"সঙ্গীত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিষ্কারকরণ
(→‎সঙ্গীতের তাল: লিংক সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
(পরিষ্কারকরণ)
'''সংগীত''' দ্বারা গীত, বাদ্য, নৃত্য এই তিনটি বিষয়ের সমাবেশকে উল্লেখ করা হয়।<ref name=":0">{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সহজ পদ্ধতির বাঁশী শিক্ষা|শেষাংশ=মৃণাল দাশ গুপ্ত|প্রথমাংশ=|বছর=২০১৩|প্রকাশক=অশোক ধর, গণেশ এন্ড কোং, ৯৮ হাজারী লেইন, চট্টগ্রাম|অবস্থান=চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ|পাতাসমূহ=১০|আইএসবিএন=}}</ref> গীত এক ধরনের শ্রবণযোগ্য [[কলা (বিষয়)|কলা]] যা সুসংবদ্ধ [[শব্দ]] ও নৈশব্দের সমন্বয়ে [[মানুষ|মানব]] চিত্তে বিনোদন সৃষ্টি করতে সক্ষম। স্বর ও ধ্বনির সমন্বয়ে সঙ্গীতেরগীতের সৃষ্টি। এই ধ্বনি হতে পারে [[মানুষ|মানুষের]] কণ্ঠ নিঃসৃত ধ্বনি, হতে পারে যন্ত্রোৎপাদিত শব্দ অথবা উভয়ের সংমিশ্রণ। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে সুর ধ্বনির প্রধান বাহন। সুর ছাড়াও অন্য যে অনুষঙ্গ সঙ্গীতের নিয়ামক তা হলো [[তাল]]। কার্যতঅর্থযুক্ত ধ্বনিকথা, সুর ও তালের সমন্বয়ে সঙ্গীতগীত সৃজিতপ্রকাশিত হয়।<ref name=":0" /> সুর ও তালের মিলিত ভাব এ বাদ্য প্রকাশিত হয়।<ref name=":0" /> ছন্দের সাথে দেহ ভঙ্গিমার সাহায্যে নৃত্য গঠিত ।<ref name=":0" />
 
== ইতিহাস ==
সঙ্গীত সর্বাঙ্গীণ সুন্দর হয় তখনই, যখন তাল, মাত্রা, লয় সহকারে নির্দিষ্ট প্রণালীতে সম্পন্ন হয়। বলা হয়ে থাকে বেসুরো সঙ্গীত তবুও শ্রবনযোগ্য, তবে তাল-হীন গান সহ্য করা সম্ভব নয়। তাল হল সঙ্গীতের কঙ্কাল স্বরুপ। বিভিন্ন রকম তাল এর নাম ও মাত্রাঃ
* [[দাদরা]] : ৬ মাত্রা
* [[কাহারবা]] : ৮ মাত্রা
* [[তেওড়া]] : ৭ মাত্রা
* [[রুপক]] : ৭ মাত্রা
* [[ঝাঁপতাল]] : ১০ মাত্রা
* [[ত্রিতাল]] : ১৬ মাত্রা
 
১৯৫টি

সম্পাদনা