প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

→‎দ্যূতক্রীড়া ও বস্ত্রহরণ: কিছুটা পরিবর্তন এবং আমি স্বয়ং এই গ্রন্থ পড়ে এবং ডকুমেন্টারি দেখেই এসব যোগ করলাম
=== দ্যূতক্রীড়া ও বস্ত্রহরণ ===
[[File:Disrobing of Draupadi.jpg|thumb|[[দুঃশাসন]] কর্তৃক [[দ্রৌপদী|দ্রৌপদীর]] বস্ত্রহরণ|210x210px]]
পাণ্ডবদের ওপর প্রতিশোধ নেবার জন্য এবার [[শকুনি]] যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে কপট [[পাশা|পাশা খেলার]] আয়োজন করেন। শকুনির ছলনায় যুধিষ্ঠির তাঁর রাজ্য, সম্পত্তি সমস্ত হারান। শেষে নিঃস্ব হয়ে ভাইদেরকে, এমনকি নিজেকেও বাজি রাখেন এবং সবাই দাসে পরিণত হন। এবার খেলার নেশায় ধর্মজ্ঞান হারিয়ে তিনি স্ত্রী [[দ্রৌপদী|দ্রৌপদীকে]] বাজি রাখেন ও হেরে তিনিও দাসী হন। [[দুর্যোধন|দুর্যোধনের]] নির্দেশে [[দুঃশাসন]] অন্তঃপুর থেকে [[দ্রৌপদী|দ্রৌপদীকে]] কেশাকর্ষণ করে সভায় টেনে আনেন, অথচ সভায় উপস্থিত ধার্মিক [[ভীষ্ম]], [[দ্রোণাচার্য|দ্রোণ]], অঙ্গরাজ কর্ণ, [[বিদুর]],পাণ্ডবরা ধর্মসংকটে পড়ে অবিচারের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেন না। [[কর্ণ|কর্ণও]] কৌরবদের সায় দিয়ে দ্রৌপদীকে অপমান করেন। যদিও কৌরব ভ্রাতা বিকর্ণ এর প্রতিবাদ করেন। এবার [[দুঃশাসন]] দ্রৌপদীকে সর্বসমক্ষে বস্ত্রহীন করতে গেলে অসহায় দ্রৌপদী [[কৃষ্ণ|ভগবান কৃষ্ণকে]] স্মরণ করেন। [[কৃষ্ণ]] মায়ার প্রভাবে দ্রৌপদীর গায়ে কাপড় জড়িয়ে তাঁর সম্মানরক্ষা করেন।
 
তখন ধৃতরাষ্ট্র ভয়ভীত হয়ে পাণ্ডবদের সকল সম্পত্তি ফিরিয়ে দেন। স্বাভাবিকভাবেই, [[দুর্যোধন]] অসন্তুষ্ট হয় ও পুনর্বার পাশা আয়োজিত হয়। এবার পাণ্ডবরা হেরে গেলে তাঁদের জন্য ১২ বছরের বনবাস ও ১ বছরের অজ্ঞাতবাস নির্ধারিত হয়। স্থির হয়, এই সময়কালে কৌরবরা পাণ্ডবদের সমস্ত সম্পত্তি ভোগ করবে। অজ্ঞাতবাসের সময় পাণ্ডবদের নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে হবে, কিন্তু কৌরবদের দ্বারা সেই পরিচয় আবিষ্কৃত হলে পাণ্ডবদের আবার ১২ বছর বনবাস ভোগ করতে হবে।
বেনামী ব্যবহারকারী