"সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
== প্রাথমিক জীবন ==
জন্ম কুমিল্লার কামালপুরে । কিন্তু ঢাকার কমলাপুরে কেটেছে তার শৈশব।বাবা ছিলেন রেলের স্টেশনমাস্টার। তবে তার বাবা শশধর চট্টোপাধ্যায়<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://upperstall.com/profile/sabitri-chatterjee/|শিরোনাম=Sabitri Chatterjee|শেষাংশ=Das|প্রথমাংশ=Monish K.|তারিখ=2016-10-22|ওয়েবসাইট=Upperstall.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-03-14}}</ref>-এর কর্মস্থল ছিল ফুলবাড়িয়ায়, যেখানে ছিল ঢাকার পুরনো রেল ষ্টেশান। ১০ বোন। ভাই ছিল না।১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভারতে চলে গিয়েছিলেন কিশোরী বয়সে। দুই বোনকে তাদের বাবা কলকাতায় পাঠিয়ে দেন। উঠেছিলেন দিদির বাড়ি কলকাতার টালিগঞ্জে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://upperstall.com/profile/sabitri-chatterjee/|শিরোনাম=Sabitri Chatterjee|শেষাংশ=Das|প্রথমাংশ=Monish K.|তারিখ=2016-10-22|ওয়েবসাইট=Upperstall.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-03-14}}</ref> বাবা শশধর চট্টোপাধ্যায় ঠিকমতো টাকা পাঠাতে পারতেন না। তাই খুব কষ্টে কাটছিল ১০ বছর বয়সী ছোট্ট মেয়েটার জীবন। স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন ক্লাস থ্রিতে। আধপেটা খেয়েই কাটিয়ে দিতে হতো দিন। কখনো কখনো ভালো খাওয়ার লোভে আত্মীয়দের বাড়ি চলে যেতেন রাতে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই আত্মীয়রা ফন্দিটা টের পেল। তখন সেখান থেকেও আধপেটা খেয়ে ফিরতে হতো।
 
== ব্যক্তি জীবন ==
 
== অভিনয় জীবন ==
অর্থাভাব আর ছোটবেলা থেকে সিনেমার প্রতি আকর্ষণ তাকে টেনে নিয়ে যায় সিনেমা জগতে।উত্তম কুমার থেকে শুরু করে বহু বড় বড় তারকার সঙ্গে অভিনয় করেছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়।অভিনয়ের শুরু নাটক দিয়ে। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় লতায়-পাতায় তাঁদের আত্মীয় হতেন। তিনিই অভিনয়ে সুযোগ দেন। নাটকের দলের নাম উত্তর সারথী। নতুন ইহুদি নামের একটা নাটক। নাটক করতে করতেই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ডাক এল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://upperstall.com/profile/sabitri-chatterjee/|শিরোনাম=Sabitri Chatterjee|শেষাংশ=Das|প্রথমাংশ=Monish K.|তারিখ=2016-10-22|ওয়েবসাইট=Upperstall.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-03-14}}</ref> পাশের বাড়ি ছবির জন্য যখন তাঁর সঙ্গে আলোচনা হচ্ছিল, তখন তাঁর ‘বাঙাল’ উচ্চারণের কারণে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু আর কোনো অভিনেত্রীকে না পেয়ে আবার ফিরে আসতে হয় সাবিত্রীর কাছে। ২০০ টাকা মাস মাইনের শিল্পী তখন তিনি। কিন্তু পাশের বাড়ির শুটিংও বন্ধ ছিল কিছুকাল। সে সময় জীবনটা কেটেছে খুব কষ্টে। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর সাবিত্রীর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন অনেকেই। ফলে আর থেমে থাকতে হয়নি।গলি থেকে রাজপথ, অবাক পৃথিবী, অনুপমা, দুই ভাই, ধন্যি মেয়ে, মাল্যদান, নিশিপদ্ম ছবিগুলো। কিংবা হালের হ্যামলক সোসাইটির ঝুলন গুপ্ত। এখনো অভিনয় করে চলেছেন সাবিত্রী। টিভি সিরিয়ালে করছেন, চলচ্চিত্রেও করছেন। ৭৫ বছর বয়সেও অভিনয়ের নেশা কাটেনি তাঁর।
 
'''<big>উত্তম -সাবিত্রী জুটি</big>'''
 
উত্তম সুচিত্রা এবং উত্তম সুপ্রিয়াকে নিয়ে ক্রেজ তখন প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। একদম শেষ দিকে উত্তম কুমারের সাথে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জুটি খুবই জনপ্রিয় হয়। উত্তম কুমার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সাবিত্রীর বেশ ‍সুনাম গেয়েছেন। তার অভিনয়গুনে মুগ্ধ ছিলেন মহানায়ক। হাত বাড়ালেই বন্ধু, দুই ভাই, নিশি পদ্ম, মমের আলো ইত্যাদি সিনেমায় তাদের কেমিস্ট্রি প্রশংসিত হয়েছে।ধন্যি মেয়ে বা মৌচাকের মত কমেডি ছবিতে সাবিত্রীর সাথে জুটি বেঁধে উত্তম কুমারের কমেডি চরিত্র রীতিমত লেখা হয়ে গেছে ইতিহাসের পাতায়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://upperstall.com/profile/sabitri-chatterjee/|শিরোনাম=Sabitri Chatterjee|শেষাংশ=Das|প্রথমাংশ=Monish K.|তারিখ=2016-10-22|ওয়েবসাইট=Upperstall.com|সংগ্রহের-তারিখ=2019-03-14}}</ref> তার সাথে অবশ্য উত্তম কুমারের কোনো অন্তরঙ্গতার খবর আসেনি।
 
==অভিনীত চলচ্চিত্র==