খন্দকার আবদুর রশিদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎জীবনবৃত্তান্ত: সম্প্রসারণ
(সম্প্রসারণ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(→‎জীবনবৃত্তান্ত: সম্প্রসারণ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
==জীবনবৃত্তান্ত==
তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন এবং বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে পক্ষত্যাগ করেন।তিনি [[খন্দকার মোশতাক আহমেদ]]ের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ছিলেন।শেখ মুজিবের হত্যার পর খন্দকার মোশতাক আহমেদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন।১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবের পতন ও হত্যার সময় তিনি একজন প্রধান অংশগ্রহণকারী ছিলেন।তিনি সমগ্র সময় খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছিলেন।ষড়যন্ত্রকারীরা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে তাঁর বাসভবনে বেশ কয়েকটি বৈঠক করেন।হত্যার পর তিনি মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেলে পদোন্নত হন। তিনি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকায় ফিরে আসেন। তিনি সৈয়দ ফারুক রহমানের সঙ্গে [[বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টি]] গঠন করেন।তিনি ১৯৯৬ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন,যদিও পরে সেটা বাতিল হয়ে যায়।
 
শেখ মুজিবের হত্যার দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।২০১৬ সাল পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।বাংলাদেশ সরকার মার্কিন সরকারের সাথে কথা বলে তাক্র বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছে।২০১৬ সালে শেখ মুজিবের হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায়,তার সম্পত্তিগুলি জব্দ করার অনুমতি দিয়ে বাংলাদেশ সরকার একটি আইন পাস করে। কুষ্টিয়া ভিত্তিক [[জুবিলী ব্যাংক]] রশীদের শেয়ার বাংলাদেশ ব্যাংক কাছ থেকে জব্দ করার আদেশ দেয়।তাঁর মেয়ে মেহনাজ রশিদ ফ্রিডম পার্টির বর্তমান নেত্রী এবং ২০০৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
 
==তথ্যসূত্র==