"দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র, সম্প্রসারণ
(সম্প্রসারণ, তথ্যসূত্র)
(তথ্যসূত্র, সম্প্রসারণ)
== ইতিহাস ==
ব্রিটিশ আমলে এই অঞ্চলের প্রাদেশিক রেজিস্ট্রার মি ডনোফন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে তৎকালীন ''কো-অপারেটিভ ব্যাংক'' প্রতিষ্ঠানটি চালু করার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়, যে কারনে এর নাম হয় ''দেওয়ানগঞ্জ কো-অপারেটিভ স্কুল''। এসময় বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ছমির উদ্দিন তালুকদার স্কুলের জন্য ১২ বিঘা জমি দান করেন<ref>বাংলা একাডেমী লোকজ ও সাংস্কৃতিক গ্রন্থমালা-জামালপুর, পৃষ্ঠা- ৫০</ref>। ১৯৮৬ সালে এটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে। ১৯৫২ সালের [[বাংলা ভাষা আন্দোলন|মহান মার্তৃভাষা আন্দোলনে]] এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের ছিল গৌরবউজ্জ্বল ভূমিকা। ১৯৭১ সালে [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|স্বাধীনতা যুদ্ধের]] সময় পাকবাহিনী এই স্কুল দখল করে এবং ব্যপক দমন, নিপীড়নের উদ্দ্যেশ্যে ''টর্চার সেল'' তৈরি করে<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE=দেওয়ানগঞ্জ_উপজেলা|শিরোনাম=দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা-উইকিপিডিয়া}}</ref>।
 
== উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী ==
* প্রফেসর মুহম্মদ মোকাররম হোসায়েন (বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং কবি, ডেমোক্রেসি ওয়াচের পরামর্শক<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.kalerkantho.com/print-edition/shuvosongho/2014/11/15/151153|শিরোনাম=প্রিয় শিক্ষক অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহম্মদ মোকাররম হোসায়েন- দৈনিক কালেরকন্ঠ}}</ref> )
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
২৬১টি

সম্পাদনা