প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

তথ্যসূত্র
 
== শৈশব ও কৈশোর ==
তাঁর শৈশবের পুরোটাই কেটেছে [[পূর্ববঙ্গে]] যা বর্তমান [[বাংলাদেশ]], ঠাকুরদা আর ঠাকুমার কাছে। কবির ঠাকুরদা কর্মজীবন কাটিয়েছেন কলকাতায়। কর্মজীবন শেষে ৫০ বছর বয়সে কলকাতার পাটপাঠ চুকিয়ে [[বাংলাদেশের]] [[ফরিদপুর]] বাড়ি [[চান্দ্রা]] গ্রামে চলে আসেন। তার বাবা কলকাতাতেই ছিলেন। কলকাতার একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কাজ করতেন। দুই বছর বয়সে কবির মা বাবার কর্মস্থল কলকাতায় চলে যান। কবি থেকে যান তাঁর ঠাকুরদা লোকনাথ চক্রবর্তীর কাছে। গ্রামে কাটিয়েছেন মহা স্বাধীনতা—ইচ্ছেমতো দৌড়ঝাঁপ করে। কখনো গাছে উঠছেন; কখনো আপন মনে ঘুরেছে গ্রামের এই প্রাপ্ত থেকে অন্যপ্রাপ্তে। চার বছর বয়সে কবির কাকিমা বলছিলেন, ‌'তুই তো দেখছি কবিদের মতোন কথা বলছিস!' সেই সময়েই মুখস্থ করেছিল গ্রামে কবিয়ালরা,করেছিলেন কবিগান,রামায়ণ গান। গ্রামের দিনগুলো খুব সুন্দর কেটেছেন তাই তিনি এ গ্রামের বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় যেতে চাইতেন না।
 
প্রাথমিক লেখাপড়া ফরিদপুরে পাঠশালায়। পরে ঠাকুরদার মৃত্যুর পর গ্রাম ছেড়ে ১৯৩০ সালে কলকাতায় চলে এসেছিলেন।এসেছিলেন
==কৈশোর==
প্রাথমিক লেখাপড়া ফরিদপুরে পাঠশালায়। পরে ঠাকুরদার মৃত্যুর পর গ্রাম ছেড়ে ১৯৩০ সালে কলকাতায় চলে এসেছিলেন।
 
==সাহিত্য জীবন==
১৯৫১ সালে যোগ দিয়েছিলেন ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায়। দীর্ঘ সময় তিনি ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। নীরেন্দ্রনাথের প্রথম কবিতার বই ‘নীল নির্জন’, প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৫৪ সালে। এরপর প্রকাশিত হয়েছে তাঁর লেখা ‘অন্ধকার বারান্দা’, ‘নিরক্ত করবী’, ‘নক্ষত্র জয়ের জন্য’, ‘আজ সকালে’সহ অসংখ্য কবিতার বই। সাহিত্য অ্যাকাদেমি পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দিয়ে সম্মানিত করেছিল।
 
তার লেখা ‘উলঙ্গ রাজা’ কবিতায় সমান্ততান্ত্রিক জমিদার জোতদার সমাজ ব্যবস্থাকে তীব্র কটাক্ষের বাণে বিদ্ধ করেছিলেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। কবিতার শেষ লাইনে লেখা ‘রাজা তোর কাপড় কোথায়’ লাইনটি আজও মানুষের মুখেমুখে।
 
== কবিতা ==
নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী একাধিক গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যে তার সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্রের নাম [[ভাদুড়ী মশাই]]।
== পুরস্কার ও সম্মাননা ==
উলঙ্গ রাজা’ এই কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৭৮ সালে ‘সাহিত্য অকাদেমি’ পুরস্কার পান কবি নীরেন্দ্রনাথ। তা ছাড়াও একগুচ্ছ পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ১৯৫৮ সালে ‘উল্টোরথ পুরস্কার’, ১৯৭০ সালে ‘তারাশঙ্কর স্মৃতি’ ও ১৯৭৬ সালে ‘আনন্দ শিরমণি’ পুরস্কার পান কবি। ২০০৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডি. লিট প্রদান করে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দিয়ে সম্মানিত করেছিল।
*উল্টোরথ পুরস্কার (১৯৫৮)
*তারাশঙ্কর-স্মৃতি (১৯৭০)
*সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৭৪)
*আনন্দ শিরমণি (১৯৭৬)
*ডক্টরেট (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়) (২০০৭)
 
==মৃত্যু==
নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী আর বেঁচে নেই। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ধ্রুবতারা নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তার সৃষ্ট ‘অমলকান্তি’র মতোই যেন রোদ্দুর হয়ে গেলেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগে ৯৪ বছর বয়সে চিরপ্রস্থান ঘটলো এই কিংবদন্তীর। ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অমল কান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল, পারেনি। আমাদের সমস্তটুকু ঘিরে যে প্রলয়
২০১৮, ২৫শে ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Death |ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/international/article/1571704/%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E2%80%98%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF}}</ref>
 
অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে, প্রিয় কবি, আপনি অন্তত আমাদের মাথার উপরে, আকাশের নীল নির্জনে রোদ্দুর হয়ে থাকুন।     
 
==তথ্যসূত্র==
১০টি

সম্পাদনা