"নওদা বুরুজ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

0টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 1টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(0টি উৎস উদ্ধার করা হল ও 1টি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হল। #IABot (v2.0beta10ehf1))
 
==ইতিহাস==
[[লক্ষ্মণসেন|রাজা লক্ষন সেনের]] আমলে রহনপুর বাণিজ্য নগরী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।<ref name="গৌড়ের ইতিহাস">{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ=চক্রবর্তী |প্রথমাংশ১=রজনীকান্ত |ইউআরএল=http://50.30.47.15/ebook/bangla/Gourer_Itihas.pdf |বিন্যাস=PDF |শিরোনাম=গৌড়ের ইতিহাস |সংস্করণ=1 & 2 |অবস্থান=Bankim Chatterjee Street, Calcutta 700 073 |প্রকাশক=Dev's Publishing |তারিখ=January 1999 }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref> বাণিজ্যিক কারণে রহনপুরেই তিনি গড়ে তোলেন সুরম্য অট্টালিকা, যার মধ্যে মসজিদই প্রধান। ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাত এই বিলীন অট্টালিকাটির প্রকৃত নাম শাহ্বুরুজ। শাহ্ শব্দের অর্থ বাদশা আর বুরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা বা বালাখানা।<ref name="গৌড়ের ইতিহাস" /> যা পরবর্তীতে লোকমুখে ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাতি লাভ করে।
 
বাংলা বিজয়ী [[ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী]] এ পথে বাংলায় আগমন করেন এবং এ স্থানে কিছু সময় অবস্থান করেন। ইতিহাসে পরিচিত [[নদীয়া]] অঞ্চলটি এ স্থাপনাগুলির অঞ্চলের পাশেই অবস্থিত। যা পরবর্তীতে নওদা নামে পরিচিতি লাভ করে।<ref name="গৌড়ের ইতিহাস" /> বখতিয়ার খলজীর আগমনের সংবাদে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রাজা লক্ষন সেন এ স্থান থেকে নদী পথে পলায়ন করেন। সেই থেকে এটি নওদা বুরুজ নামেও পরিচিত।
৫৪,৬৮৬টি

সম্পাদনা