"কাজী নজরুল ইসলাম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(Salim Khandoker-এর করা 3365243 নং সংস্করণে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে। (টুইং))
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত
এরপর যথেষ্ট চিকিৎসা সত্ত্বেও নজরুলের স্বাস্থ্যের বিশেষ কোন উন্নতি হয়নি। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে কবির সবচেয়ে ছোট ছেলে এবং বিখ্যাত গিটারবাদক ''[[কাজী অনিরুদ্ধ]]'' মৃত্যুবরণ করে। ১৯৭৬ সালে নজরুলের স্বাস্থ্যেরও অবনতি হতে শুরু করে। জীবনের শেষ দিনগুলো কাটে ঢাকার [[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়|পিজি হাসপাতালে]]। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নজরুল তাঁর একটি গানে লিখেছেন, "মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই / যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই":- কবির এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী তাঁর সমাধি রচিত হয়।
[[চিত্র:Side view of Mausoleum of Kazi Nazrul Islam.jpg|left|240px|right|thumb|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের পাশে অন্তিম শয়নে কবি নজরুল ইসলাম]]
তাঁর [[জানাজার নামাজ|জানাজার নামাজে]] ১০ হাজারেরহাজারেরও মতঅধিক মানুষ অংশ নেয়। জানাজা নামায আদায়ের পরপরে রাষ্ট্রপতি [[আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম]], [[জিয়াউর রহমান|মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান]], রিয়াল এডমিরাল এম এইচ খান, এয়ার ভাইস মার্শাল এ জি মাহমুদ, মেজর জেনারেল দস্তগীর জাতীয় পতাকামণ্ডিত নজরুলের মরদেহ বহন করে সোহরাওয়ার্দী ময়দান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গনে নিয়ে যান।<ref>''[[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ বছর]]'', [[রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক)|রফিকুল ইসলাম]]; পৃষ্ঠা: ২৭১</ref> বাংলাদেশে তাঁর মৃত্যু উপলক্ষে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত হয়।হয় আরএবং ভারতের আইনসভায় কবির সম্মানে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
 
== সাহিত্যকর্ম ==