"চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রচনাশৈলী
(রচনাশৈলী)
(রচনাশৈলী)
'''চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার''', [[চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়|চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে]] অবস্থিত [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামের]] সর্ববৃহৎ [[গ্রন্থাগার]]। ১৯৬৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। গ্রন্থাগারের বর্তমান সংগ্রহ সংখ্যা প্রায় ৪ লক্ষ।<ref name="আজাদী"/><ref name="বাংলাপিডিয়া">{{বাংলাপিডিয়া উদ্ধৃতি |অধ্যায়=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় | লেখক=ফয়েজুল আজিম}}</ref> গ্রন্থাগারটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত।
 
== অবস্থান ==
[[চট্টগ্রাম]] শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে [[হাটহাজারী|হাটহাজারী থানার]] [[ফতেহপুর ইউনিয়ন|ফতেহপুর ইউনিয়নে]] অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার শহীদ মিনারের পাশে আইটি ভবনের পশ্চিমে এই গ্রন্থাগারের অবস্থান।<ref name="LAS">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://coral.uchicago.edu:8443/display/lasa/Chittagong+University+Library+%28Chittagong%2C+Bangladesh%29 |শিরোনাম=Chittagong University Library (Chittagong, Bangladesh) |লেখক= |সম্পাদক= |তারিখ= |ওয়েবসাইট= |প্রকাশক=Libraries & Archives in South Asia |সংগ্রহের-তারিখ=মে ৪, ২০১৫}}</ref><ref name="সৌন্দর্যের আধার">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক= |তারিখ=এপ্রিল ১৫, ২০১৫ |শিরোনাম=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : প্রাকৃতিক ও স্থাপত্য সৌন্দর্যের আধার |ইউআরএল=http://www.dailyinqilab.com/details/8023/চট্টগ্রাম-বিশ্ববিদ্যালয়-:-প্রাকৃতিক-ও-স্থাপত্য-সৌন্দর্যের-আধার |সংবাদপত্র=[[দৈনিক ইনকিলাব]] |অবস্থান=[[ঢাকা]] |সংগ্রহের-তারিখ=মে ৪, ২০১৫ }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref> গ্রন্থাগারের সামনে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ এবং দক্ষিণে চাকসু ভবন।<ref name="আজাদী"/><ref name="হাবচ">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি |সম্পাদক১-শেষাংশ=খালেদ |সম্পাদক১-প্রথমাংশ=মোহাম্মদ |সম্পাদক২-শেষাংশ=দাশগুপ্ত |সম্পাদক২-প্রথমাংশ=অরুণ |সম্পাদক৩-শেষাংশ=হক |সম্পাদক৩-প্রথমাংশ=মাহবুবুল |শিরোনাম=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার |সংগ্রহের-তারিখ=৫ মে ২০১৯ |বিভাগ=নগর-জীবন |সাময়িকী=হাজার বছরের চট্টগ্রাম |ধরন=৩৫ বর্ষপূর্তি বিশেষ সংখ্যা |প্রকাশক=এম এ মালেক, [[দৈনিক আজাদী]] |প্রকাশনার-স্থান=চট্টগ্রাম |প্রকাশনার-তারিখ=নভেম্বর ১৯৯৫ |পাতাসমূহ=৩০৯-৩১০ }}</ref><ref name="dailysangram">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=মহিউদ্দিন টিপু |শিরোনাম=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি আলোকিত এক টুকরো গ্রাম |ইউআরএল=http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=26215 |তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১০ |সংগ্রহের-তারিখ=জানুয়ারি ১০, ২০১৫ |কর্ম=[[দৈনিক সংগ্রাম]] }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref><ref name="কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=সাহাবুদ্দীন জামিল |তারিখ=নভেম্বর ২৮, ২০১৩ |শিরোনাম=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার |ইউআরএল=http://shampratikdeshkal.com/library/2013/11/28/949 |সংবাদপত্র=সাম্প্রতিক দেশকাল |অবস্থান= |সংগ্রহের-তারিখ=মে ৪, ২০১৫ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20151002172011/http://shampratikdeshkal.com/library/2013/11/28/949 |আর্কাইভের-তারিখ=২ অক্টোবর ২০১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>
 
==ইতিহাস==
[[চিত্র:Chittagong University Library (09).jpg|thumb|চট্টগ্রামবাম|২০১৫ বিশ্ববিদ্যালয়সালে গ্রন্থাগার ভবন]]
[[চিত্র:Chittagong University Library garden (07).jpg|thumb|গ্রন্থাগারের অভ্যন্তরিণ বাগান]]
 
১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বরের কয়েকজন কর্মকর্তা নিয়ে ভবনের নিচতলায় {{রূপান্তর|১২০০|ft2}} বিশিষ্ট একটি কক্ষে মাত্র ৩০০টি বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে গ্রন্থাগারটির যাত্রা শুরু হয়।<ref name="আজাদী">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=গাজী মোহাম্মদ নুরউদ্দিন |শিরোনাম=প্রাচীন পুঁথি-পাণ্ডুলিপির বিশাল সংগ্রহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার |ইউআরএল=http://www.dainikazadi.org/details2.php?news_id=1617&table=september2014&date=2014-09-14&page_id=36&view=&instant_status= |সংগ্রহের-তারিখ=জানুয়ারি ১০, ২০১৫ |কর্ম=[[দৈনিক আজাদী]] |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20151023215055/http://www.dainikazadi.org/details2.php?news_id=1617&table=september2014&date=2014-09-14&page_id=36&view=&instant_status= |আর্কাইভের-তারিখ=২৩ অক্টোবর ২০১৫ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> পরবর্তীকালে ১৯৬৮ সালে বর্তমান প্রশাসনিক ভবনের (মল্লিক ভবন) দক্ষিণ পাশে মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) ভবনে প্রায় ১৪ হাজার বই নিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে গ্রন্থাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর অস্থায়ী গ্রন্থাগারাটি বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসের দিকে কিছুদিনের জন্য গ্রন্থাগারটি পুনরায় বর্তমান প্রশাসনিক ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। বর্তমানে {{রূপান্তর|৫৬৭০০|ft2}} পরিমিত এলাকা জুড়ে গ্রন্থাগারটি বিস্তৃত।
 
==পরিচালনা==
গ্রন্থাগারটি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের সভাপতিত্বে নেতৃত্বাধীন সকল অনুষদের ডিন সহ ১৪ সদস্যের একটি কমিটি কর্তৃক পরিচালিত। গ্রন্থাগারিক এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে বিবেচিত। এই কমিটি গ্রন্থাগার পরিচালনার যাবতীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং সময়ানুযায়ী গ্রন্থাগারের কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে।
 
==ভবন==
[[চিত্র:CU library picture.jpg|thumb|বাম|বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবন থেকে গ্রন্থার ভবনের দৃশ্য]]
[[চিত্র:Reading rooms at Chittagong University Library (05).jpg|thumb|দ্বিতীয় তলাযর বিভিন্ন শাখা]]
[[চিত্র:BookDisability IndexCorner ofat Chittagong University Library (0102).jpg|thumb|300px|গ্রন্থসূচীপ্রতিবন্ধী পাঠকক্ষ]]
[[চিত্র:Reading rooms at Chittagong University Library (0504).jpg|thumb|দ্বিতীয়মুক্তিযুদ্ধ তলাযরকর্নার বিভিন্নএবং অন্যান্য শাখা]]
 
গ্রন্থাগারটি একটি ত্রিতল ভবনে অবস্থিত, যেখানে অনুষদভিত্তিক পাঠকক্ষ রয়েছে। প্রতিটি পাঠকক্ষের সাথে শিক্ষকেদর জন্য পৃথক পাঠকক্ষের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও এমফিল এবং পিএইচডি গবেষকদের জন্য রয়েছে ২৪টি গবেষণাকক্ষ।<ref name="লাইব্রেরি-৭৪">{{বই উদ্ধৃতি |সম্পাদক১=আমিরুল আলম খান |সম্পাদক২=মীর আবু সালেহ শাসসুদ্দীন শিশির |অন্যান্য=সৈয়দ মুহাম্মদ আবু তাহের |শিরোনাম=লাইব্রেরি নিয়ে যত কথা |সংগ্রহের-তারিখ=৪ মে ২০১৫ |সংস্করণ=২০১০ |প্রকাশনার-তারিখ=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ |প্রকাশক=এসেলারো |অবস্থান=[[চট্টগ্রাম]] |আইএসবিএন=984-7-0185 -0004-4 |পাতা=৭৪ |অধ্যায়=চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার}}</ref>
| width2 = 235
| caption2 = বুকস্টাক এবং ইস্যু শাখা
 
}}
 
;বই ইস্যু শাখা: এই শাখা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী এবং গবেষকদের বই ইস্যু এবং ফেরত নেয়া হয়। পাশাপাশি প্রাত্যহিক ইস্যু এবং ফেরতের হিসাব সংরক্ষণ করা হয়। এখানে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই ফেরত দেওয়ার বিধান রয়েছে।<ref name="লাইব্রেরি-৭৫"/>
 
== সংগ্রহ ==
[[চিত্র:Book Stuck at Chittagong University Library garden (0704).jpg|thumb|300pxবাম|গ্রন্থাগারের অভ্যন্তরিণ বাগানবুকস্টাক]]
[[চিত্র:Book Index of Chittagong University Library (01).jpg|thumb|300px|গ্রন্থসূচী]]
 
গ্রন্থাগারের সংগৃহীত পাঠসামগ্রীকে প্রধান সংগ্রহ, জার্নাল সংগ্রহ, রেফারেন্স সংগ্রহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থিসিস সংগ্রহ, দূষ্প্রাপ্য এবং পাণ্ডুলিপি শাখা এই পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। গ্রান্থাগার ভবনের নিচ তলায় এর প্রশাসনিক শাখা যেখানে গ্রন্থাগারিকের অফিস অ্যাকুইজিশন শাখা, প্রসেসিং শাখা, বাইন্ডিং শাখা, সার্কুলেশন শাখা ছাড়াও কলা অনুষদের ছাত্রছাত্রীদের পাঠকক্ষ এবং অডিটরিয়াম ও দৈনিক পত্রিকা পাঠকক্ষ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে কলা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং সমাজবিজ্ঞান এবং আইন অনুষদের পৃথক পাঠকক্ষ এবং বিষয় সংলগ্ন বইয়ের সমষ্টি। পাশাপাশি রয়েছে হস্তলিপি ও দূষ্প্রাপ্য শাখা, ফটোকপি ও কম্পিউটার ল্যাব। মোজানীন (দুইটি তলার মধ্যে নিচু একটি তলা) তলার রয়েছে রেফারেন্স শাখা এবং জার্নাল, সাময়িকী শাখা এবং ইন্টারনেট সার্ভিসকক্ষ এবং গবেষণাকক্ষ। এছাড়াও দেশী-বিদেশী বিভিন্ন পত্রিকা, দূষ্প্রাপ্য বই এবং রেফারেন্স শাখার জন্যও রয়েছে আলাদা পাঠকক্ষ এবং সংলগ্ন বইয়ের সমষ্টি। জার্নাল শাখায় দেশী-বিদেশী সম্প্রতিককালে প্রকাশিত চাহিদা-সাময়িকী ছাড়াও পুরাতন সংখ্যাগুলো বাঁধাই করে ডিডিপি পদ্ধতি অনুসরণ করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে যেখানে প্রায় ৩২ হাজার বাঁধাইকৃত সাময়িকী রয়েছে। রেফারেন্স শাখায় রয়েছে গবেষণা রিপোর্ট, বিশ্বকোষ অভিধান, হ্যান্ডবুক, ম্যানুয়েল, পঞ্জিকা, গ্লোব, এনজিও প্রকাশনা, ন্যাড়া, আইএলও ইউনেস্কো, বিশ্বব্যাংক আইএমএফ, ইউনিসেফ বিবিএস, বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা। গ্রান্থাগারে দেশী-বিদেশী বই-পত্রিকা-জার্নালের সংখ্যা প্রায় দুই লাখের বেশি। এর মধ্যে পনের হাজার জার্নাল এবং দুই হাজার গবেষণাপত্র রয়েছে।<ref name="আজাদী"/><ref name="হাবচ"/><ref name="dailysangram"/><ref name="জ্ঞানপিপাসুদের জ্ঞানভাণ্ডার">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=হেদায়েত উল্লাহ খন্দকার পলাশ |শিরোনাম=জ্ঞানপিপাসুদের জ্ঞানভাণ্ডার |ইউআরএল=http://www.jjdin.com/print_news.php?path=data_files/408&cat_id=3&menu_id=74&news_type_id=1&index=2 |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=জানুয়ারি ১০, ২০১৫ |কর্ম=[[দৈনিক যায় যায় দিন]]}}</ref>
 
===দূষ্প্রাপ্য এবং পাণ্ডুলিপি শাখা===
[[চিত্র:Reading rooms at Chittagong University Library (05).jpg|thumb|দ্বিতীয় তলার দূষ্প্রাপ্য ও পাণ্ডুলিপি এবং পুরাতন সংবাদপত্র শাখা]]
গ্রন্থাগারের দূষ্প্রাপ্য এবং পাণ্ডুলিপি শাখায় গবেষণা কর্মের জন্য উপাত্ত হিসেবে চিহ্নিত প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, দূর্লভ দলিল, বই, সাময়িকী, দৈনিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাকাশিত বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সংগ্রহ সংরক্ষিত রয়েছে। পুঁথি সংগ্রাহক [[আবদুস সাত্তার চৌধুরী]] সংগৃহীত পুঁথি, পুস্তক এবং পাণ্ডুলিপি নিয়েই এই দূষ্প্রাপ্য এবং পাণ্ডুলিপি শাখা খোলা হয়। এ-শাখায় প্রাচীন ভূজপত্র, তানপত্র, হাতে তৈরি তুলট কাগজ, তালপাতা ও বাঁশখণ্ডের উপর বাংলা, সংস্কৃত, পালি, আরবি, ফারসি এবং উর্দু ভাষায় রচিত ৫৬৫টি পাণ্ডুলিপি সংগৃহীত রয়েছে, যে সকল পাণ্ডুলিপি প্রায় আড়াইশ থেকে একশ বছরের মধ্যে অনুলিখিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, সফর আলি বিরচিত ‘‘গোলে হরমুজ খান’’, গয়াস বিরচিত ‘‘বিজয় হামজা’’, জিন্নত আলী রচিত ‘‘মনিউল বেদায়াত’’, সৈয়দ গাজী বিরচিত ‘‘হর গৌড়ির পুঁথি’’, হামিদুল্লাহ খাঁ রচিত ‘‘ধর্ম বিবাদ’’, পরাগল খাঁ রচিত ‘‘মহাভারত’’ ইত্যাদি। এছাড়াও এ-শাখায় প্রায় দুই শতাধিক পুরানো ছাপা পুঁথি রয়েছে। দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, সমাজ বিজ্ঞান, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ক প্রায় তিন হাজারের অধিক গ্রন্থ রয়েছে।<ref name="হাবচ"/> পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল করিম সাহিহ্যবিশারদ প্রদত্ত সংগ্রহ প্রফেসর ড. আবদুল করিম সংগ্রহ (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি) প্রফেসর ড. আবদুল গফুর প্রদত্ত সংগ্রহ, ইবনে গোলাম নবী প্রদত্ত সংগ্রহ, বাবু কাসেম চন্দ্র রক্ষিত প্রদত্ত সংগ্রহ রশীদ আল ফারুকী প্রদত্ত সংগ্রহ, প্রফেসর ড. ভূঁইয়া ইকবাল প্রদত্ত সংগ্রহও এ শাখাকে করেছে সমৃদ্ধ।<ref name="আজাদী"/><ref name="হাবচ"/><ref name="dailysangram"/>
 
গ্রন্থাগারের দূষ্প্রাপ্য এবং পাণ্ডুলিপি শাখায় গবেষণা কর্মের জন্য উপাত্ত হিসেবে চিহ্নিত প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, দূর্লভ দলিল, বই, সাময়িকী, দৈনিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাকাশিত বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সংগ্রহ সংরক্ষিত রয়েছে। পুঁথি সংগ্রাহক [[আবদুস সাত্তার চৌধুরী]] সংগৃহীত পুঁথি, পুস্তক এবং পাণ্ডুলিপি নিয়েই এই দূষ্প্রাপ্য এবং পাণ্ডুলিপি শাখা খোলা হয়। এ-শাখায় প্রাচীন ভূজপত্র, তানপত্র, হাতে তৈরি তুলট কাগজ, তালপাতা ও বাঁশখণ্ডের উপর বাংলা, সংস্কৃত, পালি, আরবি, ফারসি এবং উর্দু ভাষায় রচিত ৫৬৫টি পাণ্ডুলিপি সংগৃহীত রয়েছে, যে সকল পাণ্ডুলিপি প্রায় আড়াইশ থেকে একশ বছরের মধ্যে অনুলিখিত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, সফর আলি বিরচিত ‘‘গোলে হরমুজ খান’’, গয়াস বিরচিত ‘‘বিজয় হামজা’’, জিন্নত আলী রচিত ‘‘মনিউল বেদায়াত’’, সৈয়দ গাজী বিরচিত ‘‘হর গৌড়ির পুঁথি’’, হামিদুল্লাহ খাঁ রচিত ‘‘ধর্ম বিবাদ’’, পরাগল খাঁ রচিত ‘‘মহাভারত’’ ইত্যাদি। এছাড়াও এ-শাখায় প্রায় দুই শতাধিক পুরানো ছাপা পুঁথি রয়েছে। দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, সমাজ বিজ্ঞান, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ক প্রায় তিন হাজারের অধিক গ্রন্থ রয়েছে।<ref name="হাবচ"/> পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল করিম সাহিহ্যবিশারদ প্রদত্ত সংগ্রহ প্রফেসর ড. আবদুল করিম সংগ্রহ (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি) প্রফেসর ড. আবদুল গফুর প্রদত্ত সংগ্রহ, ইবনে গোলাম নবী প্রদত্ত সংগ্রহ, বাবু কাসেম চন্দ্র রক্ষিত প্রদত্ত সংগ্রহ রশীদ আল ফারুকী প্রদত্ত সংগ্রহ, প্রফেসর ড. ভূঁইয়া ইকবাল প্রদত্ত সংগ্রহও এ শাখাকে করেছে সমৃদ্ধ।<ref name="আজাদী"/><ref name="হাবচ"/><ref name="dailysangram"/>
 
====পত্রিকা এবং সাময়িকী====
৫৪,২৭৭টি

সম্পাদনা