"সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(সম্প্রসারণ)
| successor =
| deputy =
|constituency = [[কিশোরগঞ্জ-১]]
|majority =
| office1 = [[স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়]]
| term_end1 = ৯ জুলাই ২০১৫
|predecessor1 =
|successor1 = [[খন্দকার মোশাররফ হোসেন]]
|primeminister1 = [[শেখ হাসিনা ]]
| office2 = আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক
| term_start2 = ২০০৯
| term_end2 = ২৩ অক্টোবর, ২০১৬
|predecessor2 = আব্দুল জলিল
|successor2 = [[ওবায়দুল কাদের]]
| birth_date = {{জন্ম তারিখ ও বয়স|1952|01|01|df=y}}
|Death_date = {{মৃত্যু তারিখ ও বয়স|2019|01|03|df=y}} |birth_place = [[ময়মনসিংহ]], [[পূর্ব পাকিস্তান]], বর্তমানে বাংলাদেশ
| death_date = {{মৃত্যু তারিখ ও বয়স|2019|01|03|df=y}}
| death_place = [[ব্যাংকক]], [[থাইল্যান্ড]]
| party = [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ]]
| spouse = শীলা ইসলাম
| father = [[সৈয়দ নজরুল ইসলাম]]
}}
 
'''সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম''' (জন্ম : [[১ জানুয়ারি]] [[১৯৫২]] - মৃত্যু : [[৩ জানুয়ারি]] [[২০১৯ ]]) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র, জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে [[কিশোরগঞ্জ-১]] থেকে নির্বাচিত [[জাতীয় সংসদ সদস্য|সংসদ সদস্য]] এবং [[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)|জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। এর পূর্বে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।
 
==প্রাথমিক জীবন==
১৯৯৬ সালে আশরাফুল দেশে ফিরে আসেন এবং জুন ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত [[কিশোরগঞ্জ-১]] আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।<ref name="mopa20181112" /> এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
 
২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মন্ত্রীসভা গঠিত হলে তিনি [[স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়মন্ত্রণালয়|স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের [[১০ম জাতীয় সংসদ]] নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করেন। এক মাস এক সপ্তাহ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী থাকার পর ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রাখা [[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)|জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের]] দায়িত্ব দেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.mzamin.com/details.php?mzamin=ODQxMTU=&sMQ== |শিরোনাম=জনপ্রশাসন মন্ত্রী হলেন সৈয়দ আশরাফ |ওয়েবসাইট=মানবজমিন |সংগ্রহের-তারিখ=2018-11-12}}</ref>
 
== ব্যক্তিগত জীবন ==
== অসুস্থতা ==
২৪ অক্টোবর ২০১৭ সালে সৈয়দ আশরাফুলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি প্রায়ই অসুস্থ হন।<ref name="Priyo20181112" /> তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। নভেম্বর ২০১৮ সালে তার ফুসফুসের ক্যান্সার ৪র্থ ধাপে পৌঁছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=মেয়েকেও চিনতে পারছেন না সৈয়দ আশরাফ |ইউআরএল=https://www.ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A7%9F%E0%A6%A6-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB/55197 |ওয়েবসাইট=একুশে টেলিভিশন |সংগ্রহের-তারিখ=১২ নভেম্বর ২০১৮ |তারিখ=৫ নভেম্বর ২০১৮}}</ref>
২০১৯ সালের ০৩রা৩রা জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আর নেই |ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/politics/news/bd/694182.details |সংগ্রহের-তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০১৯ |কর্ম=[[বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম]] |তারিখ=৩ জানুয়ারি ২০১৯}}</ref>
 
==তথ্যসূত্র==
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৯-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:কিশোরগঞ্জ জেলার ব্যক্তিরাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফুসফুসের ক্যান্সারে মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ময়মনসিংহ জেলার ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক]]