"আলোক চিত্রানুলিপিকারক" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(কর্মপদ্ধতি যোগ)
(সম্প্রসারণ)
'''আলোক চিত্রানুলিপিকারক''' একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যার সাহায্যে কাগজ কিংবা পাতলা প্লাস্টিকের পর্দা দিয়ে তৈরী পৃষ্ঠাতে দ্রুত ও কম খরচে নথিপত্র (ফাইল) এবং অন্যান্য চিত্রসমূহের বহুসংখ্যক অনুলিপি (নকল বা কপি) তৈরি করা যায়। ইংরেজি পরিভাষাতে একে '''"ফটোকপিয়ার"''' বা '''"ফটোকপি মেশিন"''' বলা হয়।
 
বেশিরভাগ আধুনিক আলোক চিত্রানুলিপিকারক যন্ত্রে জিরোগ্রাফি বা জিরোলিখনজিরো-চিত্রলিখন (Xerography) নামক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটিকে স্থিরবৈদ্যুতিক মুদ্রণ (Electrostatic printing)-ও বলা হয়। এই প্রযুক্তিতে "টোনার" নামের শুষ্ক কালির গুঁড়াকে স্থিরবিদ্যুতের মাধ্যমে আকৃষ্ট করা হয় এবং এগুলিকে পরে তাপ, চাপ বা উভয়ের সমন্বয়ে কাগজে ছাপানো হয়। মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি জিরক্স (Xerox) ১৯৫৬ সালে উপরোক্ত জিরোলিখনভিত্তিক বাণিজ্যিকজিরো-চিত্রলিখনভিত্তিক আলোক চিত্রানুলিপিকারক যন্ত্র বাজারে নিয়ে আসে। এগুলি দিয়ে খুবই সস্তায় এক পৃষ্ঠা অনুলিপি বা নকল (কপি) করা যেত; আগের তুলনায় অনুলিপির খরচ অর্ধেকেরও নিচে নেমে আসে (প্রতি পাতায় খরচ ২৫ সেন্ট থেকে ১০ সেন্টে নেমে আসে)। বর্তমানে বাজারের সিংহভাগ আলোক চিত্রানুলিপিকারক যন্ত্রই জিরক্স কোম্পানির যন্ত্রের সদৃশ। আলোক চিত্রানুলিপিকারক যন্ত্র ২০শ শতকের শেষে এসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ের অবিচ্ছেদ্য একটি সরঞ্জামে পরিণত হয়। কার্যালয়ের বাইরেও আলোক চিত্রানুলিপি সেবা প্রদানকারী অনেক দোকান গড়ে ওঠে যেখানে সাধারণ ব্যক্তি এমনকি কার্যালয়ের কর্মচারীরা চাহিদা অনুযায়ী অনুলিপি করাতে পারে।
 
ইদানিং ২১শ শতকে এসে [[চিত্রগ্রহণযন্ত্র]] বা স্ক্যানার, [[মুদ্রণযন্ত্র]] বা প্রিন্টার ও আলোক চিত্রানুলিপিকারক যন্ত্র বা ফটোকপিয়ার - তিন ধরনের যন্ত্র একত্র করে একটি যন্ত্রে পরিণত করা হয়েছে এবং এ ধরনের সমন্বিত যন্ত্র ব্যবহারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সমন্বিত যন্ত্রের আবির্ভাবের ফলে পুরাতন এক-উদ্দেশ্যের যন্ত্রগুলির দাম অনেক কমে যাওয়ায় এগুলি এখনও অনেক জনপ্রিয়। কারও কারও মতে ভবিষ্যতে মানুষ ফোন, কম্পিউটার বা ট্যাবলেটের পর্দাতেই সবসময় পড়বে এবং আলোক চিত্রানুলিপির প্রয়োজন ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকবে।
 
==আলোক চিত্রানুলিপিকারকের কাজের পদ্ধতি==
৪১,৪৬৪টি

সম্পাদনা