আবদুর রহমান আল-সুদাইস: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
|আর্কাইভের-তারিখ = ১৪ জুলাই ২০১৪
|অকার্যকর-ইউআরএল = হ্যাঁ
}}</ref> ধর্মীয় ক্ষেত্রে তিনি সালাফি মতাদর্শের অনুসারী।অনেক তাকে শাফেয়ী বা হাম্ব্লী মাযহাবের বলে থাকে।কিন্তু, এই ক্থা সত্য নয়।নয়।২০০৯ ালে াকিস্তান জমঈয়তে [[আহলে হাদীস]] সম্মেলনে গিয়ে তিনি বলেন, <nowiki>''</nowiki> প্রত্যেক মুসলিমকে [[আহলে হাদীস]] হওয়া উচিত।<nowiki>''</nowiki>
 
শায়খ আবদুর রহমান ইবন আবদুল আজিজ আস-সুদাইস‏ মক্কায় অবস্থিত সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মসজিদ আল-হারামের ইমাম।তিনি সৌদি সরকারের অনুমোদিত জামেয়াতুল মা’রেফা আল-আলামিয়্যাহ (নলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর)। যার শিক্ষকতায় আছেন সৌদি গ্রান্ড মুফতি, ধর্মমন্ত্রীসহ অনেক উচ্চপদস্থ উলামায়ে কেরাম।তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৯টি। আরো ৬ টি গ্রন্থ ও গবেষণাপত্র প্রকাশের অপেক্ষায় আছে।শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইস ১৯৯৫ সালে মক্কার উম্মুল ক্বুরা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শরিয়াহ ফ্যাকাল্টি থেকে পিএইচডি (ডক্টরেট) ডিগ্রী অর্জন করেন।তিনি খুবই বিনয়ী। সব সময় সাধারণ মানুষদের কাছে থাকতে ও সাথে থাকতে ভালোবাসেন। কা’বা শরীফ ও মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম হয়েও তিনি ক্লিনারদের সাথে বসে ইফতার করতে ও খাবার খেতে পছন্দ করেন।তিনি সব সময় হাস্যোজ্জ্বল থাকেন। খুব বিনয়ী ও মিষ্টিস্বরে কথা বলেন। তিনি হাল্কা কৌতুক করতে পছন্দ করেন। তবে, নামাযে দাড়ালেই কেঁদে ফেলেন। তার তেলাওয়াতের সময় মনে হয়, যেন লওহে মাহফুজ থেকে কুরআন নাজিল হচ্ছে।তিনি কা’বা শরীফের ইমাম হওয়ার আগে অনেক ছোটবড় মসজিদের ইমামতিও করেছেন।হৃদয়গ্রাহী কুরআন তেলাওয়াতের কারণে সারাবিশ্বে নামডাক শায়খ আবদুর রহমান আস-সুদাইসের।‏ছোট বেলার একটা ঘটনা বলতে গিয়ে খুব আবেগী হয়ে যান ক্বরি সুদাইস। ছোট বেলায় কি একটা দুষ্টুমি করেছিলেন। ফলে তার মা তার ওপর রেগে গিয়ে বলেন- ‘তুই বের হয়ে যা, গিয়ে হারামাইনের ‘ইমাম’ হ।’
৬৭টি

সম্পাদনা