"রোগ ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যার আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানগত শ্রেণীবিন্যাস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(সংশোধন)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
১৯৯০ সালে 'বিশ্ব স্বাস্থ্য সদন' ICD-র দশম সংস্করণ প্রস্তুত করে এবং ১৯৯৪ সাল থেকে সংঘ রাষ্ট্রসমূহের ব্যবহারের জন্য মুক্ত করা হয়। বর্তমানেও এই সংস্করণকে ব্যবহার করা হয়েছে। অবশ্য একাদশ সংস্করণের কাজ এখনও চলছে।
 
ICD সমস্ত রোগ, স্বাস্থ্য পরিচালনার বিভিন্ন দিক ও রোগী চিকিৎসার সমূহ দিককে বিচার করে নির্দিষ্ট নিয়মে শ্রেণিবিভাজন এবং নামকরণ করে। রোগের চিকিৎসা, চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যয় নির্ধারণ, রোগে হওয়া শারীরিক ক্ষতি ইত্যাদি এই বিভাজনের আধারে নির্ণয় করা হয়। 'মৃত্যুর প্রমাণপত্র'-এ ICD-পদ্ধতিতে রোগ শনাক্ত করে দেওয়া বাধ্যতামূলক।
 
রোগের শ্রেণীবিভাজন করে শনাক্ত করা ছাড়াও এই নির্দেশাবলী রোগের আন্তর্জাতিক গবেষণায় থাকা নিদান সম্পর্কিত পার্থক্যসমূহ (Diagnostic differences) দূর করে। তার বাইরেও একই নির্দেশাবলী মেনে চললে কোনো একরকম রোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান প্রস্তুত করাতে বিশেষ সুবিধা হয়।
 
==রোগের আন্তর্জাতিক শ্রেণীবিভাজনর দশম সংস্করণের নিয়ম==
 
বর্তমান প্রচলিত দশম সংস্করণে মোট বাইশটা অধ্যায় আছে।
 
অধ্যায়. গোষ্ঠী শিরোনাম
B51.0 মানে হল '' 'প্লাজমোডিয়াম ভাইভেক্স' থেকে হওয়া ম্যালেরিয়া রোগ, এবং এই রোগের জন্য প্লীহা ফেটে যাওয়ার অবস্থা।''
 
B51.9 মানে হল '' 'প্লাজমোডিয়াম ভাইভেক্স' থেকে হওয়া ম্যালেরিয়া রোগ, কোনো জটিলতা নাই।''
 
কিছু রোগের জন্য একটা পঞ্চম সংখ্যাও যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে।
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}
{{reflist}}
*http://www.who.int/classifications/icd/en/ আহরণ করা তারিখ: ৭ আগষ্ট, ২০১১
*http://www.who.int/classifications/icd/en/HistoryOfICD.pdf আহরণ করা তারিখ: ৭ আগষ্ট, ২০১১
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা