"জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎ইতিহাস: সংশোধন
(0টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 1টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta14))
(→‎ইতিহাস: সংশোধন)
বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরাম ১৯৯০-এর দশক থেকে বেসরকারি খাতে ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কমিটি গঠন করে। এই কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সহসভাপতি অধ্যক্ষ হামিদা আলী এবং কোষাধ্যক্ষ বদিউজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। ফোরাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে দুই ধরনের সাহায্যদাতা সংগ্রহ করে। এক অর্থদাতা, দুই জমিদাতা। অর্থদাতাদের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তত্কালীন ভূমি প্রতিমন্ত্রী রাশেদ মোশাররফ, বেশকিছু সংখ্যক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, চিকিৎসক এবং বিদ্যানুরাগী।
 
২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারীতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্যে [[একনেক|একনেকের]] বৈঠকে একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়।<ref name="dailystar24" /> তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[বেগম খালেদা জিয়া]] ২০০৫ সালের ১লা মার্চ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ২০০৭ এর ২৫ মার্চ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে [[বেগম খালেদা জিয়া]] দুটি অনুষদের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এবং ৩ জুন ২০০৭ এ প্রথম ব্যচের ক্লাস শুরু হয়। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান ছিলেন প্রথম উপাচার্য।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=রহমান |প্রথমাংশ1=শামসুর |শিরোনাম=কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় : স্মৃতিকথা |ইউআরএল=http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/09/03/214835#.VWrIdJ7hSMZ |ওয়েবসাইট=আমার দেশ |সংগ্রহের-তারিখ=৩০ অক্টোবর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160304194938/http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/09/03/214835 |আর্কাইভের-তারিখ=৪ মার্চ ২০১৬ |তারিখ=২ সেপ্টেম্বর ২০১৩}}</ref>
প্রথম ব্যাচে কলা অনুষদের অধীনে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ও ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের অধীনে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ১৮৫ জন ছাত্র ভর্তি হয়।<ref name="dailystar24" />