"চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

4টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta14)
(+)
(4টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta14))
[[চিত্র:Chittagong University Library garden (07).jpg|thumb|গ্রন্থাগারের অভ্যন্তরিণ বাগান]]
 
১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বরের কয়েকজন কর্মকর্তা নিয়ে ভবনের নিচতলায় {{রূপান্তর|১২০০|ft2}} বিশিষ্ট একটি কক্ষে মাত্র ৩০০টি বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে গ্রন্থাগারটির যাত্রা শুরু হয়।<ref name="আজাদী">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=গাজী মোহাম্মদ নুরউদ্দিন |শিরোনাম=প্রাচীন পুঁথি-পাণ্ডুলিপির বিশাল সংগ্রহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার |ইউআরএল=http://www.dainikazadi.org/details2.php?news_id=1617&table=september2014&date=2014-09-14&page_id=36&view=&instant_status= |সংগ্রহের-তারিখ=জানুয়ারি ১০, ২০১৫ |কর্ম=[[দৈনিক আজাদী]] |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20151023215055/http://www.dainikazadi.org/details2.php?news_id=1617&table=september2014&date=2014-09-14&page_id=36&view=&instant_status= |আর্কাইভের-তারিখ=২৩ অক্টোবর ২০১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref><ref name="এক টুকরো গ্রাম">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=টিপু |প্রথমাংশ1=মহিউদ্দিন |শিরোনাম=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি আলোকিত এক টুকরো গ্রাম |ইউআরএল=http://www.dailysangram.com/post/26215-চট্টগ্রাম-বিশ্ববিদ্যালয়-কেন্দ্রীয়-লাইব্রেরিআলোকিত-এক-টুকরো-গ্রাম |সংগ্রহের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |প্রকাশক=[[দৈনিক সংগ্রাম]] |তারিখ=২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190512161231/http://www.dailysangram.com/post/26215-চট্টগ্রাম%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE-বিশ্ববিদ্যালয়%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC-কেন্দ্রীয়%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC-লাইব্রেরিআলোকিত%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A4-এক%E0%A6%8F%E0%A6%95-টুকরো%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B-গ্রাম%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE |আর্কাইভের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> পরবর্তীকালে ১৯৬৮ সালে বর্তমান প্রশাসনিক ভবনের (মল্লিক ভবন) দক্ষিণ পাশে মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) ভবনে প্রায় ১৪ হাজার বই নিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে গ্রন্থাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর অস্থায়ী গ্রন্থাগারাটি বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসের দিকে কিছুদিনের জন্য গ্রন্থাগারটি পুনরায় বর্তমান প্রশাসনিক ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। বর্তমানে {{রূপান্তর|৫৬৭০০|ft2}} পরিমিত এলাকা জুড়ে গ্রন্থাগারটি বিস্তৃত।<ref name="এক টুকরো গ্রাম"/>
 
==পরিচালনা==
দ্বিতীয় তলায় রয়েছে বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন এবং সামাজিক বিজ্ঞানের জন্য স্বতন্ত্র পাঠকক্ষ। এছাড়াও রয়েছে দুষ্প্রাপ্য ও পাণ্ডুলিপি এবং পুরাতন সযবাদপত্র শাকা, ফটোকপি শাখা, কম্পিউটার ল্যাব এবং ইন্টারনেট কক্ষ।
 
গ্রন্থাগারের মধ্যবর্তী তলায় রয়েছে রেফারেন্স বা উৎস শাখা, জার্নাল ও সাময়িকী শাখা, এবং গবেষণা কক্ষ।<ref name="এক টুকরো গ্রাম"/> ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর আর.আই. চৌধুরীর নামে একটি কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে।<ref name="ক্যামেরা স্থাপন">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চবি গ্রন্থাগারে আধুনিকায়ন ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন |ইউআরএল=https://new.priyo.com/articles/চবি-গ্রন্থাগারে-আধুনিকায়ন-ও-সিসিটিভি-ক্যামেরা-স্থাপন |সংগ্রহের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |তারিখ=১৮ এপ্রিল ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190512170120/https://new.priyo.com/articles/চবি%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BF-গ্রন্থাগারে%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-আধুনিকায়ন%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8-%E0%A6%93-সিসিটিভি%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF-ক্যামেরা%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-স্থাপন%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8 |আর্কাইভের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> একই বছর গ্রন্থাগার দপ্তরে বঙ্গবন্ধু কর্ণার স্থাপন করা হয়।<ref name="বঙ্গবন্ধু কর্ণার">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ |ইউআরএল=http://dailypurbodesh.com/চট্টগ্রাম-বিশ্ববিদ্যাল-13/ |সংগ্রহের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |প্রকাশক=[[দৈনিক পূর্বদেশ]] |তারিখ=১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190512181111/http://dailypurbodesh.com/চট্টগ্রাম%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE-বিশ্ববিদ্যাল%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2-13/ |আর্কাইভের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref> ২০১৯ সালে গ্রন্থাগারে একটি সাইবার সেন্টার স্থাপন করা হয়।<ref name="সাইবার সেন্টার">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=চবির গ্রন্থাগারে এবার যুক্ত হলো সাইবার সেন্টার |ইউআরএল=https://www.thedailycampus.com/public-university/19532/চবির-গ্রন্থাগারে-এবার-যুক্ত-হলো-সাইবার-সেন্টার |সংগ্রহের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |প্রকাশক=thedailycampus |তারিখ=৯ মার্চ ২০১৯ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190512164930/https://www.thedailycampus.com/public-university/19532/চবির%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-গ্রন্থাগারে%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-এবার%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-যুক্ত%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-হলো%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B-সাইবার%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-সেন্টার%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0 |আর্কাইভের-তারিখ=১২ মে ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=না }}</ref>
 
===মুক্তিযুদ্ধ কর্নার===
৬৪,৪৭৭টি

সম্পাদনা