"ভারতে জরুরি অবস্থা (১৯৭৫-১৯৭৭)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎top: বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বিষয়বস্তু যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(→‎top: বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
কে বাঁচিতে চায়।
 
   দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে,
 
কে পরিবে পায়।”
    শুধু কবিতা নয়, রবীন্দ্রনাথের বহু গানও সেন্সরের আওতায় পড়েছিল। আমরা দেখেছিলাম যে, সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব খাঁর সামরিক শাসনে রবীন্দ্রনাথের গান রেডিও মাধ্যমে প্রচারের ব্যাপারে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা যে রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ও ভারতীয় বলে নয়, রবীন্দ্রনাথের গানের কথার জন্য, সে কথা আমরা বুঝতে পেরেছিলাম দেশে জরুরি অবস্থা জারি হওয়ার পর থেকে। বাণী ঠাকুরকে একবার একটা অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের একটা বর্ষার গান গাইতে দেওয়া হয়নি, কিন্তু কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই গানটিই জোর করে গেয়েছিলেন। এ থেকেই বোঝা যায় যে, সেই সময় শাসক দলের রোষ কতটা তীব্র ছিল। এমনকি সেই সময় রবীন্দ্রনাথের গান রেকর্ডিং- এও সেন্সর প্রথা চালু হয়েছিল এবং আকাশবাণী রবীন্দ্রনাথের কোন গান প্রচার করবে তারও সিদ্ধান্ত নিতেন আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ।৮
 
    জরুরি অবস্থায় অনেকগুলি রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ হয়েছিল। সেই সময় বহু  রবীন্দ্রসংগীত মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। তথ্যসূত্রে বেশ কিছু গানের তালিকা পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি হল যথাক্রমে-
 
১। ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে
২৪। এ পরবাসে রবে
 
২৫। আমাকে যে বাঁধবে ধরে এই হবে যার সাধন সেকি এমনি রবে।
 
এছাড়াও আরও অনেক রবীন্দ্রসংগীত এবং নজরুলের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার’ গানটিও নিষিদ্ধ তালিকায় স্থান পেয়েছিল।৯
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা