"সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র
(সম্প্রসারণ)
(তথ্যসূত্র)
|predecessor2 = আব্দুল জলিল
|successor2 = [[ওবায়দুল কাদের]]
| birth_date = {{জন্ম তারিখ|1952১৯৫২|01০১|01০১|df=y}}
| birth_place = [[ময়মনসিংহ]], [[পূর্ব পাকিস্তান]], বর্তমানে বাংলাদেশ
| death_date = {{মৃত্যু তারিখ ও বয়স|2019২০১৯|01০১|03০৩|১৯৫২|০১|০১|df=y}}
| death_place = [[ব্যাংকক]], [[থাইল্যান্ড]]
| party = [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]]
}}
 
'''সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম''' ([[১ জানুয়ারি]] [[১৯৫২]] - [[৩ জানুয়ারি]] [[২০১৯]]) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র, জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে [[কিশোরগঞ্জ-১]] থেকে নির্বাচিত [[জাতীয় সংসদ সদস্য|সংসদ সদস্য]] এবং [[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)|জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। এর পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আর নেই |ইউআরএল=http://www.ittefaq.com.bd/national/16380/সৈয়দ-আশরাফুল-ইসলাম-আর-নেই |সংগ্রহের-তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০১৯ |কর্ম=[[দৈনিক ইত্তেফাক]] |তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০১৯}}</ref>
 
==প্রাথমিক জীবন==
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫০ সালের ১লা জানুয়ারি [[ময়মনসিংহ জেলা|ময়মনসিংহে]] জন্মগ্রহণ করেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আর নেই {{!}} বাংলাদেশ প্রতিদিন |ইউআরএল=http://www.bd-pratidin.com/national/2019/01/03/389282 |সংগ্রহের-তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০১৯ |কর্ম=[[বাংলাদেশ প্রতিদিন]] |তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০১৯}}</ref> তার পিতা বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি [[সৈয়দ নজরুল ইসলাম।ইসলাম]]। আশরাফুল ৭১১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
যখন আব্দুল জলিল গ্রেপ্তার হন, তখন সৈয়দ আশরাফুল আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
 
==কর্ম ও রাজনৈতিক জীবন==
 
১৯৯৬ সালে আশরাফুল দেশে ফিরে আসেন এবং জুন ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত [[কিশোরগঞ্জ-১]] আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।<ref name="mopa20181112" /> এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
যখন আব্দুল জলিল গ্রেপ্তার হন, তখন সৈয়দ আশরাফুল আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
 
২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মন্ত্রীসভা গঠিত হলে তিনি [[স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়|স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের [[১০ম জাতীয় সংসদ]] নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করেন। এক মাস এক সপ্তাহ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী থাকার পর ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রাখা [[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)|জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্ব দেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.mzamin.com/details.php?mzamin=ODQxMTU=&sMQ== |শিরোনাম=জনপ্রশাসন মন্ত্রী হলেন সৈয়দ আশরাফ |ওয়েবসাইট=মানবজমিন |সংগ্রহের-তারিখ=2018-11-12}}</ref>