"সিগিরিয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

নতুন যোগ
(নতুন যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
লাল শ্রীনিবাস ও মিরান্ডো Obesekara রাগানা একটি পোস্ট ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক বাঁক পয়েন্ট হিসাবে Sigiriya বর্ণিত। তাদের মতে, সিগরিয়ায় আলকামন্দভ (ঈশ্বরগণের শহর) হতে পারে যা রামায়ণায় বর্ণিত রাবণ (রাওয়ান) এর অর্ধ-ভাই রাজা কুবেরের 50 শতাব্দীর পূর্বে নির্মিত হয়েছিল।{{Infobox World Heritage Site
{{Infobox World Heritage Site
|Name = Ancient City of Sigiriya
|Image = [[File:Sigiriya.jpg|250px|frameless|Sigiriya Rock from the main public entrance]]
}}
'''সিগিরিয়া''' ({{lang-en|''Sigiriya''}}) ({{lang-bn|''সিংহগিরি''}}) {{lang-si|සීගිරිය}}, {{lang-ta|சிகிரியா}}, pronounced see-gi-ri-yə) হচ্ছে শ্রীলংকার একটি অপূর্ব সুন্দর গুহামন্দির। ছয়শত ফুট উঁচু এক পাথর কেটে দুর্ভেদ্য প্রাসাদ বানিয়েছেন এক রাজা। প্রাসাদ অনেকটা মৌচাকের চাকের মতো। এই পাথর 'সিগিরিয়া রক' নামে ভুবন বিখ্যাত। সিগিরিয়া রকের আরেক নাম 'লায়ন রক'। এটি বৌদ্ধমন্দির হিসেবে চৌদ্দ শতক পর্যন্ত ব্যবহৃত হতো।<ref name="Ponnamperuma 2013">{{বই উদ্ধৃতি|last=Ponnamperuma|first=Senani|title=The Story of Sigiriya|year=2013|publisher=Panique Pty Ltd|isbn=978-0-9873451-1-0}}</ref>
 
 
 
সিগিরিয়া দুর্গের পাথরের প্রবেশপথটি একটি বিশাল সিংহমূর্তির মতো। সিংহমূর্তির অনেকখানি এখনো টিকে আছে। প্রাগৈতিহাসিক এই গুহাটি খ্রীস্টপুর্ব ৫০০ শতাব্দী থেকেই সাধু সন্যাসীদের আশ্রম হিসেবে ব্যবহৃত হত। শোনা যায় দক্ষিণ ভারতীয় রাজা কাশ্যপ কোন যুদ্ধে পড়াজিত হয়ে ৪৯৫ খ্রীস্টাব্দ নাগাদ এই স্থানে আশ্রয় নেন এবং সুরক্ষিত একটি দূর্গ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে এটি বৌদ্ধদের মঠে পরিণত হয়। বর্তমানে এটি শ্রীলংকার একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র এবং [[বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান]]।
১৭টি

সম্পাদনা