"কবর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

১,৫৫০ বাইট বাতিল হয়েছে ,  ৩ বছর পূর্বে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
[[চিত্র:Fresh grave.JPG|thumb|right|200px|খালি [[কফিন]] সহকারে একটি কবর]]
'''কবর''' হলো মৃতদেহ মাটিতে পুতেঁ রাখার গর্ত। মৃত মানুষকে কবরে শায়িত করাকে বলা হয় "দাফন করা"। মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদীদের মৃতদেহ মাটিতে দাফন করা হয়। অন্যদিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে হিন্দুদের মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম(আ:) ছেলে কাবিল তার ভাই হাবিলকে গুলি করে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে কবর দিয়েছিল। মেরুদন্ড এবং বক্ষপাজরের মাঝখানে বন্দুক ছিল কাবিলের।এটাই পৃথিবীর প্রথম কবর।
 
== প্রকারভেদ ==
 
== লাশ দাফনের নিয়ম ==
মুসলমানদের লাশ দাফনের পদ্ধতি বিশদভাবে [[ইসলামী শরিয়াহ|ইসলামী শরিয়তে]] নির্দেশিত আছে। মরদেহকে যথাযথ নিয়মে গোসল দেয়ার পর কাফন পরানো হয়। তারপর তা কবরে নিয়ে যাওয়া হয়। ২-৩ জন ব্যক্তি কবরে নেমে লাশ গ্রহণ করে এবং মাটিতে শুইয়ে দেয়। কবরে লাশ নামানোর সময় বলতে হয়: "বিসমিল্লাহি ওয়ালা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ"।{{cn}}
 
বাংলাদেশে লাশের মাথা উত্তরে এবং পা দক্ষিণে রেখে লাশ মাটিতে শোয়ানো হয়। মরহুমের মুখমণ্ডল পশ্চিমমুখী ক'রে দেয়া হয়, চোখ খোলা থাকলে তা চেপে বন্ধ করে দেয়া হয়। কাফনের কাপড় আটকে রাখার জন্য মাথার কাছে, পায়ের কাছে এবং পেট বরাবার লাগানো ফিতায় দেয়া গেরোসমূহ খুলে দেয়া হয়। এরপর আড়াআড়ি ভাবে বাঁশের টুকরা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। তার ওপর বাশেঁর চাটাই বিছিয়ে লাশের গায়ে মাটি পড়ার সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পর ধীরে ধীরে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। মাটি দেয়ার সময় সমবেতভাবে আরবী যে বাণী উচ্চারণ করা হয় তার সারমর্ম হলোঃ "এই মাটি থেকে তোমার সৃষ্টি, এই মাটিতেই তোমার প্রত্যাবর্তন এবং এই মাটি থেকেই তোমার পুনরুত্থান"।
 
== কবরস্থান বা সমাধিক্ষেত্র ==
 
=== জান্নাতুল বাকী ===
[[মদিনা]] নগরীতে [[মসজিদে নববী]] সংলগ্ন কবরস্থানের নাম [[জান্নাতুল বাকী]]। [[হাদীস]] অনুসারে এই কবরস্থানের কবরবাসীরা বেহেশতী হবে।{{cn}} এখানে মুহাম্মদ (সা:)-এর সন্তান ও স্ত্রীদের কবর রয়েছে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রা:)-এর কবর পর্যন্ত জান্নাতুল বাকীর সীমানা বিস্তৃত।
 
== কবর জিয়ারত ==
 
=== মাযার জিয়ারত ===
[[ইসলাম]] ধর্মে মাযার জিয়ারতের আদেশ নেই। কোন মাযার জিয়ারদের উদ্দেশ্যে ভ্রমণও [[জায়েয]] নয়। তবে ভ্রমণকালে কোন কবরস্থান বা মাজারের নিকটবর্তী হলে তা জিয়ারত করা যায়। কবরকে সিজদাহ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কবর জিয়ারত কালে মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে বলতে হয়, "মোমিন ও মুসলমানদের বাসভূমির অধিবাসীদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমাদের মধ্যে থেকে যারা আগে আগে চলে গেছে এবং যারা পেছনে রয়েছে আল্লাহ তাদের সবার ওপর করুণা বর্ষণ করুন। ইনশাআল্লাহ আমরা তোমাদের সঙ্গে মিলিত হব।‌"
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
<references/>
 
== বহি:সংযোগ ==
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Graves}}