"রক সঙ্গীত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
'''রক সঙ্গীত''' জনপ্রিয় সঙ্গীতের একটি বিস্তৃত ধারা যা ১৯৫০-এর দশকের মূলধারাতে প্রবেশ করে। ১৯৪০ এবং ১৯৫০-এর দশকের [[রিদম এ্যান্ড ব্লুজ]], [[রক অ্যান্ড রোল]], [[কান্ট্রি সংগীত]]-এর শিকড় জড়িয়ে আছে এবং উৎসারিত হয়েছে [[ফোক সংগীত]], ক্ল্যাসিক্যাল সংগীত এবং [[জ্যাজ সঙ্গীত]] থেকে। রক সংগীতের শব্দ তৈরি হচ্ছে [[ইলেকট্রিক গিটার]], ইলেকট্রিক [[বেজ গিটার|বেজ গিটারের]] ও [[ড্রামস|ড্রামসের]] রিদম অংশের ব্যাক বিটের মাধ্যমে এবং কি-বোর্ড বাদ্যযন্ত্র যেমন হ্যামন্ড অরগান, [[পিয়ানো]] বা ১৯৭০ -এর দশক থেকে ব্যবহৃত সিন্থেসাইজার। গিটার ও কি-বোর্ডের সাথে সাথে সাক্সোফোন ও ব্লজ স্টাইলের হারমোনিকাও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।এর সবচেয়ে শুদ্ধ রূপে থাকে তিনটি কর্ড, একটি শক্ত, গভীর ব্যাক বিট ও স্পর্শকরার মতো মেলোডি।<ref>http://www.allmusic.com/cg/amg.dll?p=amg&sql=77:32</ref>
 
১৯৬০ এবং ১৯৭০ -এর দশকের রক সংগীতের অনেক উপধারার উদ্ভব ঘটেছে।যখন এটা ফোক সংগীতের সাথে মিশেছে তা হয়েছে ফোক রক, যখন তা মিশিয়ে [[ব্লুজ|ব্লুজের]] সাথে তা পরিণত হয়েছে [[ব্লুজ রক]]-এ এবং [[জ্যাজ সঙ্গীত|জ্যাজের]] সাথে জ্যাজ রক ফিউশন। ১৯৭০-এর দশকে রক সংগীত অনুপ্রাণিত হয়েছে [[সোল]], [[ফাঙ্ক]] এবং [[ল্যাটিন সঙ্গীত]] থেকে। ১৯৭০-এর দশকে রক সংগীতের অনেকগুলো উপধারা যেমন [[গ্লাম রক]], সফট রক, [[হেভি মেটাল]],[[হার্ডরক]], [[প্রোগ্রেসিভ রক]] এবং [[পাঙ্ক রক]] সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে রক সংগীতের উপধারাগুলো হলো নিউ ওয়েভ, [[হার্ডকোর পাঙ্ক]] এবং [[অল্টারনেটিভ রক]]। ১৯৯০-এর দশকে রক সংগীতের উদ্ভব হওয়া উপধারাগুলো হলো [[গ্রুঞ্জ]], বিটপপ , ইন্ডি রক এবং [[ন্যু মেটাল]]।
১৯৬০ এবং ১৯৭০ -এর দশকের রক সংগীতের অনেক উপধারার উদ্ভব ঘটেছে।যখন এটা ফোক সংগীতের সাথে মিশেছে তা হয়েছে ফোক রক, যখন তা মিশিয়ে [[ব্লুজ|ব্লুজের]] সাথে তা পরিণত হয়েছে [[ব্লুজ রক]]-এ এবং [[জ্যাজ সঙ্গীত|জ্যাজের]] সাথে জ্যাজ রক ফিউশন। ১৯৭০-এর দশকে রক সংগীত অনুপ্রাণিত হয়েছে [[সোল]], [[ফাঙ্ক]] এবং [[ল্যাটিন সঙ্গীত]] থেকে। ১৯৭০-এর দশকে রক সংগীতের অনেকগুলো উপধারা যেমন [[গ্লাম রক]], সফট রক, [[হেভি মেটাল]],[[হার্ডরক]], [[প্রোগ্রেসিভ রক]] এবং [[পাঙ্ক রক]] সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে রক সংগীতের উপধারাগুলো হলো নিউ ওয়েভ, [[হার্ডকোর পাঙ্ক]] এবং [[অল্টারনেটিভ রক]]। ১৯৯০-এর দশকে রক সংগীতের উদ্ভব হওয়া উপধারাগুলো হলো [[গ্রুঞ্জ]], বিটপপ , ইন্ডি রক এবং [[ন্যু মেটাল]]। একটা সংগীত দল যারা রক সংগীত করে তাদের রক ব্যান্ড বা রক গ্রুপ বলে। একটা রক গ্রুপে সাধারণত একজন লিড গিটারিস্ট, একজন ড্রামার, একজন মূল ভোকাল এবং একজন বেজ গিটারিস্ট থাকে যা একটি চার মাত্রা তৈরি করে।মাঝে মাঝে একজনকে বাদ দিয়ে ভোকাল নিজেই কোন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে একটা তিন মাত্রার ব্যান্ড তৈরি করতে পারে বা একজন বা দু’জন রিদম গিটারিস্টকে দলে নিয়ে এবং কি-বোডিস্টকে সাথে নিয়ে সদস্য সংখ্যা বাড়াতেও পারে।কিছু ধারার রক ব্যান্ড যারা একদম মূল [[রক অ্যান্ড রোল|রক অ্যান্ড রোলের]] অনুসারী তারা স্যাক্সোফোনও বাজাতে পারে।সচরাচর দেখা যায় না এমন বাদ্যযন্ত্রও বাজাতে পারে তারা যেমন ভায়োলিন বা সেলো অথবা ট্রাম্পেট বা ট্রম্বোন্স।
 
বর্তমানে অবশ্য রক শব্দটাকে ব্যবহার করা হয় একটা কম্বলের মতো ব্যবহার হিসেবে যা আচ্ছাদিত করে [[পপ সঙ্গীত]], [[রেগে]] এবং মাঝে মাঝে এমনকি [[হিপহপ]]কেও যা তার ইতিহাসের সাথে মানায় না।<ref>R. Beebe, D. Fulbrook and B. Saunders, "Introduction" in R. Beebe, D. Fulbrook, B. Saunders, eds, Rock Over the Edge: Transformations in Popular Music Culture (Durham, NC: Duke University Press, 2002), {{আইএসবিএন|0-8223-2900-X}}, p. 7</ref>
 
৪০১টি

সম্পাদনা