"হানাফি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

নিরপেক্ষভাবে লিখলাম
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(নিরপেক্ষভাবে লিখলাম)
{{NPOV language}}
 
{{Unreferenced|date=মার্চ ২০১০}}
 
'''হানাফি''' ([[আরবি ভাষা|আরবি]]: الحنفي) হল [[সুন্নি]] সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি [[মাযহাব]]। এই মতাবলম্বীমাযহাব অবলম্বী মানুষেরা [[আবু হানিফা|ইমাম আবু হানিফার]] অনুসারী। [[আবু হানিফা|ইমাম আবু হানিফার]] দুই ভক্ত আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদ আল সায়বানীর অধীনে এই মতবাদ ছড়িয়ে পড়ে। বহু মুসলিম দেশে এই মতবাদমাযহাব প্রচলিত। [[আবু হানিফা|ইমাম আবু হানিফার]] বাস ছিল [[বাগদাদ]] শহরে। [[সৌদি আরব|সৌদি আরবের]] উত্তরে যে সব দেশে স্থলপথে [[ইসলাম]] প্রবেশ করেছিল সে সব দেশে এই মাযহাব প্রচলিত।
<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.slideshare.net/mobile/rasikulislam1/hanafee-fiqher-itihash-o-porichoi-mufti-maulana-abdurrauf/|শিরোনাম=হানাফি ফিকহের ইতিহাস ও পরিচয়|লেখক=মুফতি মাউলানা আব্দুর রউফ}}</ref>
 
[[বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা]], [[কাজাখস্তান]], [[তাজিকিস্তান]], [[কিরগিজিস্তান]] এবং [[তুর্কমেনিস্তান|তুর্কমেনিস্তানে]] এই মাযহাবের অনুসারী মানুষ আছেন।
 
== আকীদারমাযহাবের কিতাব ==
==গ্রন্থের তালিকা==
 
==হাদিসের কিতাব==
মুসনাদে ইমাম আজম
 
== আকীদার কিতাব ==
* আল-ফিকহুল আকবার — [[আবু হানিফা|ইমাম আবু হানিফা]]<ref>[http://assunnahtrust.com/book-review/আল-ফিকহুল-আকবার/ আল-ফিকহুল আকবার বঙ্গানুবাদ ও ব্যাখ্যা] — ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর</ref>
 
== ফিকার কিতাব ==
 
* [[মুখতাসারুল কুদূরী]] — [[আবুল হাসান আহমদ আল-কুদূরী]]
 
* [[আল-হিদায়া]] —[[বুরহান উদ্দীন আল মারগীনানি]]
 
* [[কান্যুদ্দাকায়েক]]
 
* [[শরহে বিকায়া]]
 
==ফতোয়ার কিতাব==
১. রাদ্দুল-মহতার
২. তানবিরুল-আবসার
৩. ফতোয়ায়ে-আলমগিরি
৪। তাহাবী শরীফ
 
== সমালোচনা ==
দাবি করা হয়, প্রচলিত হানাফি মাযহাবের সাথে ইমাম আবু হানীফার কোনো সম্পর্ক নাই। মাযহাবের মতগুলো ইমামের পরে তৈরি করা হয়েছে।
অনারব মুসলিম বিশ্বে জনপ্রিয় হলেও আরব দেশে হানাফি মাযহাব জনপ্রিয় হতে পারেনি।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.boibazar.com/book/hanifi-fikher-etihas-o-porichoy/|শিরোনাম=হানাফি ফিকহের ইতিহাস ও পরিচয়|লেখক=মুফতি মাউলানা আব্দুর রউফ}}</ref>
 
[[মুফতি মাউলানা আব্দুর রউফ]] তার ব‌ই হানাফি ফিকহের ইতিহাস ও পরিচয় এ লিখেছিলেন যারা ইসলামকে বিকৃত করতে চেয়েছে তারা অনারব মুসলিম দেশগুলো বেছে নিয়েছে। এর সুবিধা ২ টি।
 
১) সত্যতা যাচাই করতে মক্কা মদিনায় যাওয়া সম্ভব নয়। বিকৃতকারীগন যা বলবে তাই মেনে নেবে।
 
২) অন্যটা হলো ভাষা অনারব দেশের মানুষের ভাষা আরবী নয়। তাই তারা কোরআন হাদিস বুঝতে পারে নাই। তাদের দেশের অনারব যারা আরবী জানতো তারাই ছিল তাদের নিকট বড় আলেম। যেমন বাংলাদেশ। এই দেশের মুসলিমরা আরবী জানেন না। তাই দেশের যারা আরবী জানতেন তারাই ছিলেন বড় আলেম। এই আলেম নামধারী প্রাণীগুলো কোরআন ও হাদিসকে কতো অমান্য করে চলতো তারা জানতো না। এমনি অনারব দেশে ইসলামের শত্রুরা মাদ্রাসা খুলে বসলো। কিন্তু বহু মুসলমান বিষয়টি বুঝল না। এরা কোরআন ও হাদিসের পরিবর্তে মানুষের মতামত মাদ্রাসার পড়তে শুরু করল। মতামতের ক্ষেত্রে মুসলিম সমাজের বিখ্যাত ইমামদের মতামত পড়াত। এদের মধ্যে একজন হলেন ইমাম আবু হানিফা। মক্কা মদিনার বহিরাগত ছাড়া ইমাম আবু হানিফার কোন অনুসারী ছিল না। বহু কথা অনারব জগতে প্রচার হয়েছে যা শিক্ষিত আরব পন্ডিত ও হাদিসের ইমামদের বিক্ষুব্ধ করেছে। অথচ ঐ কথা ইমাম আবু হানিফার কোন সনদ ভিত্তিক কোন প্রমাণ নেই। যেহেতু ইমাম আবু হানিফার কথাগুলো তার ভক্তরাই প্রচার করছে তাই তারা ধরেই নিয়েছে যে কথাগুলো ইমামের। তাই তারা ইমাম আবু হানিফার প্রতি বিরূপ। ভাষার অগত্যার জন্য অনারব দেশগুলোতে হানাফী মাযহাবের অনুসারী বেশি। অন্য দিকে অনেক চালাক চতুর লোকেরা কখনো হানাফী ফিকার কিতাবগুলি স্থানীয় ভাষায় অনুবাদ করে না কারণ যাতে মানুষ ইমাম আবু হানিফার ফিকাহ সম্পর্কে অবগত হতে না পারে। ওরা আগেও বলতো এখনো বলে ইমাম আবু হানিফা কোরআন ও হাজার হাজার হাদীস মন্থন করে মতামত দিয়েছেন, মাযহাব তৈরি করেছেন তার মতামতের অর্থই হলো আসল কোরআন হাদিস। মূর্খ মুসলিমগন তাই বিশ্বাস করতো এবং আজও করে অথচ প্রচলিত হানাফী মাযহাবের সাথে ইমাম আবু হানিফার কোন সম্পর্ক নাই তা তারা কোন দিনও জানতে পারে নাই আর অধিকাংশ মানুষ আজও জানে না।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.boibazar.com/book/hanifi-fikher-etihas-o-porichoy/|শিরোনাম=হানাফি ফিকহের ইতিহাস ও পরিচয়|লেখক=মুফতি মাউলানা আব্দুর রউফ}}</ref>
 
== বহিঃসংযোগ ==
৪,৮৭৩টি

সম্পাদনা