"বাল্যবিবাহ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(→‎ইতিহাস: বাল্য বিবাহ)
 
=== ধর্ম ===
বেশিরভাগ ধর্মে বিবাহযোগ্য বয়সকেই সমর্থন করা হয়। খ্রিস্ট ধর্মে বয়ঃসন্ধির আগে কোনো মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আছে।ইহুদি বিশেষজ্ঞগণ বয়ঃসন্ধির পূর্বে বিয়ে নিরুৎসাহিত করেছেন, কিন্তু একই সাথে, ক্ষেত্রবিশেষে, ৩ থেকে ১২ বছরের শিশু কন্যাকে তার পিতা বিয়ে দিতে পারেন। 
 
ক্যাথলিক চার্চ অনুসারে, সর্বনিম্ন বিয়ের বয়স ছেলেদের জন্য ১৪ ও মেয়েদের জন্য ১২ ধরা হয়। পরে ১৯৮৩ সালে যাজকীয় অনুশাসনে ১৯১৭ সালের সংশোধিত বয়স ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৬ ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৪ বছর বজায় থাকে।
 
ইসলামি বিয়ের প্রথানুযায়ী ,মুসলিম সমাজে বাল্য মেয়েকে বিয়ে দেয়ার ব্যপক প্রচলন ছিল এবং আছে। সহীহ বুখারি ও সহীহ মুসলিম -এর গ্রহণ যোগ্য বর্ণণা অনুসারে,শরীয়াহ আইনের ভিত্তি হল মহানবী (সাঃ) -এর জীবনাদর্শ। বিয়ের বিচিত্রতা রক্ষার জন্যে তিনি তাঁর ১৩ জন স্ত্রীর মাঝে তৃতীয় স্ত্রী আয়শা (রাঃ) -কে ১১ বছর বয়সে বিয়ে করেন। কিন্তু বাল্য বিবাহের খারাপ দিক অল্প বয়সীর গর্ভে সন্তান ধারণ করানো থেকে বিরত ছিলেন। তিনি তার অল্প বয়সী স্ত্রীর সাথে মেলামেশা থেকে দূরে অবস্থান করে একটা অন্যরকম আদর্শ স্থাপন করেছেন। বয়স ব্যবধানের কারণে নবী সাঃ কিশোরীর সাথে মেলামেশা থেকে বিরত থাকলেও কিছু ভারতীয় মূলধারার ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, সময়ানুক্রমিক বয়স নয়, বরং মুসলিম ধর্মীয় আইনানুযায়ী  সেইটাই  বিয়ের  উপযুক্ত  বয়স যখন অভিভাবকরা নিজ মেয়ে বা বোনকে শারীরিক ও  মানসিকভাবে বিবাহযোগ্য মনে করবেন।এখানে ধর্ম জোর করে সুস্পষ্ট বয়স নির্ধারণ না করে অভিভাবকের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
 
কঠোর পন্থী সনাতন বা হিন্দু ধর্মে এখনও অহরহর বাল্য বিবাহ এবং কিশোরী পুজা, কন্যা [[লিঙ্গরাজ মন্দির|লিঙ্গ]] পুজার ([[ভগাঙ্কুর|clitoris]]-worship) ব্যপক প্রচলন রয়েছে। তাদের একাধিক লিঙ্গ মন্দির এখনও ভারত রাজ্যে সগর্বে বিদ্যমান। ভারত সরকার নিষিদ্ধ করা সত্বেও ভারতের কাম্রুক্কামাক্ষায় এখনও কুসংস্কারাছন্ন কন্যা পুজা, কামাক্ষারানীর লিঙ্গ পুজা ও কুমারী পুজার প্রচলন রয়েছে।
 
এখনও সনাতন সমাজে বিয়ের দিন রাতে বিছানায় সাদা চাদর রাখা হয় । বর ও কনের পরস্পরের মিলনের সময় কনের যোনি পর্দা ছিঁড়ে কি পরিমাণ রক্ত বের হয়েছে তা পরিমাপ করা হয়। কনের যোনি পর্দা ছিঁড়ে রক্ত না বের হওয়ার কারণে কনেকে চরিত্রহীন অপবাদ দিয়ে সংসার থেকে বের করে দেওয়ার মতো সংবাদ নানান সংবাদ মাধ্যমে দেখা যায়। তাই অল্প বয়সে ছোট যোনীর মেয়েদেরকে বিয়ে দিয়ে সতীত্বসহ সংসারের রক্ষার ব্যবস্থা করার জন্যে বাল্য বিবাহ দেওয়া হয়।
 
ঝাজি ব্রাম্ম ধারার শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তমার্থ [[মৃণালিনী দেবী|মৃণালিনী]] দেবীর (জন্ম ১৮৭৩ এর ৯ই দিসেম্বর) সাথে যখন বিয়ে হয় ,তখন মৃণালিনী ঠাকুরের বয়স ছিল মাত্র ৮ বছর। প্রথম সন্তান মাধুরীলতার জন্ম হয় ১৮৮৬ সালে যখন মৃণালিনী দেবীর বয়স মাত্র ১২বছর। পরিবারের ৫ সন্তানের মাঝে ৩ সন্তান মাধুরীলতা (১৮৮৬)), [[রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রথিন্দ্রনাথ]](১৮৮৮) এবং রেনুকা দেবীর(১৮৯০) জন্ম হয় মৃণালিনী দেবীর ১৭ বছর বয়স হওয়ার আগেই। - <small>মুক্তমনা</small>
[[বিষয়শ্রেণী:লাতিন ভাষার লেখা রয়েছে এমন নিবন্ধ]]
 
ঝাজি ব্রাম্ম ধারার শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তমার্থ [[মৃণালিনী দেবী|মৃণালিনী]] দেবীর (জন্ম ১৮৭৩ এর ৯ই দিসেম্বর) সাথে যখন বিয়ে হয় ,তখন মৃণালিনী ঠাকুরের বয়স ছিল মাত্র ৮ বছর। প্রথম সন্তান মাধুরীলতার জন্ম হয় ১৮৮৬ সালে যখন মৃণালিনী দেবীর বয়স মাত্র ১২বছর। পরিবারের ৫ সন্তানের মাঝে ৩ সন্তান মাধুরীলতা (১৮৮৬)), [[রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রথিন্দ্রনাথ]](১৮৮৮) এবং রেনুকা দেবীর(১৮৯০) জন্ম হয় মৃণালিনী দেবীর ১৭ বছর বয়স হওয়ার আগেই। - <small>মুক্তমনা</small>
 
<br />
== লিঙ্গভেদে ==
২০টি

সম্পাদনা