প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

[[চীন|চীনে]] অষ্টম শতাব্দিতে প্রথম জি-আন মসজিদটি নির্মিত হয়। সচরাচর মসজিদগুলোর আদল যেমন হয়, জি-আন মসজিদটি তার ব্যতিক্রম। এতে অনেক সনাতন চীনা স্থাপত্যিক ঐতিহ্য পরিস্ফুটিত হয়েছে। এর সবুজ ছাদের জন্য সহজেই অন্যান্য ইমারত থেকে একে আলাদাভাবে চেনা যায়। চীনের পশ্চিমের মসজিদগুলোতে আনেক প্রথাগত উপকরণের ব্যবহার হয় যা বিশ্বের আর অন্য কোথাও দেখা যায় না। এই মসজিদগুলোতে মিনার এবং গম্বুজের বহুল উপস্থিতি রয়েছে, অন্যদিকে পূর্ব চীনের মসজিদগুলো দেখতে অনেকটা [[প্যাগোডা|প্যাগোডার]] মতো।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল= http://www.saudiaramcoworld.com/issue/198504/muslims.in.china-the.mosques.htm|সংগ্রহের-তারিখ=April 8, 2006|শেষাংশ=Cowen|প্রথমাংশ=Jill S.|তারিখ=July/August 1985|পাতাসমূহ=30–35|প্রকাশক=Saudi Aramco World|শিরোনাম=Muslims in China: The Mosque}}</ref>
 
[[চিত্র:DSCN0338.JPG|left|left|thumb|জাভানিজ আদলে ওগিয়াকারতা জামে মসজিদ, ইন্দোনেশিয়া।[[ইন্দোনেশিয়া]]।]]
পনেরো শতাব্দিতে, [[ইন্দোনেশিয়া|ইন্দোনেশিয়ার]] দুইটি জনবহুল দ্বীপ; [[সুমাত্রা]] ও [[জাভা|জাভাতে]] ইসলাম নেতৃস্থানে চলে আসে। বহিরাগত এই মুসলমানদের নিজস্ব ভাবধারার সাথে স্থানীয় [[বৌদ্ধধর্ম|বুদ্ধ]] এবং [[হিন্দুধর্ম|হিন্দুয়ানী]] শিল্পের এক সংমিশ্রণ ঘটে, যার প্রতিফলন এখানকার মসজিদগুলো্র নির্মাণে এক অনন্য বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। মুসলিম বিশ্বের সর্বব্যাপী মসজিদে [[গম্বুজ|গম্বুজের]] যে বহুল উপস্থিতি আছে তা এখানে উনিশ শতাব্দির পূর্বে দেখা যায়নি। বরং অনেক মসজিদে কাঠের তৈরি বহুতল উঁচু ছাদ দেখা যায়, যা সাথে [[বালি দ্বীপ|বালি দ্বীপের]] পেগোডার অনেকটা মিল আছে। জাভার উত্তর তীরে এখনও এই ধরণের অনেক পুরাতন মসজিদ দেখা যায়। এর মধ্যে [[১৪৭৪]] খ্রিস্টাব্দে নির্মিত আগুং মসজিদ এবং ইয়গ্যাকারতা জামে মসজিদে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একাধিক তলা রয়েছে। জাভার মসজিদগুলোর এই স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য প্রতিবেশী দেশ [[মালয়েশিয়া]], [[ব্রুনাই]] এবং দক্ষিণ [[ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] মসজিদেও প্রভাব ফেলে।
 
৯৫৯টি

সম্পাদনা