প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

সম্পাদনা সারাংশ নেই
তিনি হুগলি কলিজিয়েট স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করে কলকাতা জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হন । কিন্তু তিনি সমাজ সেবার জন্য কলেজ ত্যাগ করেন । তিনি [[কেশবচন্দ্র সেন|কেশবচন্দ্র সেনের]] সংস্পর্শে এসে [[১৮৮৭]] খ্রিষ্টাব্দে [[ব্রাহ্মধর্ম]] নিয়ে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের জন্য সিন্ধুদেশে যান । এখানে কয়েকজন রোমান [[ক্যাথলিক]] পাদ্রী এবং খুল্লতাত রেভারেন্ড কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাবে প্রথমে প্রটেস্টান্ট এবং পরে রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ভুক্ত হন । তিনি [[খ্রিষ্টধর্ম]] প্রচারের জন্য সন্ন্যাস গ্রহন করেন । হিন্দু সন্ন্যাসীদের মতোই তিনি গৈরিক পোষাক পরতেন । ক্যাথলিক ধর্মপ্রচারে তিনি একে বিদেশী প্রভাব থেকে মুক্ত করে পুরোপুরি ভারতীয় রূপে প্রতিষ্ঠিত করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন । তিনি হিন্দু ক্যাথলিক বা ঈশাপন্থী হিন্দু সন্ন্যাসী গড়ে তোলার জন্য [[জব্বলপুর|জব্বলপুরে]] [[নর্মদা|নর্মদার]] তীরে কান্থলিক মঠ স্থাপন করেন ।
 
তিনি ''কঙ্কর্ড ক্লাব'' নামে একটি সমিতি এবং ''কঙ্কর্ড'' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন । তিনি ইউনিয়ন অ্যাকাডেমিতে শিক্ষকতা করতেন । এরপর কিছুদিন [[করাচি|করাচিতে]] ''ফিনিক্স'' ও ''হার্মান'' পত্রিকার সম্পাদনা ও [[নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত|নগেন্দ্রনাথ গুপ্তের]] সহায়তায় কলকাতায় ''টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' নামে একটি মাসিক পত্র প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনা করেন । [[১৮৯৪]] থেকে [[১৮৯৯]] খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি করাচিতে সোফিয়া নামে একটি মাসিক পত্রিকার প্রকাশ কার্যও চালান ।
 
[[১৯০১]] খ্রিষ্টাব্দে [[স্বামী বিবেকানন্দ|স্বামী বিবেকানন্দের]] প্রভাবে হিন্দুধর্মে প্রত্যাবর্তন করে তিনি ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় নাম নেন এবং [[১৯০২]]-[[১৯০৩]] খ্রিষ্টাব্দে তিনি [[বেদান্ত]] প্রচারের জন্য বিলেত যান এবং অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজে হিন্দুধর্ম সম্পর্কে বক্তৃতা করে প্রসিদ্ধ হন ।
 
তিনি মাতৃভাষায় শিক্ষাব্যবস্থার প্রবক্তা ছিলেন । ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে [[কলকাতা|কলকাতার]] সিমলায় বৈদিক আদর্শে তিনি আবাসিক বিদ্যালয় ''সারস্বত আয়তন'' স্থাপন করেন । [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ]] [[শান্তিনিকেতন|শান্তিনিকেতনে]] ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয় স্থাপনের সময় তাঁর সক্রিয় সাহায্য পান । ব্রহ্মবান্ধবের মতে সরকারী নিয়ন্ত্রনে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে গোলদিঘীর গোলামখানা । স্বামী বিবেকানন্দের মৃত্যুর পর তিনি রাজনৈতিক নেতারূপে অবতীর্ণ হন । অগ্নিযুগের অন্যতম পুরোধা ব্রহ্মবান্ধব [[১৯০৪]] খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ''সন্ধ্যা'' দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে ইংরেজদের বিরূদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম ঘোষনা করেন । [[১৯০৭]] খ্রিষ্টাব্দে সরকারের আদেশে ''সন্ধ্যা'' পত্রিকা বন্ধ করা হয় এবং রাজদ্রোহের অভিযোগ তিনি মুদ্রাকরসহ ধৃত হন । তিনি আদালতে ঘোষনা করেন যে তিনি ব্রিটিশ কর্তৃত্ব মানেন না । মামলা চলাকালে ক্যাম্বেল হাসপাতালে অস্ত্রপ্রচারের তিনদিন পর [[ধনুষ্টঙ্কার]] রোগে মারা যান
 
স্বামী বিবেকানন্দের মৃত্যুর পর তিনি রাজনৈতিক নেতারূপে অবতীর্ণ হন । অগ্নিযুগের অন্যতম পুরোধা ব্রহ্মবান্ধব [[১৯০৪]] খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ''সন্ধ্যা'' দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে ইংরেজদের বিরূদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম ঘোষনা করেন । [[১৯০৭]] খ্রিষ্টাব্দে সরকারের আদেশে ''সন্ধ্যা'' পত্রিকা বন্ধ করা হয় এবং রাজদ্রোহের অভিযোগ তিনি মুদ্রাকরসহ ধৃত হন । তিনি আদালতে ঘোষনা করেন যে তিনি ব্রিটিশ কর্তৃত্ব মানেন না । মামলা চলাকালে ক্যাম্বেল হাসপাতালে অস্ত্রপ্রচারের তিনদিন পর [[ধনুষ্টঙ্কার]] রোগে মারা যান ।
 
ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ :
২,০১৬টি

সম্পাদনা