগ থেকে দক্ষিণে নদীদ্বীপ অঞ্চলগুলিতে বসতি স্থাপন করা শুরু করে৷ এভাবে জনঘনত্বের বিন্যাস বদল হতে থাকে এবং সম্পত্তি ও ক্ষমতার ভিত্তি পরিবর্তন হওয়া শুরু হয়৷<ref name="Encyclopædia Britannica"/>
 
যেহেতু ব্রিটিশ ব্যাঙ্কগুলিতে কিছু [[বন্ধক ঋণ|বন্ধক]] রেখে টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা ছিলো না তাই বর্মার দেশীয় কৃৃষক সম্প্রদায়ের লোকেরা ভারতের মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার করা শুরু করে৷ ভারতীয় মুনাফাদাররা কৃষকদেরকে চড়া সুদে কৃৃষিঋণ দিতো এবং বন্ধকের ব্যবস্থা থাকলেও ঋণগ্রহীতার অবস্থা ভালো না থাকলে তা পাওয়া যেত না৷
 
একই সময় ব্যাপক সংখ্যক ভারতীয় শ্রমিকরা বর্মাতে গমন করে৷ তাদের অধিক কর্মদক্ষতা এবং কম চাহাদার কারণে দ্রুত তারা বর্মী শ্রমিক ও চাষীদের প্রতিস্থাপিত করতে থাকে৷ ফলে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে বর্মী-ভারতীয়দের ওপর দুষ্কর্ম করা শুরু করে<ref name="Encyclopædia Britannica"/> এবং চুরি ডাকাতি করে একেরপর এক গ্রাম নষ্ট করতে থাকে যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিপক্ষে তাদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছিলো৷
 
কর্মদক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত অর্থনীতি দ্রুত কৃৃষিভিত্তিক শিল্পের আকার নেয়৷ ইরাবতী নদী উপত্যকা অঞ্চলে পরিবহনের সুবিধায় রেলপথ বসে এবং বহু জাহাজ ও নৌকা ভিড়বার জন্য নদীবন্দরটির হালনাগাদ করা হয়৷ পরিবহনের এই সমস্ত যানবাহন পরিষেবা পুরোপুরিভাবে ব্রিটিশদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো৷ বর্মার অর্থনীতি যদিও বৃদ্ধি পাচ্ছিলো তৎসত্ত্বেও স্থানীয় সমাজের ওপর এঅ উত্তরোত্তর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত অর্থনীতির বিশেষ কোনো প্রভাব পড়েনি৷<ref name="Encyclopædia Britannica"/>
 
==তথ্যসূত্র==