"ভারতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ইতিহাস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

১৮শ শতাব্দীর শেষে ভারতীয় ডাক ব্যবস্থা অতীব দক্ষ হয়ে ওঠে।<ref name=Peabody1/> যেমন, টমাস ব্রোটনের বক্তব্য অনুযায়ী, [[যোধপুর]] মহারাজা তাঁর রাজধানী থেকে ৩২০ কি.মি. দূরে নাথাদেওরার মন্দিরে প্রত্যেক দিন তাজা ফুলের অর্ঘ্য পাঠাতেন, যা পরের দিন সূর্য্যোদয়ের সাথে সাথে ঠিক প্রথম [[ষড়দর্শন|দর্শনে]]র সময় পৌঁছে যেত।<ref name=Peabody1>Peabody, 71</ref> পরবর্তী পর্যায়ে [[ব্রিটিশ রাজ]] আসার সঙ্গে ডাক ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ পরিবর্তন হয়।<ref name=Lowe/> ১৮৩৭ সালের ১৭তম পোস্ট অফিস আইন (''The Post Office Act XVII of 1837'') বলে [[ভারতের গভর্নর-জেনারেল]] [[ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি]]র এলাকার যে কোনো স্থানে ডাক মাধ্যমে সংবাদ পাঠাতে পারতেন।<ref name=Lowe/> কিছু আধিকারিকের এই বিনামূল্যে ডাক ব্যবস্থা ব্যবহার করার সুবিধা, পরের দিকে বিতর্কের সৃষ্টি করে।<ref name=Lowe/> ১লা অক্টোবর ১৮৩৭ সালে ভারতীয় পোস্ট অফিস পরিষেবার সূচনা হয়।<ref name=Lowe>Lowe, 134</ref> কৌশলগত এবং বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্রিটিশেরা ভারতে এক সুবিশাল [[রেল পরিবহন]] ব্যবস্থা গড়ে তোলে।<ref>Seaman, 348</ref>
 
ভারতে ব্রিটিশ শিক্ষাব্যবস্থা মূলতঃ স্থানীয় জন সমাজ থেকে পুর ও প্রশাসনিক চাকরির যোগ্য প্রার্থী তৈরী করার উদ্দেশ্যে চালু হলেও, এর ফলে ভারতীয় ছাত্রদের কাছে বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দরজা খুলে যায়।<ref name=Rajendran>Raja (2006)</ref> [[জগদীশ চন্দ্র বসু| স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু]] (১৮৫৮–১৯৩৭), [[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়|আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়]] (১৮৬১-১৯৪৪), [[সত্যেন্দ্রনাথ বসু]] (১৮৯৪–১৯৭৪), [[মেঘনাদ সাহা]] (১৮৯৩–১৯৫৬), [[প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ]] (১৮৯৩–১৯৭২), [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন|স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] (১৮৮৮–১৯৭০), [[সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর]] (১৯১০–১৯৯৫), [[হোমি জাহাঙ্গীর ভাভা]] (১৯০৯–১৯৬৬), [[শ্রীনিবাস রামানুজন]] (১৮৮৭–১৯২০), [[উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী]] (১৮৭৩–১৯৪৬), বিক্রম সারাভাই (১৯১৯–১৯৭১), [[হর গোবিন্দ খোরানা]] (১৯২২–২০১১), হরিশ চন্দ্র (1923–1983১৯২৩–১৯৮৩), এবং [[আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)|আবদুস সালাম]] (১৯২৬-১৯৯৬) হলেন এই সময়ের কিছু উল্লেখযোগ্য কৃতি বিজ্ঞানী।<ref name=Rajendran/>
 
ঔপনিবেশিক যুগে স্থানীয় ও ঔপনিবেশিক বিজ্ঞান গবেষণার গভীর আদান-প্রদান ছিল।<ref name=Arnold211>Arnold, 211</ref> পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের প্রভাবকে শুধুমাত্র ঔপনিবেশিক সত্তা হিসাবে দেখা হত না বরং ভারতীয় জাতি গঠনে এর উপযোগিতা,<ref name=Arnold212/> বিশেষ করে কৃষি ও বাণিজ্যে পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য ছিল।<ref name=Arnold211/> ভারতীয় বিজ্ঞানীরাও সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েন।<ref name=Arnold212>Arnold, 212</ref> ভারতের স্বাধীনতার সময় ঔপনিবেশিক যুগে গড়ে ওঠা ভারতীয় বিজ্ঞান সারা বিশ্বে সমাদৃত হতে শুরু করে।
৩,৫১২টি

সম্পাদনা