"অঞ্জু ঘোষ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(বিতর্ক)
== চলচ্চিত্রে আগমন ==
বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে অঞ্জু ঘোষ [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া]]র ভোলানাথ অপেরার হয়ে যাত্রায় নৃত্য পরিবেশন করতেন ও গানও গাইতেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.samakal.com.bd/print_news.php?news_id=106634&pub_no=507 |শিরোনাম=যাত্রায় আবার অঞ্জু ঘোষ |শেষাংশ=হক |প্রথমাংশ=জনি |তারিখ= |কর্ম=দৈনিক সমকাল |সংগ্রহের-তারিখ=১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160305183710/http://www.samakal.com.bd/print_news.php?news_id=106634&pub_no=507 |আর্কাইভের-তারিখ=৫ মার্চ ২০১৬ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
১৯৮২ সালে এফ, কবীর চৌধুরী পরিচালিত ‘সওদাগর’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে।এইঘটে। এই ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে সফল ছিল। তিনি বাংলার নীলো নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাতারাতি তারকা বনে যান।অনেকের মতে অঞ্জুর সাফল্য ছিল ভিত্তিহীন মৌলিক সাফল্য। অঞ্জু বাণিজ্যিক ছবির তারকা হিসেবে যতটা সফল ছিলেন সামাজিক ছবিতে ততটাই ব্যর্থ হন। ১৯৮৬ সালে তাঁর ক্যারিয়ার বিপর্যয়ের মুখে পড়লেও তিনি ফিরে আসেন ভালোভাবে। ১৯৮৭ সালে অঞ্জু সর্বাধিক ১৪টি সিনেমাতেচলচ্চিত্রে অভিনয় করেনকরেন। মন্দার১৯৮৯ সময়ে যেগুলো ছিল সফল ছবি।সালে তাঁর অভিনীত ‘[[বেদের মেয়ে জোছনা]]’ অবিশ্বাস্য রকমের ব্যবসা করে এবং সৃষ্টি করে নতুন রেকর্ড। চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে তিনি সুঅভিনেত্রীওব্যাপক ছিলেন।পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৯১ সালে বাংলা চলচ্চিত্রে নতুনের আগমনে [[শাবনাজ]]দের মতো নায়িকাদের দাপটে তিনি ব্যর্থ হতে থাকেন। তিনি এই১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান এবং [[কলকাতা]]র চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে থাকেন।<ref name=" onzu ">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি |শেষাংশ১= রহমান |প্রথমাংশ১= মোমিন |শেষাংশ২= হোসেন |প্রথমাংশ২= নবীন |বছর= ১৯৯৮ |শিরোনাম= বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তারকা নায়িকাঃ পপি থেকে পপি |সাময়িকী= অন্যদিন, ঈদ সংখ্যা |খণ্ড=২ |সংখ্যা নং=২৫ |পাতাসমূহ= ৩৫২ |প্রকাশক= মাজহারুল ইসলাম|ডিওআই= |ইউআরএল= |সংগ্রহের-তারিখ= }}</ref> বর্তমানে তিনি [[ভারত|ভারতে]] বিশ্বভারতী অপেরায় যাত্রাপালায় অভিনয় করছেন।
 
== উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ==