"মরিস টেট" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারিত রূপ!
(কমন্স বিষয়শ্রেণী যুক্তকরণ!)
(সম্প্রসারিত রূপ!)
| best bowling2 = 9/71
| catches/stumpings2= 283/-
| source = http://content-aus.cricinfo.com/ci/content/player/21462.html ক্রিকইনফোইএসপিএনক্রিকইনফো.কম
| date = ৯ জুলাই
| year = ২০১৫
 
== খেলোয়াড়ী জীবন ==
সাসেক্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে [[আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বলেই উইকেটলাভকারী বোলারদের তালিকা|টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বলেই উইকেট লাভ]] করেন তিনি।<ref>[http://stats.cricinfo.com/ci/content/records/283520.html Cricinfo page on bowlers who got a wicket with their first ball in test]</ref> ১৬ জুন, ১৯২৪ তারিখে সফরকারী [[দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দল|দক্ষিণ আফ্রিকার]] বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক ঘটে। [[Fred Susskind|ফ্রেড সাসকিন্ডকে]] সরাসরি বোল্ড করে তিনি এ কৃতিত্ব অর্জন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.cricinfo.com/ci/engine/match/62539.html|শিরোনাম=South Africa in England (1924): Scorecard of first Test|প্রকাশক=Cricinfo|সংগ্রহের-তারিখ=February 9, 2010}}</ref> বার্মিংহামের [[এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ড|এজবাস্টনে]] অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় জিলিগান ও তিনি একত্রে ১২.৩ ওভারেই মাত্র ৩০ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস সমাপ্তিতে সহায়তা করেন। জিলিগানের ৬/৭ এর সাথে তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ৪/১২। ১৯২৪-২৫ মৌসুমে [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়া]] সফরেও তিনি সাফল্য পান। ঐ সিরিজে তিনি ২৩.১৮ গড়ে ৩৮ উইকেট লাভ করেন। পাঁচ টেস্টের তিনটিতেই তিনি ছয় শতাধিক বল করলেও অন্য বোলারদের তেমন কার্যকারিতা দেখা যায়নি। {{As of|2017}} অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত [[দি অ্যাশেজ|অ্যাশেজ সিরিজে]] যে-কোন ইংরেজ বোলারের রেকর্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে।
 
১৯২৪-২৫ মৌসুমে [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়া]] গমন করেন। তবে, ঐ সফরে শীর্ষস্থানীয় বোলার হিসেবে মরিস টেট দলকে খুবই কম সহযোগিতা করেছিলেন।<ref name="Crusoe136"/> ঐ সিরিজে তিনি ২৩.১৮ গড়ে ৩৮ উইকেট লাভ করেন। পাঁচ টেস্টের তিনটিতেই তিনি ছয় শতাধিক বল করলেও অন্য বোলারদের তেমন কার্যকারিতা দেখা যায়নি। {{As of|2017}} অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত [[দি অ্যাশেজ|অ্যাশেজ সিরিজে]] যে-কোন ইংরেজ বোলারের রেকর্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে।
পরবর্তী ছয় বছরেও টেটের অল-রাউন্ড নৈপুণ্য বজায় থাকে। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে মরিস টেট ইংল্যান্ডের বাইরে এক মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর খেলায় এক হাজার বা ততোধিক রান এবং একশত বা ততোধিক উইকেট লাভের ন্যায় [[ডাবল (ক্রিকেট)|ডাবল]] লাভ করেছেন। ১৯২৬-২৭ মৌসুমে এমসিসি দলের সাথে ভারত ও সিলন গমন করে ১১৯৩ রান ও ১১৬ উইকেট পেয়েছিলেন।<ref name="CATI">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://cricketarchive.com/Archive/Events/2/Marylebone_Cricket_Club_in_India_and_Ceylon_1926-27.html |প্রকাশক=''CricketArchive'' |শিরোনাম=Marylebone Cricket Club cricket team in India and Ceylon in 1926–27 |সংগ্রহের-তারিখ=27 June 2014}}</ref> [[আর্থার জিলিগান|আর্থার জিলিগানের]] নেতৃত্বে দলটি ভারতে ২৬টি ও সিলনে চারটি [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর খেলায়]] অংশ নিয়েছিল। মরিস টেট, [[Maurice Leyland|মরিস লেল্যান্ড]], [[অ্যান্ডি স্যান্ডহাম]], [[বব ওয়াট]], [[আর্থার ডলফিন]], [[জর্জ গিয়েরি]], [[ইউয়ার্ট অ্যাস্টিল]] ও [[জর্জ ব্রাউন|জর্জ ব্রাউনের]] ন্যায় খেলোয়াড়েরা দলের সদস্য ছিলেন।
 
পরবর্তী ছয় বছরেও টেটের অল-রাউন্ড নৈপুণ্য বজায় থাকে। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে মরিস টেট ইংল্যান্ডের বাইরে এক মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর খেলায় এক হাজার বা ততোধিক রান এবং একশত বা ততোধিক উইকেট লাভের ন্যায় [[ডাবল (ক্রিকেট)|ডাবল]] লাভ করেছেন। ১৯২৬-২৭ মৌসুমে এমসিসি দলের সাথে ভারত ও সিলন গমন করে ১১৯৩ রান ও ১১৬ উইকেট পেয়েছিলেন।<ref name="CATI">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://cricketarchive.com/Archive/Events/2/Marylebone_Cricket_Club_in_India_and_Ceylon_1926-27.html |প্রকাশক=''CricketArchive'' |শিরোনাম=Marylebone Cricket Club cricket team in India and Ceylon in 1926–27 |সংগ্রহের-তারিখ=27 June 2014}}</ref> [[আর্থার জিলিগান|আর্থার জিলিগানের]] নেতৃত্বে দলটি ভারতে ২৬টি ও সিলনে চারটি [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর খেলায়]] অংশ নিয়েছিল। মরিস টেট, [[Maurice Leyland|মরিস লেল্যান্ড]], [[অ্যান্ডি স্যান্ডহাম]], [[বব ওয়াট]], [[আর্থার ডলফিন]], [[জর্জ গিয়েরি]], [[ইউয়ার্ট অ্যাস্টিল]] ও [[জর্জ ব্রাউন|জর্জ ব্রাউনের]] ন্যায় খেলোয়াড়েরা দলের সদস্য ছিলেন।
১৯২৯ সালে টেট তাঁর একমাত্র [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|শতক]] লাভ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। কিন্তু ১৯৩০ সাল থেকে তিনি মূলতঃ বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে তাঁকে শেষদিকে ব্যাটিং করতে হয়েছে। ঐ সময়ে [[হ্যারল্ড লারউড]] ও [[বিল ভোস|বিল ভোসের]] ন্যায় বোলারের আবির্ভাব ঘটায় ইংল্যান্ড দলে তাঁর ভূমিকা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ১৯৩৪ সালে অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর তৃতীয় সফরে দলের সদস্য থাকা স্বত্ত্বেও এবং লারউডের অনুপস্থিতিজনিত কারণেও কোন টেস্টে অংশ নিতে পারেননি।
 
১৯২৯ সালে মরিস টেট তাঁর একমাত্র [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|শতক]] লাভ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। কিন্তু ১৯৩০ সাল থেকে তিনি মূলতঃ বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে তাঁকে শেষদিকে ব্যাটিং করতে হয়েছে। ঐ সময়ে [[হ্যারল্ড লারউড]] ও [[বিল ভোস|বিল ভোসের]] ন্যায় বোলারের আবির্ভাব ঘটায় ইংল্যান্ড দলে তাঁর ভূমিকা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ১৯৩৪ সালে অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর তৃতীয় সফরে দলের সদস্য থাকা স্বত্ত্বেও এবং লারউডের অনুপস্থিতিজনিত কারণেও কোন টেস্টে অংশ নিতে পারেননি।
 
== সম্মাননা ==
সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তিনি তিনবার [[হ্যাট্রিক]] করেন। ১৯২৪ সালে নিজ দেশে ১,৪১৯ রান ও ২০৫ উইকেট লাভ ও পরবর্তীকালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে ১১ উইকেট লাভ করায় [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেনের]] বিবেচনায় তাঁকে [[উইজডেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটার]] ঘোষণা করে। একই বছর তাঁকে অন্যতম [[উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার|বর্ষসেরা ক্রিকেটার]] হিসেবে মনোনীত করে।<ref name="Wisden"/><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.espncricinfo.com/wisden/content/story/350988.html|শিরোনাম=WISDEN'S LEADING CRICKETER IN THE WORLD|প্রকাশক="Wisden"|সংগ্রহের-তারিখ=July 9, 2015}}</ref>
 
ক্রিকেট লেখক [[R. C. Robertson-Glasgow|আর. সি. রবার্টসন-গ্লাসগো’র]] অভিমত, ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়াম পেস বোলার মরিস টেট বাদে [[জর্জ ম্যাকাউলি|জর্জ ম্যাকাউলির]] সমকক্ষ অন্য কোন বোলার ছিল না।<ref name=Crusoe136>Robertson-Glasgow, p. 136.</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
 
== বহিঃসংযোগ ==
{{প্রবেশদ্বার|ক্রিকেট}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Maurice Tate|মরিস টেট}}
*{{ক্রিকইনফো}}
{{অস্ট্রেলীয় প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট মৌসুমে শীর্ষস্থানীয় উইকেটলাভকারী (১৯০০-০১ থেকে ১৯৪৯-৫০)}}
{{টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল অর্জনকারী ইংরেজ ক্রিকেটার}}
 
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:টেট, মরিস}}
{{Portal bar|ক্রিকেট|জীবনী}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৫-এ জন্ম]]
৭০,৭৪৫টি

সম্পাদনা