আবুল খায়ের: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

-অনির্ভরযোগ্য উৎস, বিষয়শ্রেণী
(উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ও অন্যান্য সংশোধন)
(-অনির্ভরযোগ্য উৎস, বিষয়শ্রেণী)
}}
 
'''ড. আবুল খায়ের''' (জন্ম: অজানা - মৃত্যু: [[১৪ ডিসেম্বর]], [[১৯৭১]]) [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ইতিহাস বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক এবং একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবি।<ref name="sokalerkhabor">[http://www.shokalerkhabor.com/2013/08/28/129969.html অধ্যাপক আবুল খায়ের হত্যাকাণ্ডে মুঈন-আশরাফ জড়িত], সকালের খবর, ২৮ আগস্ট, ২০১৩</ref><ref name="banglanews24">
[http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=e59dd229d74dcc17a30e614cf707520a&nttl=03112013236379 বুদ্ধিজীবী হত্যার ৪২ বছর পরে ন্যায়বিচার], অশোকেশ রায়, বাংলানিউজটুয়েন্টিফোর।কম, ঢাকা, ৩রা নভেম্বর, ২০১৩।</ref> ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আল-বদর বাহিনীর বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের অংশ হিসাবে তিনি অপহৃত ও পরে শহীদ হন।<ref name="prothom-alo1">[http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/65239/বুদ্ধিজীবী_হত্যার_সাজা_ফাঁসি বুদ্ধিজীবী হত্যার সাজা ফাঁসি], প্রথম আলো দৈনিক পত্রিকা, লেখকঃ কুন্তল রায় ও মোছাব্বের হোসেন, ৪ঠা নভেম্বর, ২০১৩।</ref> বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকা ফুলার রোডের ৩৫/বি নম্বর বাসা থেকে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে তাকে অপহরণ করা হয়।<ref name="sokalerkhabor"/>
 
৩রা নভেম্বর, ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, [[চৌধুরী মুঈনুদ্দীন]] এবং [[আশরাফুজ্জামান খান]] কে ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে আবুল খায়ের সহ ১৮ জন বুদ্ধিজীবীকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।<ref name="prothom-alo1"/>
 
== কর্মজীবন ==
ডঃ খায়ের ১৯৫৫ সালে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]-এ লেকচারার হিসেবে যোগ দেন।<ref name=MuktoMonaIntel>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Roy|প্রথমাংশ=Ajay|শিরোনাম=Homage to my martyr colleagues|ইউআরএল=http://mukto-mona.net/Articles/ajoy/martyr_intellectual.htm|কর্ম=Mukto Mona|প্রকাশক=Mukto Mona|সংগ্রহের-তারিখ=6 December 2013}}</ref> তার শিক্ষকতা জীবন শুরু হয় বরিশালের চাখার ফজলুল হক কলেজে। ১৯৫৩-৫৪ পর্যন্ত এই কলেজে শিক্ষকতা করে ঢাকার জগন্নাথ কলেজে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক নিযুক্ত হন। পরে রিডার (বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপক) পদে উন্নীত হন।
 
== পরিবার ==
মো. আবুল খায়েরের স্ত্রী সাঈদা বেগম। তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে রিয়াজুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম ও রাশেদুল ইসলাম। মেয়ে হোমায়রা ইয়াসমীন।
 
== পুরস্কার ও সম্মাননা ==
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
<references/>
 
*
{{অসম্পূর্ণ}}
 
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:খায়ের, আবুল (বুদ্ধিজীবী)}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ শহীদ বুদ্ধিজীবী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:পিরোজপুর জেলার ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]]