"আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

নিরপেক্ষতা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(নিরপেক্ষতা)
{{জন্য|এই নিবন্ধটি একজন বাংলাদেশী ভাষা শহীদ সম্পর্কিত; অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য|আবদুস সালাম}}
 
{{তথ্যছক ব্যক্তি
| image = Shaheed Abdus Salam.jpg
| caption =
| birth_name = আবদুস সালাম
| birth_date = ২৭ নভেম্বর [[১৯২৫]] সাল
| birth_place = [[দাগনভূঁইয়া উপজেলা]], [[ফেনী জেলা]]
| death_date = [[এপ্রিল ৭|৭ এপ্রিল]], [[১৯৫২]] সাল
| death_place = [[ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল]], [[ঢাকা]], পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান: [[বাংলাদেশ]])
| known_for = ভাষা শহীদ
| occupation = চাকুরী
}}
'''আবদুস সালাম''' এর জন্ম (২৭ নভেম্বর, [[১৯২৫]] সালে [[ফেনী জেলা|ফেনী]]রএপ্রিল [[দাগনভূঁইয়া১৯৫২) উপজেলা]]রছিলেন লক্ষণপুরএকজন গ্রামেবাংলাদেশী (পরবর্তীতেভাষা তারআন্দোলনকর্মী নামানুসারে গ্রামের নামকরণ করা হয় সালামনগর); মৃত্যুযিনি [[এপ্রিল ৭পাকিস্তান|পাকিস্তানের]], রাষ্ট্রভাষা হিসেবে [[১৯৫২বাংলা]]কে সালে।স্বীকৃতির তিনিদাবিতে মহানতৎকালীন [[ভাষাপূর্ব আন্দোলনপাকিস্তান|ভাষাপূর্ব আন্দোলনেরপাকিস্তানে]] অন্যতমসৃষ্ট শহীদ।[[বাংলা ভাষা রক্ষায়আন্দোলন|বাংলা তাঁরভাষা অসামান্যআন্দোলনে]] ভূমিকা১৯৫২ সালে আত্মাহুতিরনিহত কারণেইহন। পরবর্তীকালেবাংলাদেশে বাঙালিতাকে জাতিকেশহীদ জাতীয়হিসেবে চেতনায়গণ্য উজ্জ্বীবিত ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার ফলেই [[১৯৭১]] সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] স্বাধীনতা অর্জিতকরা হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.imli.gov.bd/ভাষা-সৈনিক-5/ |শিরোনাম=আবদুস সালাম |প্রকাশক=আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট |সংগ্রহের-তারিখ=১১ জানুয়ারি ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130218034610/http://www.imli.gov.bd/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95-5/ |আর্কাইভের-তারিখ=১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
 
== প্রারম্ভিক জীবন ==
'''আবদুস সালাম''' এর জন্ম ২৭ নভেম্বর, [[১৯২৫]] সালে [[ফেনী জেলা|ফেনী]]র [[দাগনভূঁইয়া উপজেলা]]র লক্ষণপুর গ্রামে (পরবর্তীতে তার নামানুসারে গ্রামের নামকরণ করা হয় সালামনগর); মৃত্যু [[এপ্রিল ৭]], [[১৯৫২]] সালে। তিনি মহান [[ভাষা আন্দোলন|ভাষা আন্দোলনের]] অন্যতম শহীদ। ভাষা রক্ষায় তাঁর অসামান্য ভূমিকা ও আত্মাহুতির কারণেই পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনায় উজ্জ্বীবিত ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার ফলেই [[১৯৭১]] সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] স্বাধীনতা অর্জিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.imli.gov.bd/ভাষা-সৈনিক-5/ |শিরোনাম=আবদুস সালাম |প্রকাশক=আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট |সংগ্রহের-তারিখ=১১ জানুয়ারি ২০১৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20130218034610/http://www.imli.gov.bd/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95-5/ |আর্কাইভের-তারিখ=১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
সালাম ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর [[ফেনী জেলা|ফেনী]]র [[দাগনভূঁইয়া উপজেলা]]র লক্ষণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার নামানুসারে পরবর্তীতে গ্রামের নামকরণ করা হয় সালামনগর। তার পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজেল মিয়া ও মাতার নাম দৌলতের নেছা। ফাজেল মিয়া [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] অংশগ্রহণ করেন এবং ইরাকের বসরায় কর্মরত ছিলেন। সালাম কৃষ্ণরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন। এরপর তৎকালীন মাতুভূঁই কলিমুল্লাহ মাইনর স্কুলে (বর্তমানে মাতুভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়) অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর [[আতাতুর্ক মডেল হাই স্কুল|আতাতুর্ক মডেল হাই স্কুলে]] (তৎকালীন দাগনভূঁইয়া আতাতুর্ক হাইস্কুল) ভর্তি হন এবং সেখানে দশম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। আর্থিক অনটনে পরবর্তীতে তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়।
 
== পরিবার ও কর্মজীবন ==
সালাম লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পর কলকাতা গমন করেন এবং সেখানে মেটিয়াবুরুজে তার বড় বোনের স্বামী আবদুল কাদেরের মাধ্যমে [[কলকাতা বন্দর|কলকাতা বন্দরে]] কাজ শুরু করেন। ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন এবং আজিমপুরে (পলাশী ব্যারাক) ৩৬বি নং কোয়ার্টারে বসবাস শুরু করেন। এ সময় তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের 'পিয়ন' হিসেবে কাজ শুরু করেন।
তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজিল মিয়া। আবদুস সালাম কর্মজীবনে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের 'পিয়ন' হিসেবে কর্মরত ছিলেন। [[ঢাকা|ঢাকার]] নীলক্ষেত ব্যারাকের ৩৬বি নং কোয়ার্টারে বাস করতেন।তার মাতার নাম দৌলতের নেছা।শহীদ আবদুস সালাম অর্থাভাবে বেশি দূর লেখাপড়া করতে পারেননি।গ্রামের একটি স্কুলে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা করেন।
 
== ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ ==
বাংলা ভাষাকে [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বায়ান্নোর [[ফেব্রুয়ারি ২১|২১শে ফেব্রুয়ারি]] [[ঢাকা মেডিকেল কলেজ|ঢাকা মেডিকেল কলেজের]] সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ এলোপাথাড়িভাবে গুলি চালালে অন্যদের সাথে আবদুস সালামসালামও গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। দেড় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর [[৭ এপ্রিল]], ১৯৫২ তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://omorekushey.com/index.php?option=com_content&view=article&id=54:abdus-salam&catid=1:vasha-shahid&Itemid=50 |প্রকাশক=অমর একুশে ডট কম |শিরোনাম=শহীদ আব্দুস সালাম }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ডিসেম্বর ২০১৮ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref> তাকে ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
 
== সম্মাননা ==
* এই মহান ভাষা শহীদের নামে নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনিরনৌবাহিনীর অন্যতম যুদ্ধ জাহাজ বি‘বি এন এস সালামসালাম’ তার নামে নামকরণ করা এর।হয়।
* মহান ভাষা আন্দোলনে আবদুস সালাম অনবদ্য ভূমিকা রাখায় [[গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ|বাংলাদেশ সরকার]] তাঁকেতাকে ২০০০ সালে [[একুশে পদক]] (মরণোত্তর) প্রদান করেন।
* ফেনী স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে ২০০০ সালে 'ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামে' রূপান্তর করা হয়।
* দাগনভুঞাদাগনভূঁইয়া উপজেলা মিলনায়তনকে ২০০৭ সালে 'ভাষা শহীদ সালাম মিলনায়তন' করা হয়।
* ২০০৮ সালে ‘ভাষাশহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর’ সালাম নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে প্রতিষ্ঠিত হয়।
* তাঁর২০০০ সালে তার নিজ গ্রাম লক্ষ্মণপুরের নাম পরিবর্তন করে 'সালাম নগর' রাখা হয়। ২০০৯ সালে এটি সরকারি নথিভূক্ত হয়।
*এই মহান 'ভাষা শহীদেরশহীদ আবদুস সালাম হল' নামে [[নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়|নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে]] একটি আবাসিক ছাত্র হল 'ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
 
== আরো দেখুন ==
 
== বহিঃসংযোগ ==
* {{বাংলাপিডিয়া|সালাম, আবদুস২}}
{{মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদগণ}}
{{বাংলা ভাষা আন্দোলন |state=autocollapse}}