"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দের পরে ব্রিটিশ বর্মার প্রদেশগুলি ছিলো নিম্নরূপ -
১) সরকারী বর্মা (মূল বর্মা)
 
২) [[টেনাসেরিম বিভাঘ]] (তাউঙ্গো জেলা, থাটোন জেলা, আমহার্স্ট জেলা, সালউইন জেলা, তাভয় জেলা এবং মেরগুই জেলা)
 
৩) [[রাখাইন রাজ্য|আরাকান রাজ্য]] (সিত্বে বা আকিয়ব জেলা, উত্তর আরাকান বা আরাকানইয়োমা জেলা, কিওউকপু জেলা, থান্ডবে জেলা)
 
৪) [[পেগু বিভাগ]] (রেঙ্গুন শহর, পেগু জেলা, থেরাবতী জেলা, প্রোম জেলা)
 
৫) [[ইরাবতী বিভাগ]] (বেসেইন জেলা, হাঞ্জাদা জেলা, থায়েৎমো জেলা, মাউবিন জেলা, মংমা জেলা, প্যাপোন জেলা)
 
৬) সীমান্তবর্তী তফশিলী অঞ্চলসমূহ
 
৭) [[শান রাজ্য]]
 
৮) [[চিন রাজ্য|চিন পার্বত্য অঞ্চল]]
 
৯) [[কাছিন রাজ্য|পার্বত্য কাছিন]]
 
১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে বর্ম আটটি প্রশাসনিক বিভাগে এবং প্রতিটি বিভাগ একাধিক জেলায় বিভক্ত ছিলো৷<ref name=igi-xxvi>{{Harvnb|Imperial Gazetteer of India vol. XXVI|1931}}</ref>
১) [[রাখাইন রাজ্য|আরাকান রাজ্য]] - (আকিয়ব জেলা, পার্বত্য আরাকান বা আরাকানইয়োমা, কিওউকপু জেলা, থান্ডবে জেলা)
 
২) [[মাগওয়ে বিভাগ]] (পার্বত্য চিন, মাগওয়ে জেলা, মিনবু জেলা, পাকোকু জেলা, থায়েৎমো জেলা)
 
৩) [[মান্দালয় বিভাগ]] (কউকসে জেলা, মান্দালয় জেলা, মেইকটিলা জেলা, মিঙ্গান জেলা)
 
৪) [[টেনাসেরিম বিভাগ]] (তাউঙ্গো জেলা, থাটোন জেলা, আমহার্স্ট জেলা, সালউইন জেলা, তাভয় জেলা, মেরগুই জেলা)
 
৫) [[পেগু বিভাগ]] (রেঙ্গুন শহর, হান্থাবতী জেলা, পেগু জেলা, থেরাবতী জেলা, প্রোম জেলা)
 
৬) [[ইরাবতী বিভাগ]] (বাসেইন জেলা, হেঞ্জাদা জেলা, মাউবিন জেলা, মংমা জেলা, প্যাপোন জেলা)
 
৭) [[সাগাইং বিভাগ]] (ভামো জেলা, নিম্ন চিনদ্বিন জেলা, উচ্চ চিনদ্বিন জেলা, কাঠা জেলা, মিৎক্যিনা জেলা, সাগাইং জেলা, হুকং উপত্যকা এবং জিংপো অঞ্চলসমূহ)
 
৮) [[শান যুক্তরাজ্য]] (উত্তর করেন্নি জেলা, পূর্ব করেন্নি জেলা, মধ্য করেন্নি জেলা, মিয়েলাত করেন্নি জেলা, কেংতুং জেলা, যংঘে জেলা)
[[File:Burma_Province_1931.png|thumb|upright=1.3| ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে "বর্মা প্রদেশ"-এর প্রশাসনিক বিভাগসমূহ]]
 
===ঔপনিবেশিক অর্থনীতি===
[[File:Vegetable stand madraslancer mandalay1886.jpg|thumb|right|300px|১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে তোলা রেঙ্গুনের মাদ্রাজ লেন্সর রোডের ধারে শাকসব্জির দোকান]]
বর্মার পরম্পরাগত অর্থনীতি ছিলো বর্মীদের তৈরী মূল্যবান পণ্যদ্রব্যাদির, যা অন্যান্য দেশগুলিতে বাণিজ্য করে তারা দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলো৷ দেশটির অর্থনীতি কৃৃষিকাজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার ফলে তাদের কাছে বাণিজ্যপ্রথার প্রচলন তেমন ছিলো না৷ [[ভারত]] ও চীনের মধ্যবর্তী বাণিজ্যপথটিও এই দেশের মধ্য দিয়ে বিস্তৃৃত ছিলো, যা দেশটিকে বৈদেশিক মুদ্রালাভে সহায়ক হয়৷ ব্রিটিশ আগমনের সাথে বর্মার অর্থনীতি বিশ্বজনীন নিবন্ধিত হওয়া শুরু হয়, যা দেশটিকে ঔপনিবেশিক রপ্তানি বাণিজ্যের অংশীদার করতে বাধ্য করে৷<ref name="Encyclopædia Britannica"/>
 
বর্মার যোগদান ব্রিটিশ অর্থনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে৷ নাটকীয়ভাবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রকৃৃতি পরিবর্তিত হয়৷ ব্রিটিশরা বর্মার মহামূল্যবান জমি ব্যবহার করার জন্য ইরাবতী নদী (মিয়ানমার)|ইরাবতী নদীর দুধারের ঘন [[ম্যানগ্রোভ]] অরণ্য কেটে ফেলার ব্যবস্থা করে৷ মিয়ানমারে প্রধান এবং পর্যাপ্ত পরিমান উৎপাদিত ফসল ছিলো ধান, আবার ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে সুয়েজ খাল তৈরীর পর থেকে ইউরোপে চাউলের চাহিদা বৃৃদ্ধি পেতে থাকে৷ ধানের উৎপাদন বৃৃদ্ধি করার জন্য অনেক বর্মী বর্মার উত্তরভাগ থেকে দক্ষিণে নদীদ্বীপ অঞ্চলগুলিতে বসতি স্থাপন করা শুরু করে৷ এভাবে জনঘনত্বের বিন্যাস বদল হতে থাকে এবং সম্পত্তি ও ক্ষমতার ভিত্তি পরিবর্তন হওয়া শুরু হয়৷<ref name="Encyclopædia Britannica"/>
 
==তথ্যসূত্র==