"জোঁক" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
(3টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 0টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1))
(সংশোধন)
তঞ্চন বন্ধ করার জন্য রক্তচোষা জোঁকের লালায় [[হিরুডিন]] নামক [[রক্ত জমাট রোধক]](anticoagulant) পেপটাইড ক্ষরিত হয়।
 
বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় এগুলোকে "খেউরা জোঁক" বা " চীনা জোঁক" বলে। স্যাঁতসেতে ভিজেমাটি এদের পছন্দনীয় আবাস্থল। মাঝারি ও ছোট আকারের গবাদিপশু'র রক্তশূন্যতার কারণ এই জোঁক। একটি ছোটবাচ্চাকে যদি তিন/চারটি জোঁক একত্রে ধরে, তবে সেই বাচ্চাটি রক্তশূন্যতার জন্য মারাও যেতে পারে। বগুড়া জেলার দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলোতে এই জোঁক প্রচুর দেখা যায়। আমাদের গাঁড়ল-দুম্বা বা ভেড়ার পায়ের খুর ও ঘাস খাওয়ার সময় নাকের ভেতরে ঢুকে পড়ে এগুলো। ত্বকে ছিদ্র করে রক্ত শুষতে থাকে, যতক্ষন না এগুলোর পেট ফেটে যাওয়ার উপক্রম হয়ে নিজ থেকেই পড়ে যায়। এরা যেটুকু রক্ত খায় তাতে কোন সমস্যা হয়না। কিন্তু রক্ত খেতে যে ছিদ্রটি করে, সেই ছিদ্র দিয়ে অনেকটা রক্ত বেরিয়ে যায়। গ্রামবাংলায় পশুপালনের বড় অন্তরায় এই রাবারসদৃশ প্রাণিটি। এদের উৎপত্তি স্থল হলো গণচীন। ধারনা করা হয়, অনেককাল পূর্বে কয়লার মাধ্যমে এই জোঁক বাংলাদেশে আসে।(অরণ্য তপু)
 
== দেহ থেকে জোঁক অপসারন ==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
Amader Farms - আমাদের ফার্মস্
তপু'র ফার্মহাউজ
 
== বহিঃসংযোগ ==
২৬,৬৯৫টি

সম্পাদনা