"গিফু প্রশাসনিক অঞ্চল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
| AreaRank = ৭ম
| PCWater = 0.2
| PopDate = আগস্ট ২০১১<ref name=GifuEstimate>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|scriptলিপির-titleশিরোনাম=ja:岐阜県の人口・世帯数人口動態統計調査結果|urlইউআরএল=http://www.pref.gifu.lg.jp/kensei-unei/tokeijoho/kohyoshiryo/jinko-jutaku/jinko/2011/jinko201108.data/H2308kohyo.xls|workকর্ম=Gifu prefectural website|publisherপ্রকাশক=Gifu Prefecture|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=September 11, 2011|languageভাষা=Japanese}}</ref>
| Population = 2,074,158
| PopRank = ১৮শ
গিফু প্রাচীন কাল থেকে জাপানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অনেক যুদ্ধেরও ঘটনাস্থল ছিল এখানেই। চতুর্থ শতাব্দীতে এখানে য়ামাতো রাজসভার আসন স্থাপিত হয়। ৬৭২ খ্রিঃ জিন্‌শিন যুদ্ধের মাধ্যমে সম্রাট তেম্মু জাপানের চত্বারিংশ (চল্লিশ তম) সম্রাট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
 
আধুনিক গিফু প্রশাসনিক অঞ্চল অতীতে হিদা ও মিনো প্রদেশ এবং এচিযেন ও শিনানো প্রদেশের অংশবিশেষে বিভক্ত ছিল।<ref>Nussbaum, "Provinces and prefectures" in {{Google books|p2QnPijAEmEC|p. 780|page=780}}</ref> এর বর্তমান রাজধানী গিফু নগরের নামকরণ হয় ১৫৬৭ খ্রিঃ যখন ওদা নোবুনাগা তাঁর সমগ্র জাপানের একত্রীকরণ অভিযান উপলক্ষ্যে এই নগরের নামকরণ করেন।<ref name="kashimoristone">Stone ledger in front of [[Kashimori Shrine]]. Erected by Kashimori Shrine.</ref> গিফু নামটি লিখতে ব্যবহৃত দুটি চিত্রাক্ষরের প্রথমটি আসে ঐতিহাসিক কিশান পর্বত ('''岐'''山) থেকে; কিশান পর্বত প্রাচীন চীনের একত্রীকরণ সংক্রান্ত কিংবদন্তী বিশেষ। দ্বিতীয় অক্ষরটি আসে [[কনফুসিয়াস|কনফুশিয়াসের]] জন্মস্থান কুফু (曲'''阜''') অঞ্চলের নাম থেকে।<ref name="gkankou">[http://www.kankou-gifu.jp/en/outline/index.html Gifu tour guide – Outline of Gifu Prefecture] {{webarchiveওয়েব আর্কাইভ|urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20111001133648/http://www.kankou-gifu.jp/en/outline/index.html|dateতারিখ=October 1, 2011}}. Gifu Prefecture Tourist Federation. Accessed September 9, 2007.</ref> অনুমান করা যায়, নোবুনাগা জাপানের একত্রীকরণ চেয়েছিলেন বলে এই চিত্রাক্ষরগুলি নির্বাচন করেন।
 
== ভূগোল ==
গিফুর জলবায়ু দক্ষিণে আর্দ্র উপক্রান্তীয় থেকে উত্তরে আর্দ্র মহাদেশীয় জলবায়ু অঞ্চলে পরিবর্তিত হয়।
 
মিনো অঞ্চল নিচু পর্বত দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় কিছুটা চরমভাবাপন্ন। পূর্বের তাজিমি নগরে প্রায়ই জাপানের উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল পরিলক্ষিত হয়। এই নগরের গ্রীষ্মকালীন গড় উষ্ণতা ৩৪.১⁰ সেলসিয়াস। ২০০৭ এর ১৬ই আগস্ট জাপানের ইতিহাসে উষ্ণতম দিন হিসেবে তাজিমিতে ৪০.৯⁰ সেলসিয়াস উষ্ণতা নথিভুক্ত হয়।<ref>[http://www.japannewsreview.com/society/national/20070816page_id=1553 Gifu Prefecture sees highest temperature ever recorded in Japan – 40.9] {{webarchiveওয়েব আর্কাইভ|urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160818051003/http://www.japannewsreview.com/society/national/20070816page_id=1553|dateতারিখ=August 18, 2016}} – [http://www.japannewsreview.com Japan News Review] {{webarchiveওয়েব আর্কাইভ|urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20161019083232/http://www.japannewsreview.com|dateতারিখ=October 19, 2016}}</ref> হিদা অঞ্চলে শীতকাল জোরালো; বিশেষত উত্তরের পার্বত্যাঞ্চলে প্রবল তুষারপাত হয়।
 
== অর্থনীতি ==
গিফু প্রশাসনিক অঞ্চলে মজবুত - এমনকি যুদ্ধে ব্যবহারের মত মজবুত কাগজ প্রস্তুতি<ref name="fireballoon">[http://www.faqs.org/docs/air/avfusen.html The Fire Balloons] {{webarchiveওয়েব আর্কাইভ|urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160303175214/http://www.faqs.org/docs/air/avfusen.html|dateতারিখ=March 3, 2016}}. Greg Goebel. Accessed November 23, 2007.</ref> ও কৃষির মত প্রথাগত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থাকলেও বর্তমানে আকাশযান ও স্থলযান নির্মাণের মত কারিগরী শিল্প প্রধান হয়ে উঠেছে। নাগোয়্যা নগরের লাগোয়া অঞ্চল সম্পূর্ণ শিল্পায়িত। ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে আছে ডাই শিল্প, ছাঁচ নির্মাণ ও প্লাস্টিক প্রক্রিয়াকরণ।
 
== পর্যটন ==
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা