"যৌনসঙ্গম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

মানব প্রজাতিতে, যৌনসঙ্গম ও সাধারণ যৌনাচারসমূহের বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত উপকারিতা আছে বলে বিবৃত করা হয়, যেমন শরীরে [[অ্যান্টিবডি]] উৎপাদন বৃদ্ধি ও রক্তচাপ হ্রাস করার মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা,<ref name="Steptoe">{{cite book| author = Andrew Steptoe| author2 = Kenneth Freedland| author3 = J. Richard Jennings| author4 = Maria M. Llabre| author5 = Stephen B Manuck| author6 = Elizabeth J. Susman|title =Handbook of Behavioral Medicine: Methods and Applications| publisher = [[Springer Science & Business Media]] | year = 2010 | pages = 60–61 | accessdate = December 7, 2014 |isbn = 0387094881| url =https://books.google.com/books?id=Si9TtI5AGIEC&pg=PA60}}</ref><ref name="Hornstein">{{cite book| author = Theresa Hornstein| author2 = Jeri Schwerin|title =Biology of Women| publisher = [[Cengage Learning]] | year = 2012 | page = 205 | accessdate = December 7, 2014 |isbn = 1285401026| url =https://books.google.com/books?id=ibgKAAAAQBAJ&pg=PA205}}</ref> এবং [[প্রস্টেট ক্যান্সার|প্রস্টেট ক্যান্সারের]] ঝুঁকি হ্রাস করা।<ref name="Steptoe"/> যৌন অন্তরঙ্গতা ও উত্তেজনা [[অক্সিটোসিন]] হরমোনের (যা "ভালোবাসার হরমোন" নামেও পরিচিত) মাত্রা বৃদ্ধি করে, যা মানুষের মাঝে বন্ধন তৈরিতে ও আস্থা সৃষ্টিতে সহায়তা করতে পারে।<ref name="Hornstein"/><ref name="Sigelman">{{cite book| author = Carol Sigelman| author2 = Elizabeth Rider|title =Life-Span Human Development| publisher = [[Cengage Learning]] | year = 2011 | page = 452 | accessdate = December 7, 2014 |isbn = 1111342733| url =https://books.google.com/books?id=8smBuRecmDsC&pg=PT480}}</ref> অক্সিটোসিন পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাঝে অধিক উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখে বলে বিশ্বাস করা হয়, হয়তো এ কারণেই নারীদের যৌন আকর্ষণ বা যৌন কর্মকাণ্ডে পুরুষদের তুলনায় অধিক প্রেম ও ভালোবাসা উপস্থিত থাকে। <ref name="Freberg"/> ক্লিনিক্যাল [[Neuropsychology|স্নায়ু-মনস্তত্ত্ববিদ]] ডেভিড উইকস ১৮ থেকে ১০২ বছর বয়সী ৩,৫০০ মানুষের একটি দীর্ঘকালীন সময়ের গবেষণামূলক নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক ফটোগ্রাফের নিরপেক্ষ রেটিং-এর ভিত্তিতে ইঙ্গিত করেন যে, একটি নিয়মমাফিক যৌনতা মানুষকে সময়ের সাথে সাথে লক্ষণীয়ভাবে তারুণ্যদীপ্ত করে তোলে।<ref>{{cite book|last=Northrup|first=Christiane|title=Women's Bodies, Women's Wisdom: Creating Physical and Emotional Health and Healing|year=2010|publisher=Bantam|isbn=978-0-553-80793-6|page=232|url=https://books.google.com/books?id=V9S3keMnie8C&pg=PA232&lpg=PA232|accessdate=October 21, 2015}}</ref>
 
===ঝুকিঝুঁকি{{anchor|General risks}}===
যৌনবাহিত সংক্রমণসমূহ (STI) হল [[ব্যাক্টিরিয়া]], [[ভাইরাস]] ও [[Parasitism|পরজীবীসমূহ]], যেগুলো যৌন সংস্পর্শের সময় ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে পরিবাহিত হয়, বিশেষকরে অন্তর্ভেদী যৌনসঙ্গমের সময়। [[এইচআইভি]] ও [[সিফিলিস|সিফিলিসের]] মত কিছু বিশেষ রোগ আবার অন্যান্য মাধ্যমেও ছড়ায়, যেমন গর্ভাবস্থায় ও প্রসবকালে মা থেকে সন্তানে, রক্ত বিনিময়ের মাধ্যমে, এবং একই সুচ বা সিরিঞ্জ পারস্পারিক ব্যবহারের মাধ্যমে।<ref name="WHO 2015">{{cite web| title=Sexually transmitted infections (STIs)|publisher=World Health Organization
| url = http://www.who.int/mediacentre/factsheets/fs110/en/| accessdate = June 20, 2015}}</ref> [[Neisseria gonorrhoeae|গনেরিয়া]] বা [[Chlamydia infection|ক্ল্যামিডিয়া]] সংক্রমণে প্রায়শই কোন লক্ষণ ধরা পড়ে না। ক্ল্যামিডিয়া সংক্রমণের চিকিৎসা করা না হলে নারীদের বন্ধ্যাত্ব বা জরায়ু বহির্ভূত গর্ভধারণ (ectopic pregnancy) হতে পারে। [[মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস|মানব প্যাপিলোমা ভাইরাসের]] সংক্রমণের ফলে যৌনাঙ্গের বা জরায়ুমুখী ক্যান্সার হতে পারে। সিফিলিসের ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত বা নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যু ঘটতে পারে। গনেরিয়া সংক্রমনের চিকিৎসা না করা হলে অকাল গর্ভপাত (misscarriage) নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রসব (preterm birth) বা জন্মের পরপরই সন্তানের মৃত্যু (perinatal death) হতে পারে। গনেরিয়া ও ক্ল্যামিডিয়া নিরাময় না হওয়া মায়েদের নবজাতক সন্তানদের জন্মের পরপরই [[চোখ উঠা]] রোগ বা কনজাংটিভাইটিস (neonatal conjunctivitis) হতে পারে, যার ফলে সন্তান অন্ধ হয়ে যেতে পারে।<ref name="WHO 2015"/> যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে [[হেপাটাইটিস বি]] রোগের সংক্রমণও ঘটতে পারে।<ref>[https://www.cdc.gov/hepatitis/HBV/HBVfaq.htm#treatment CDC Hepatitis B Information for Health Professionals] Accessed May 27, 2010</ref> বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ দীর্ঘস্থায়ী মেয়াদে হেপাটাইটিস বি'র জীবাণু বহন করে চলেছেন।<ref>{{cite web|title=Hepatitis B|url=http://www.who.int/csr/disease/hepatitis/whocdscsrlyo20022/en/index1.html|publisher=[[World Health Organization]]|accessdate=September 15, 2012}}</ref>
১৪,৯০৫টি

সম্পাদনা