"তাপ সঞ্চালন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
("তাপ সঞ্চালন" সুরক্ষিত করা হয়েছে: অতিরিক্ত ধ্বংসপ্রবণতা ([সম্পাদনা=শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য] (মেয়াদোত্তীর্ণ হবার তারিখ ১৭:৫৩, ১৭ মে ২০১৯ (ইউটিসি)) [সরিয়ে নেয়া=শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য] (মেয়াদোত্তীর্ণ হবার তারিখ ১৭:৫৩, ১৭ মে ২০১৯ (ইউটিসি))))
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
[[চিত্র:Hot metalwork.jpg|thumb|right|300px| একটি উত্তপ্ত লাল লোহা, যা তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশে বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালন করছে।]]
 
== '''পরিবহণ '''==
যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলো তাদের নিজস্ব স্থান পরিবর্তন না করে শুধু স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু তার পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত করে সেই পদ্ধতিকে পরিবহণ বলে।
তাপ পরিবহণের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। এ পদ্ধতিতে পদার্থের উষ্ণতর অণুগুলো তাপ গ্রহণ করে নিজের অবস্থানে থেকে স্পন্দিত হতে থাকে। এ স্পন্দনের মাধ্যমে উত্তপ্ত অণুগুলো পার্শ্ববর্তী শীতল অণুগুলোকে তাপ প্রদান করে, সেগুলো উত্তপ্ত হয়ে আবার তাদের পার্শ্ববর্তী অণুগুলোতে তাপ সঞ্চালিত করে। যে মাধ্যমের অণুগুলো যত বেশি সুদৃঢ় সেখানে পরিবহণ তত বেশি হয়ে থাকে। কঠিন পদার্থের মধ্যদিয়ে তাপের পরিবহন সবচেয়ে বেশি হয়, তরলে তার চেয়ে কম, বায়বীয় পদার্থে অত্যন্ত কম এবং শূণ্যস্থানে কোন পরিবহন হয় না।<ref name=Text-book-of-Bangladesh>মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই (অধ্যায়-১১; পৃষ্ঠা-১৫৮ থেকে১৫৯)|রচনা:ড. শাহাজাহান তপন,মুহাম্মদ আজিজ হাসান,ড. রানা চৌধুরী|সম্পাদনা: ড. আলী আসগল|প্রকাশক: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড,ঢাকা|সংস্করণ: ডিসেম্বর, ২০০৮</ref>
যেমন- একটি ধাতব দণ্ডের এক প্রান্ত আগুনে অন্য প্রান্ত হাতে ধরে রাখলে কিছুকক্ষণ পরেই হাতে বেশ গরম বোধ হয়। দণ্ডের যে প্রান্ত আগুনের মধ্যে আছে সেই অংশের অণুগুলো আগুন থেকে তাপ গ্রহণ করে নিজের অবস্থানে থেকে স্পন্দিত হতে থাকে। এই স্পন্দনের মাধ্যমে উত্তপ্ত অণুগুলো পার্শ্ববর্তী শীতল অণুগুলোকে তাপ প্রদান করে। সেগুলো উত্তপ্ত হয়ে আবার তাদের পার্শ্ববর্তী অণুগুলোতে তাপ সঞ্চালিত করে। এভাবে তাপ দণ্ডের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চালিত হওয়ার পদ্ধতিই পরিবহণ।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.google.com/search?q=heat+conduction&oq=heat+conduction&aqs=chrome..69i57j0l3.5197j0j9&client=ms-android-hmd-rev2&sourceid=chrome-mobile&ie=UTF-8#imgrc=JFk95G5TLjpY1M:|শিরোনাম=heat conduction - Google সার্চ|ওয়েবসাইট=www.google.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-05-22}}</ref>
 
<br />
== পরিচলণ ==
 
== '''পরিচলণ '''==
যে পদ্ধতিতে তাপ কোন পদার্থের অণুগুলোর চলাচল দ্বারা উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চালিত হয় তাকে পরিচলণ বলে।<br />
এ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম আবশ্যকীয়। বিশেষত তরল ও বায়বীয় পদার্থগুলোতে এ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়। তাপ গ্রহণ করে পদার্থের উষ্ণতর অংশের অণুগুলো শীতলতর অংশের দিকে প্রবাহিত হয়, এভাবে অন্য অণুগুলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজ গতির সাহায্যে তাপ সঞ্চালিত করে।<ref name="Text-book-of-Bangladesh"/> প্রকৃতপক্ষে, কঠিন পদার্থগুলোর আন্ত-আণবিক শক্তি প্রবল হওয়ায় এরা স্থান পরিবর্তন করতে পারে না, তাই কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপের পরিচলন পদ্ধতি সম্ভব নয়।
 
== '''বিকিরণ '''==
যে পদ্ধতিতে তাপ জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের আকারে উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকিরণ বলে। আলো যেমন তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের আকারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায় বিকিরণ পদ্ধতিতেও অনেকটা একইভাবে তাপ সঞ্চালিত হয়।<ref name=Geankoplis>{{বই উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Geankoplis|প্রথমাংশ=Christie John|শিরোনাম=Transport processes and separation process principles : (includes unit operations)|বছর=2003|প্রকাশক=Prentice Hall Professional Technical Reference|অবস্থান=Upper Saddle River, NJ|আইএসবিএন=0-13-101367-X|সংস্করণ=4th ed.}}</ref> এ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হতে কোন প্রকারের জড় মাধ্যম যেমন- কঠিন, তরল, বায়বীয় ইত্যাদি মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। বিভিন্ন ধরনের স্বচ্ছ পদার্থ যেমন- কাচ, কোয়ার্টজ ইত্যাদির মধ্য দিয়েও তাপের বিকিরণ হতে পারে। তবে অস্বচ্ছ পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপের বিকিরণ হয় না যেমন- কাঠ, পাথর ইত্যাদি। আবার কিছু তরলের মধ্য দিয়েও বিকিরণ সম্ভব যেমন- কার্বন সালফাইড। জলের মধ্যদিয়ে আংশিক বিকিরণ ঘটলেও সাধারণত তরলের মধ্য দিয়ে বিকিরণ সম্ভব হয় না। উদাহরণ স্বরুপ- সূর্য থেকে পৃথিবীতে বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়ে আসে।
 
৩টি

সম্পাদনা