"মনোজ দাশগুপ্ত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সংগঠন: সংযোজন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(→‎সংগঠন: সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
==সংগঠন==
ছোটবেলা থেকেই পাড়ার ক্লাবগুলোর সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে সচেতনতার পরিচয় দিয়েছেন। ছাত্র ইউনিয়নের সাংস্কৃতিক কর্মী ছিলেন। আইয়ুব-বিরোধী আন্দোলনের সময় কারারুদ্ধ হন। ষাটের দশকে বগুড়া লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রণী কবিতা-সৈনিক। এছাড়াও তিনি ছিলেন বগুড়া লেখকগোষ্ঠীর সহ-সভাপতি, বগুড়া নাট্যগোষ্ঠীর সদস্য, বগুড়া লেখক চক্রের উপদেষ্টা। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তিনি অচিরেই বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম সদস্যপদ লাভ করেন। তিনি ছিলেন উদীচী বগুড় জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক এবং ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য। এছাড়াও তিনি দৈনিক চাঁদনী বাজার পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
==সম্পাদিত পত্র-প্রত্রিকা==
'পদধ্বনি'। ৩টি সংখ্যার সম্পাদক।
 
==কর্মজীবন==
বগুড়া লিথোগ্রাফিক প্রিন্টিং প্রেস, মুকুল প্রেস, গ্রীণ বুক হাউজ, দৈনিক চাঁদনী বাজার, সুন্দরবন প্রকাশন - এসব প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সুন্দরবন প্রকাশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
 
==সংসার জীবন==
বিবাহঃ ১৯৮৫ সালের ১মার্চ। স্ত্রীঃ মলিনা দাশগুপ্ত (লক্ষী)। একমাত্র সন্তানঃ অরণ্য দাশগুপ্ত (তপু)।
 
==পুরষ্কার==
কণ্ঠসাধন আবৃত্তি সংসদ সম্মাননা (মরণোত্তর,২০০৮), বগুড়া জেলা প্রশাসক পদক (মরণোত্তর,২০০৮), সাহিত্য-জিজ্ঞাসা সম্মাননা (মরণোত্তর,২০১৪), উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রজত জয়ন্তী সম্মাননা (মরণোত্তর,২০১৮)।
 
==রচনাপঞ্জি==
কাব্যগ্রন্থঃ সজল বৃক্ষের দিকে (২০০০ সালে মরণোত্তর প্রকাশিত)। প্রকাশকঃ রেজাউল করিম চৌধুরী, অর্কেস্ট্রাপ্রকাশ বগুড়া। এছাড়াও আছে সাতটি ছড়া, আটটি গান, একটি স্মৃতিপত্র, একটি গদ্য 'অপরাজেয় প্যালেস্টাইন',
 
==উৎস ও তথ্যসূত্র==
৪৪টি

সম্পাদনা