প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
|caption = ভূ-গোলকে এশিয়া মহাদেশের অবস্থান। গাঢ় সবুজ অংশ এশিয়ার অন্তর্গত।
|title = এশিয়া
|area = {{convertরূপান্তর|44579000|km2|sqmi|abbr=on}}<ref name=NG264>{{বই উদ্ধৃতি| publisherপ্রকাশক=National Geographic Society (U.S.) | titleশিরোনাম= National Geographic Family Reference Atlas of the World | locationঅবস্থান=Washington, D.C. | yearবছর=2006 | pageপাতা=264}}</ref>
|population = ৪,১৬৪,২৫২,০০০ ([[জনসংখ্যা অনুযায়ী মহাদেশগুলোর তালিকা|১ম]])<ref name=wa>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | urlইউআরএল=http://www.worldatlas.com/geoquiz/thelist.htm | titleশিরোনাম=Continents of the World | workকর্ম=The List | publisherপ্রকাশক=Worldatlas.com | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=25 July 2011| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/http://www.worldatlas.com/geoquiz/thelist.htm| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 22 July 2011 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref>
|density = ৮৭/কিমি<sup>২</sup> (২২৫/বর্গ মাইল)
|demonym = এশিয়ান
{{Collapsible list
| list_style = text-align:left;
| 1 = {{flagiconপতাকা আইকন|Japan}} [[টোকিও]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|South Korea}} [[সিওল]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|India}} [[মুম্বই]] <br /> {{flagiconপতাকা আইকন|India}} [[কলকাতা]] <br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Bangladesh}} [[ঢাকা]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|India}} [[দিল্লি]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|Pakistan}} [[করাচী]]<br />{{flagiconপতাকা আইকন|Indonesia}}[[জাকার্তা]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|Japan}} [[ওসাকা]]<br /> {{flagiconপতাকা আইকন|China}} [[সাংহাই]]<br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Philippines}} [[ম্যানিলা]]<br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Hong Kong}}[[হংকং]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|Iran}} [[তেহরান]] <br />
{{flagiconপতাকা আইকন|India}} [[চেন্নাই]] <br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Bangladesh}} [[চট্টগ্রাম]] <br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Qatar}} [[দোহা]]
<br />{{flagiconপতাকা আইকন|China}} [[বেইজিং]]<br /> {{flagiconপতাকা আইকন|China}} [[গুয়াংজু]]<br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Taiwan}} [[তাইপে]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|Thailand}} [[ব্যাংকক]] <br />{{flagiconপতাকা আইকন|Singapore}} [[সিঙ্গাপুর]] <br />
{{flagiconপতাকা আইকন|India}} [[হায়দ্রাবাদ]] <br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Malaysia}}[[কুয়ালালামপুর]]<br /> {{flagiconপতাকা আইকন|India}} [[ব্যাঙ্গালোর]] <br /> {{flagiconপতাকা আইকন|Vietnam}} [[হো চি মিন সিটি]]<br />{{flagiconপতাকা আইকন|United Arab Emirates}} [[দুবাই]]
}}
}}
'''এশিয়া''' ({{IPAc-en|ˈ|eɪ|ʒ|ə|audio=En-us-Asia.ogg}} বা {{IPAc-en|ˈ|eɪ|ʃ|ə}}) [[পৃথিবী|পৃথিবীর]] সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে জনবহুল [[মহাদেশ]], প্রাথমিকভাবে [[পূর্ব গোলার্ধ|পূর্ব]] ও [[উত্তর গোলার্ধ|উত্তর গোলার্ধে]] অবস্থিত। এটি ভূপৃষ্ঠের ৮.৭% ও স্থলভাগের ৩০% অংশ জুড়ে অবস্থিত। আনুমানিক ৪৩০ কোটি মানুষ নিয়ে এশিয়াতে বিশ্বের ৬০%-এরও বেশি মানুষ বসবাস করেন। অধিকাংশ বিশ্বের মত, আধুনিক যুগে এশিয়ার বৃদ্ধির হার উচ্চ। উদাহরণস্বরূপ, বিংশ শতাব্দীর সময়, এশিয়ার জনসংখ্যা প্রায় চারগুণ বেড়ে গেছে, বিশ্ব জনসংখ্যার মত।<ref>{{citeসাময়িকী journalউদ্ধৃতি | urlইউআরএল=http://www.economist.com/diversions/millennium/displayStory.cfm?Story_ID=346605 | titleশিরোনাম=Like herrings in a barrel | journalসাময়িকী=The Economist | dateতারিখ=23 December 1999 | issueসংখ্যা নং=Millennium issue: Population | publisherপ্রকাশক=The ''Economist'' online, The Economist Group}}.</ref>
 
এশিয়ার সীমানা সাংস্কৃতিকভাবে নির্ধারিত হয়, যেহেতু [[ইউরোপ|ইউরোপের]] সাথে এর কোনো স্পষ্ট ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা নেই, যা এক অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ডের গঠন যাকে একসঙ্গে [[ইউরেশিয়া]] বলা হয়। এশিয়ার সবচেয়ে সাধারণভাবে স্বীকৃত সীমানা হলো [[সুয়েজ খাল]], [[ইউরাল নদী]], এবং [[ইউরাল পর্বতমালা|ইউরাল পর্বতমালার]] পূর্বে, এবং [[ককেশাস পর্বতমালা]] এবং [[কাস্পিয়ান সাগর|কাস্পিয়ান]] ও [[কৃষ্ণ সাগর|কৃষ্ণ সাগরের]] দক্ষিণে।<ref name=Britannica>{{citeবিশ্বকোষ encyclopediaউদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Asia | urlইউআরএল=http://www.britannica.com/eb/article-9110518/Asia | encyclopediaবিশ্বকোষ=eb.com, [[Encyclopædia Britannica]] | yearবছর=2006 | locationঅবস্থান=Chicago | publisherপ্রকাশক=Encyclopædia Britannica, Inc.}}</ref><ref name="ReferenceA">{{বই উদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=National Geographic Atlas of the World|editionসংস্করণ=7th|yearবছর=1999|locationঅবস্থান=Washington, DC|publisherপ্রকাশক=[[National Geographic Society|National Geographic]]|isbnআইএসবিএন=978-0-7922-7528-2}} "Europe" (pp. 68–9); "Asia" (pp. 90–1): "A commonly accepted division between Asia and Europe is formed by the Ural Mountains, Ural River, Caspian Sea, Caucasus Mountains, and the Black Sea with its outlets, the Bosporus and Dardanelles."</ref> এটা পূর্ব দিকে [[প্রশান্ত মহাসাগর]], দক্ষিণে [[ভারত মহাসাগর]] এবং উত্তরে [[উত্তর মহাসাগর]] দ্বারা বেষ্টিত। ইউরাল পর্বতমালা, ইউরাল নদী, কাস্পিয়ান সাগর, কৃষ্ণসাগর এবং ভূমধ্যসাগর দ্বারা এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশ দুটি পরস্পর হতে বিচ্ছিন্ন। এছাড়া লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে এবং উত্তর-পূর্বে অবস্থিত সংকীর্ণ [[বেরিং প্রণালী]] একে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে। উল্লেখ্য, বেরিং প্রণালীর একদিকে অবস্থান করছে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত রাশিয়ার উলেনা এবং অপর পাশে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্গত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা। এই প্রণালীটির সংকীর্ণতম অংশটি মাত্র ৮২ কি•মি• চওড়া, অর্থাৎ বেরিং প্রণালীর এই অংশ হতে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দূরত্ব মাত্র ৮২ কি•মি•।
 
এর আকার এবং বৈচিত্র্যের দ্বারা, এশিয়ার ধারণা – একটি [[স্থান-নাম তত্ত্ব|নাম]] [[ধ্রুপদি সভ্যতা]]য় পাওয়া যায় - আসলে ভৌত ভূগোলের চেয়ে মানবীয় ভূগোলের সাথে আরো বেশি সম্পর্কিত।<ref name=McG-H>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Asia | urlইউআরএল=http://accessscience.com/abstract.aspx?id=054800&referURL=http%3a%2f%2faccessscience.com%2fcontent.aspx%3fid%3d054800 | workকর্ম=AccessScience | publisherপ্রকাশক=McGraw-Hill | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=26 July 2011}}</ref> এশিয়ার অঞ্চল জুড়ে জাতিগোষ্ঠী, সংস্কৃতি, পরিবেশ, অর্থনীতি, ঐতিহাসিক বন্ধন এবং সরকার ব্যবস্থার মাঝে ব্যাপকভাবে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
 
== সংজ্ঞা এবং সীমানা ==
{{detailsবিস্তারিত|এশিয়ার ভূগোল|এশিয়ার সীমানা}}
 
=== গ্রিক তিন-মহাদেশের ব্যবস্থা ===
ভৌগলিক এশিয়া একটি সাংস্কৃতিক বস্তু, যা বিশ্বের ইউরোপীয় ধারণা অন্যান্য সংস্কৃতির উপর আরোপিত, একটি যথাযথ নয় ধারণা যার ফলে এটার মানে নিয়ে বিবাদ হয়। এশিয়া ইউরোপ চেয়ে বড় এবং আরো সাংস্কৃতিকভাবে বিচিত্র।<ref>{{harvnb|Lewis|Wigen|1997|pp=36–37}}</ref> এটা ঠিক বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক সীমানার উপাদানসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।<ref>{{harvnb|Lewis|Wigen|1997|pp=7–9}}</ref>
 
সাধারণ উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ভৌগোলিক মানের উপরন্তু, এশিয়া আরো সীমাবদ্ধ আগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ও কার্যক্রমে সংস্থা ভেদে নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সার্ভিস অব কানাডা মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রশাসনিক বিভাগ ব্যবহার করে, তাদের "এশিয়া" সংজ্ঞা বৃহত্তর সংজ্ঞা থেকে যথেষ্ট ভিন্ন, এবং তা একইভাবে বিশ্বব্যাপী অন্যান্য সংস্থার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। "এশিয়া" কিছু বিভিন্নমুখী ব্যবহার বর্তমান ঘটনা প্রতিবেদনের সময় সংবাদ মাধ্যম দ্বারা ঘোষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, [[বিবিসি]] নিউজের এশিয়া প্যাসিফিক বিভাগ আছে, যা [[অস্ট্রালেশিয়া]], ওশেনিয়া বা আমেরিকার প্রশান্ত অংশ (প্যাসিফিক) থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Asia-Pacific | workকর্ম=BBC Mobile News | urlইউআরএল=http://www.bbc.co.uk/news/world/asia_pacific/ |publisherপ্রকাশক=BBC | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=28 July 2011| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/20110728014556/http://www.bbc.co.uk/news/world/asia_pacific/| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 July 2011 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref>
 
[[হিরোডোটাস]]-এর সময় থেকে, এক দল ক্ষুদ্র ভূগোলবিদ তিন-মহাদেশ ব্যবস্থা (ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া) প্রত্যাখ্যান করেন এই বলে তাদের মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক বিচ্ছেদ নেই।<ref name=McG-H /> উদাহরণস্বরূপ, স্যার ব্যারি চুনলিফ, অক্সফোর্ডের ইউরোপীয় পুরাতত্ত্বের এমেরিটাস অধ্যাপক, যুক্তি দেন যে, ইউরোপ ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে নিছক "এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম বর্ধিতাংশ"।<ref>{{citeসাময়িকী journalউদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.theatlantic.com/doc/200812/editors-choice |titleশিরোনাম=Geography Is Destiny | firstপ্রথমাংশ=Benjamin | lastশেষাংশ=Schwartz | journalসাময়িকী=The Atlantic |dateতারিখ = December 2008|publisherপ্রকাশক=Atlantic Magazine}}</ref> ভৌগোলিকভাবে, এশিয়া ভূখন্ডের – বা [[আফ্রো-ইউরেশিয়া|আফ্রো-ইউরেশিয়ার]] অংশ [[ইউরেশিয়া|ইউরেশিয়ার]] পূর্ব অংশ, যেখানে ইউরোপ উত্তর পশ্চিমাংশের [[উপদ্বীপ]]; ভূতাত্ত্বিকভাবে, এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকা (সুয়েজ খাল ছাড়া) একটি একক অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড গঠন করে এবং একটি সাধারণ [[মহীসোপান]] ভাগ করে। প্রায় সব ইউরোপ এবং এশিয়ার বেশির ভাগ অংশ [[ইউরেশীয় পাত]]-এর উপর অবস্থিত, দক্ষিণে [[আরবীয় পাত|আরবীয়]] ও [[ভারতীয় পাত]] দ্বারা সংযুক্ত এবং সাইবেরিয়ার পূর্বপ্রান্তিক অংশ উত্তর আমেরিকার পাতের উপর অবস্থিত।
{{-}}
 
=== ধ্রুপদি সভ্যতা===
 
ল্যাটিন এশিয়া ও গ্রিক Ἀσία একই শব্দ বলে মনে করা হয়। রোমান লেখকগণ Ἀσία-র অনুবাদ এশিয়া করেছেন। রোমানরা একটি প্রদেশশের নামকরণ এশিয়া নামে করেছেন, যা প্রায় আধুনিক তুরস্কের কেন্দ্রীয় পশ্চিম অংশ। আধুনিক ইরাকে এশিয়া মাইনর ও এশিয়া মেজর অবস্থিত। নামটির প্রাচীনতম প্রমাণ গ্রিক, এটি সম্ভবত অবস্থাগতভাবে Ἀσία থেকে এশিয়া এসেছিল, কিন্তু প্রাচীন অনুবাদে, আক্ষরিক প্রসঙ্গের অভাবে, তা খুঁজে বের করা কঠিন। প্রাচীন ভূগোলবিদ এবং ঐতিহাসিকদের কাছেই জানা যায়, যেমন [[হিরোডোটাস]], যারা সবাই গ্রিক ছিলো। রোমান সভ্যতা ব্যাপকভাবে গ্রীকের বশবর্তী ছিলো। [[প্রাচীন গ্রিক]] অবশ্যই নামের প্রাথমিক এবং সমৃদ্ধ ব্যবহারের নজির রাখে।<ref>{{citeবিশ্বকোষ encyclopediaউদ্ধৃতি | urlইউআরএল=http://www.perseus.tufts.edu/hopper/text?doc=Perseus%3Atext%3A1999.04.0057%3Aentry%3D*%29asi%2Fa | titleশিরোনাম=Ἀσία | authorলেখক=Henry George Liddell |author2লেখক২=Robert Scott|author3লেখক৩= Henry Stuart Jones|author4লেখক৪= Roderick McKenzie | encyclopediaবিশ্বকোষ=A Greek-English Lexicon | yearবছর=2007 | locationঅবস্থান=Medford | publisherপ্রকাশক=Perseus Digital Library, Tufts University | origyearপ্রকৃত-বছর=1940}}</ref>
 
হেরোডোটাস এশিয়ার প্রথম মহাদেশীয় ব্যবহার করেছেন (প্রায় ৪৪০&nbsp;খ্রিস্টপূর্ব), তিনি তা উদ্ভাবন করেন সেই কারণে নয়, বরং তার '' ইতিহাস'' প্রাচীনতম পাওয়া গদ্য, যা তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে। তিনি সতর্কতার সাথে এটিকে সংজ্ঞায়িত করেন,<ref>Book IV, Articles 37–40.</ref> পূর্ববর্তী ভূগোলবিদদের উল্লেখ করে যাদের লেখা তিনি পড়েছিলেন, কিন্তু যার কাজ এখন হারিয়ে গেছে। এর দ্বারা [[আনাতোলিয়া]] ও [[হাখমানেশী সাম্রাজ্য|পারস্য সাম্রাজ্যকে]] বোঝান, [[গ্রিস]] ও [[মিশর|মিশরের]] বিপরীতে। হেরোডোটাস আরোও বলেন, তিনি বিভ্রান্তবোধ করেন যে কেন তিন জন নারীর নামে "ভূভাগের নামকরণ করা হবে" [[ইউরোপা (পৌরাণিক চরিত্র)|ইউরোপা]], [[এশিয়া (পৌরাণিক চরিত্র)|এশিয়া]], এবং [[লিবইয়া]], আফ্রিকাকে নির্দেশ করে), অধিকাংশ গ্রিক মনে করেন [[প্রমিথিউস (দেবতা)|দেবতা প্রমিথিউসের]] স্ত্রীর নামে (অর্থাৎ [[হেসিওয়ান]], Hesione) এশিয়ার নামকরণ করা হয়, কিন্তু লিডিয়ানরা মনে করে, কট্যাসের (Cotys) ছেলে এশিজের (Asies) নামে এর নামকরণ করা হয়।<ref>Book IV, Article 45.</ref> [[গ্রিক পুরাণ|গ্রিক পুরাণে]], "এশিয়া" (''Ἀσία'') বা "এশিয়" (Asie) (''Ἀσίη'') [[নাইম্ফ]] বা লিডিয়ার দেবী [[তিতান]]-এর নাম।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | urlইউআরএল=http://www.theoi.com/Nymphe/NympheAsie.html | titleশিরোনাম=Asie | workকর্ম=Encyclopedia: Greek Gods, Spirits, Monsters | publisherপ্রকাশক=Theoi Greek Mythology, Exploring Mythology in Classical Literature and Art | dateতারিখ=2000–2011}}</ref>
 
হেরোডোটাসের ভৌগোলিক বিভ্রান্তি সম্ভবত দ্বিমত প্রকাশ করার একটি রূপ, সকল শিক্ষিত লোকের মত তিনিও যেহেতু গ্রীক কাব্য পড়েছেন, তাই তিনি ভালভাবেই বুঝে থাকবেন যে, কেন অঞ্চলগুলোর নামে নারীদের নামে হবে। এথেন্স, মাইসিন, থিবেত এবং আরো অন্যান্য স্থানগুলোর নাম নারীদের নামে ছিলো। প্রাচীন গ্রিক ধর্মে, অঞ্চলগুলো নারী দেবদূতের অধীনে ছিলো, যা অভিভাবক দেবদূতের সমান্তরাল। কবিরা তাদের কার্যকলাপ বর্ণনা করেন এবং পরের প্রজন্ম তা রূপকধর্মী ভাষায় বিনোদনের গল্পে পরিণত করে, যা পরবর্তীকালে নাট্যকাররা ধ্রুপদী গ্রিক নাটক রুপান্তরিত করে এবং "গ্রিক পুরাণ" হয়ে উঠে।
 
== ইতিহাস ==
{{Mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার ইতিহাস}}
[[File:Silkroutes.jpg|thumb|left|220px|সিল্ক রোড এশিয়া জুড়ে সভ্যতাগুলোকে যুক্ত করে।<ref>[http://www.silk-road.com/artl/srtravelmain.shtml ANCIENT SILK ROAD TRAVELLERS]</ref>]]
[[File:Mongol dominions1.jpg|thumb|right|220px|[[মোঙ্গল সাম্রাজ্য]], ১৩০০ সালে, ধূসর অঞ্চল পরবর্তিতে তিমুরিদ সাম্রাজ্য।]][[File:Asien Bd1.jpg|thumb|right|220px|এশিয়ার মানচিত্র, ১৮৯০ সালে]][[File:A Map of the Countries between Constantinople and Calcutta- Including Turkey in Asia, Persia, Afghanistan and Turkestan WDL11753.png|thumb|right|১৮৮৫ সালের পশ্চিম দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মানচিত্র<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.wdl.org/en/item/11753/#institution=library-of-congress&page=17|titleশিরোনাম=A Map of the Countries between Constantinople and Calcutta: Including Turkey in Asia, Persia, Afghanistan and Turkestan|publisherপ্রকাশক=|languageভাষা=ইংরেজি}}</ref>]]
 
এশিয়ার ইতিহাস বিভিন্ন প্রান্তিক উপকূলীয় অঞ্চলের স্বতন্ত্র ইতিহাস হিসেবে দেখা যায়ঃ [[পূর্ব এশিয়া]], [[দক্ষিণ এশিয়া]], [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া]] এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]], যা এশিয়ার মধ্য প্রান্তর দ্বারা যুক্ত।
৭ম শতকে মুসলিম বিজয় চলাকালে, ইসলামিক [[খিলাফত]] মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়া জয় করে। পরবর্তিতে ১৩শ শতকে [[মোঙ্গল সাম্রাজ্য]] এশিয়ার অনেক বড় অংশ জয় করে, যা চীন থেকে ইউরোপ পর্যন্ত বিস্তৃত। মোঙ্গল আক্রমণ করার আগে, [[চীন]] এ প্রায় ১২০ মিলিয়ন মানুষ ছিল; আক্রমণের পরবর্তি আদমশুমারিতে ১৩০০ সালে প্রায় ৬০ মিলিয়ন মানুষ ছিল।<ref>Ping-ti Ho. "An Estimate of the Total Population of Sung-Chin China", in ''Études Song'', Series 1, No 1, (1970). pp. 33–53.</ref>
 
[[ব্ল্যাক ডেথ]], পৃথিবীব্যাপী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী মৃত্যু, মধ্য এশিয়ার অনুর্বর সমভূমিতে উদ্ভব হয়ে এটা [[সিল্ক রোড]] বরাবর চলে গেছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.bbc.co.uk/history/british/middle_ages/blackdisease_01.shtml|titleশিরোনাম=BBC – History – Black Death |publisherপ্রকাশক=BBC |dateতারিখ=17 February 2011}}</ref>
 
[[রাশিয়ান সাম্রাজ্য]] ১৭শ শতক থেকে এশিয়া বিস্তৃত হয়, এবং শেষ পর্যন্ত ১৯শ শতকের শেষ নাগাদ সাইবেরিয়া এবং অধিকাংশ [[মধ্য এশিয়া]] নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ১৬শ শতক থেকে [[উসমানীয় সাম্রাজ্য]] আনাতোলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং বলকান অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। ১৭শ শতকে, মাঞ্চুরা চীন জয় করে এবং [[চিং রাজবংশ]] প্রতিষ্ঠা করে। এদিকে ১৬শ শতক থেকে ইসলামী [[মুঘল সাম্রাজ্য]] অধিকাংশ ভারত শাসন করতে থাকে।
 
== ভূগোল ও জলবায়ু ==
{{mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার ভূগোল|এশিয়ার জলবায়ু}}
[[File:Himalayas.jpg|thumb|right|[[হিমালয় পর্বতমালা]], যেখানে গ্রহের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আছে।]]
এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম [[মহাদেশ]]। এটা পৃথিবীর মোট ভূপৃষ্ঠের ৮.৮% ভাগ (বা ৩০% ভাগ স্থল), এবং বৃহত্তম তটরেখা {{convertরূপান্তর|62800|km|mi|0}}। এশিয়া সাধারণত ইউরেশিয়ার পাঁচ ভাগের চার ভাগ নিয়ে পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটা [[সুয়েজ খাল]] ও [[ইউরাল পর্বতমালা|ইউরাল পর্বতমালার]] পূর্বে, [[ককেশাস পর্বতমালা]], [[কাস্পিয়ান সাগর]] ও [[কৃষ্ণ সাগর|কৃষ্ণ সাগরের]] দক্ষিণে অবস্থিত।<ref name="ReferenceA"/><ref name=autogenerated1>{{citeবিশ্বকোষ encyclopediaউদ্ধৃতি| titleশিরোনাম=Asia | urlইউআরএল=http://www.britannica.com/eb/article-9110518/Asia | encyclopediaবিশ্বকোষ=[[Encyclopædia Britannica]] Online | yearবছর=2006 | locationঅবস্থান=Chicago | publisherপ্রকাশক=Encyclopædia Britannica, Inc}}</ref> এটা পূর্ব দিকে [[প্রশান্ত মহাসাগর]], দক্ষিণে [[ভারত মহাসাগর]] দ্বারা বেষ্টিত, এবং উত্তরে [[উত্তর মহাসাগর]] দ্বারা বেষ্টিত। এশিয়া মহাদেশে ৪৮টি দেশ আছে, তাদের দুটি ([[রাশিয়া]] ও [[তুরস্ক]]) দেশের ইউরোপে অংশ আছে।
 
এশিয়ার অত্যন্ত বিচিত্র জলবায়ু এবং ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য আছে। জলবায়ুর পরিধি আর্কটিক, উপআর্কটিক (সাইবেরিয়া) থেকে দক্ষিণ ভারত ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ক্রান্তীয় অবধি বিস্তৃত। এর দক্ষিণ-পূর্ব অংশ জুড়ে আর্দ্র ও অভ্যন্তরে শুষ্ক। পশ্চিম এশিয়ায় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দৈনিক তাপমাত্রা পরিসর দেখা যায়।হিমালয় পর্বমালার কারণে মৌসুমি সঞ্চালন দক্ষিণ ও পূর্ব অংশ জুড়ে প্রাধান্য পায়। মহাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অংশ উষ্ণ। উত্তর গোলার্ধের মধ্যে সাইবেরিয়া অন্যতম শীতলতম অঞ্চল, এবং উত্তর আমেরিকা জন্য আর্কটিক বায়ুভরের একটি উৎস হিসাবে কাজ করে। ট্রপিকাল সাইক্লোনের জন্য পৃথিবীতে সবচেয়ে সক্রিয় জায়গা উত্তরপূর্বে ফিলিপাইন ও দক্ষিণ জাপান। [[মঙ্গোলিয়া|মঙ্গোলিয়ার]] [[গোবি মরুভূমি]] ও [[আরব মরুভূমি]] মধ্যপ্রাচ্যের অনেকটা জুড়ে প্রসারিত। চীনের ইয়ানজে নদী মহাদেশের দীর্ঘতম নদী। নেপাল ও চীনের মধ্যকার [[হিমালয় পর্বতমালা]] বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পর্বতশ্রেণী। বৃষ্টিপ্রধান ক্রান্তীয় বনাঞ্চল দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে প্রসারিত ও সরলবর্গীয়, পর্ণমোচী বনাঞ্চল উত্তরে প্রসারিত।
 
== অর্থনীতি ==
{{Mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার অর্থনীতি}}
[[File:1 singapore city skyline dusk panorama 2011.jpg|thumb|left|250px|[[সিঙ্গাপুর]] [[বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দর|বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম বন্দর]] এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম [[বৈদেশিক বিনিময় বাজার|বৈদেশিক বিনিময়]] বাণিজ্য কেন্দ্র।]]
{| class="wikitable" style="text-align: right; float:right; clear:right; border:1px solid #aaa; margin:10px"
! [[List of countries by past and projected GDP (PPP)|জিডিপি]] <small>(PPP, 2014)</small><br/><small>millions of [[International dollar|ইউএসডি]]</small>
|-
| ১ ||align=left|{{flagপতাকা|গণচীন}} || ১৮,০৮৮,০৫৪
|-
| ২ ||align=left|{{flagপতাকা|ভারত}} || ৭,৪১১,০৯৩
|-
| ৩ ||align=left|{{flagপতাকা|জাপান}} || ৪,৭৬৭,১৫৭
|-
| ৫ ||align=left|{{flagপতাকা|ইন্দোনেশিয়া}} || ২,৬৮৫,৮৯৩
|-
| ৬ ||align=left|{{flagপতাকা|দক্ষিণ কোরিয়া}} || ১,৭৮৩,৯৫০
|-
| ৭ ||align=left|{{flagপতাকা|সৌদি আরব}} || ১,৬০৯,৬২৮
|-
| ৮ ||align=left|{{flagপতাকা|তুরস্ক}} || ১,৫১৪,৮৫৯
|-
| ৯ ||align=left|{{flagপতাকা|ইরান}} || ১,৩৫৭,০২৮
|-
| ১০ ||align=left|{{flagপতাকা|তাইওয়ান}} || ১,০৭৮,৭৯২
|}
{| class="wikitable" style="text-align: right; float:right; clear:right; border:1px solid #aaa; margin:10px"
! [[List of IMF ranked countries by past and projected GDP (nominal)|জিডিপি]] <small>(nominal, 2014)</small><br/><small>millions of [[International dollar|ইউএসডি]]</small>
|-
| ১ ||align=left|{{flagপতাকা|গণচীন}} || ১০,৩৬০,১০৫
|-
| ২ ||align=left|{{flagপতাকা|জাপান}} || ৪,৬০২,৩৬৭
|-
| ৩ ||align=left|{{flagপতাকা|ভারত}} || ২,০৬৬,৯০২
|-
| ৫ ||align=left|{{flagপতাকা|দক্ষিণ কোরিয়া}} || ১,৪১০,৩৮৩
|-
| ৬ ||align=left|{{flagপতাকা|ইন্দোনেশিয়া}} || ৮৮৮,৬৪৮
|-
| ৭ ||align=left|{{flagপতাকা|তুরস্ক}} || ৭৯৯,৫৩৫
|-
| ৮ ||align=left|{{flagপতাকা|সৌদি আরব}} || ৭৪৬,২৪৯
|-
| ৯ ||align=left|{{flagপতাকা|তাইওয়ান}} || ৫২৯,৫৯৭
|-
| ১০ ||align=left|{{flagপতাকা|ইরান}} || ৪১৬,৪৯০
|}
 
[[অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদ]] [[অ্যাঙ্গাস মাড্ডিসন]] তাঁর বই ''দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমি: এ মিলেনিয়াম পারর্স্পেক্টিভ''-এ উল্লেখ করেন, ভারত ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ও ০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল।<ref>The World Economy: Historical Statistics, Angus Maddison</ref><ref>http://www.theworldeconomy.org/MaddisonTables/MaddisontableB-18.pdf</ref>
 
চীন পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক সময়ের জন্য বৃহত্তম এবং সবচেয়ে উন্নত অর্থনীতি ছিল,<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.bharat-rakshak.com/SRR/Volume14/nalapat.html |titleশিরোনাম=Professor M.D. Nalapat. Ensuring China's "Peaceful Rise". Accessed 30 January 2008 |publisherপ্রকাশক=Bharat-rakshak.com |dateতারিখ=11 September 2001 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 June 2010}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.eric.ed.gov/ERICWebPortal/custom/portlets/recordDetails/detailmini.jsp?_nfpb=true&_&ERICExtSearch_SearchValue_0=ED460052&ERICExtSearch_SearchType_0=no&accno=ED460052 |titleশিরোনাম=Dahlman, Carl J; Aubert, Jean-Eric. China and the Knowledge Economy: Seizing the 21st century. WBI Development Studies. World Bank Publications. Accessed 30 January 2008 |publisherপ্রকাশক=Eric.ed.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 June 2010}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.economist.com/surveys/displaystory.cfm?story_id=E1_PNTJQTR |titleশিরোনাম=The Real Great Leap Forward. The Economist. 30 September 2004 |workকর্ম=The Economist |dateতারিখ=30 September 2004 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 June 2010}}</ref><ref>[https://web.archive.org/web/20080305025204/http://search.ft.com/ftArticle?queryText=China+the+world%E2%80%99s+largest+economy+for+18+of+the+past+20+centuries&y=6&aje=false&x=14&id=050926000484&ct=0 Chris Patten. ''Financial Times''. Comment & Analysis: Why Europe is getting China so wrong. Accessed 30 January 2008.]</ref> মধ্য ১৯ শতকে [[ব্রিটিশ সাম্রাজ্য]] ([[ব্রিটিশ ভারতের প্রেসিডেন্সি ও প্রদেশসমূহ|ব্রিটিশ ভারত]] বাদে) দখল করা আগ পর্যন্ত।
 
বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে কয়েক দশক ধরে, জাপান এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি এবং পৃথিবীর যেকোন একক জাতির দ্বিতীয় বৃহত্তম, ১৯৮৬-তে [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] অতিক্রম করার পরে (নেট বস্তুগত পণ্য পরিমাপে) এবং ১৯৬৮-তে জার্মানিকে। (বিশেষ দ্রষ্টব্য: কিছু অতিপ্রাকৃত অর্থনীতি বৃহত্তম, যেমন [[ইউরোপীয় ইউনিয়ন]] (ইইউ), নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (নাফটা) অথবা [[এপেক]])। এটা ২০১০-এ শেষ হয় যখন চীন জাপানকে অতিক্রম করে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হয়।
১৯৮০ দশকের শেষভাগ ও ১৯৯০ দশকে শুরুতে, জাপানের জিডিপি শুধুমাত্র (বর্তমান বিনিময় হার পদ্ধতি), বাকি দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপির সমান ছিলো। ১৯৯৫ সালে জাপানের অর্থনীতি, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সমান হয়ে গেছিলো এক দিনের জন্য, জাপানি মুদ্রা পরে ৭৯ ইয়েন/মার্কিন $ উচ্চ রেকর্ডে পৌঁছে।
 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ১৯৯০ দশক পর্যন্ত, এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জাপান কেন্দ্রীভূত ছিলো, এছাড়াও প্রশান্ত রিমের চারটি অঞ্চলে বিস্তৃত ছিলো, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং ও সিঙ্গাপুর। এই চারটি অঞ্চল [[চার এশিয়ান টাইগার্স|এশিয়ান টাইগার্স]] পরিচিত, যারা সকলে উন্নত দেশ এবং এশিয়ার মাথাপিছু সর্বোচ্চ জিডিপি অর্জনকারী।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.emergingdragon.com/ |titleশিরোনাম=Rise of Japan and 4 Asian Tigers from |publisherপ্রকাশক=emergingdragon.com |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 June 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/20100422013118/http://www.emergingdragon.com/| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 22 April 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref>
 
[[File:Mumbai 03-2016 10 skyline of Lotus Colony.jpg|thumb|290px|[[মুম্বই]] মহাদেশের সবচেয়ে জনবহুল শহরগুলোর একটি।
শহরের পরিকাঠামো এবং পর্যটন, ভারতের অর্থনীতিতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।]]
 
পূর্বানুমান অনুসারে, ২০২০ সালে [[ভারত]] নমিনাল জিডিপিতে জাপানকে অতিক্রম করবে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.cbcglobal.org/index.php?option=com_content&task=view&id=84&Itemid=507|titleশিরোনাম=Commonwealth Business Council-Asia|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=12 April 2007|archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল = //web.archive.org/web/20070728122032/http%3A//www.cbcglobal.org/index.php%3Foption%3Dcom_content%26task%3Dview%26id%3D84%26Itemid%3D507 |archivedateআর্কাইভের-তারিখ = 28 July 2007|deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল=yes}}</ref> [[গোল্ডম্যান শ্যাস]] অনুযায়ী, ২০২৭ সালে চীন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হবে। বিভিন্ন বাণিজ্য ব্লক আছে, যার মাঝে [[আসিয়ান]] সবচেয়ে উন্নত।
 
এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ এবং এটা প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ যেমন পেট্রোলিয়াম, বন, মৎস্য, পানি, তামা ও রূপা। এশিয়ায় উৎপাদন, পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ঐতিহ্যগতভাবে শক্তিশালী বিশেষ করে চীন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ভারত, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুর। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় বহুজাতিক কর্পোরেশনের আধিপত্য আছে, কিন্তু চীন ও ভারত ক্রমবর্ধমানভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান থেকে বহু কোম্পানি সস্তা শ্রমের প্রচুর যোগান এবং তুলনামূলকভাবে উন্নত অবকাঠামোর সুযোগ গ্রহণ করে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
 
[[সিটিগ্রুপ]] অনুসারে, ১১-র মধ্যে ৯ টি [[৩জি (দেশ)|বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি উত্পাদক]] দেশ এশিয়ার, জনসংখ্যা এবং আয় বৃদ্ধির দ্বারা চালিত। তারা হলো বাংলাদেশ, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা ও ভিয়েতনাম।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.sme.com.ph/sme-news/news.php?newsid=2324 |titleশিরোনাম=Philippine potential cited |publisherপ্রকাশক=sme.com.ph |dateতারিখ=24 February 2011 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 March 2011}}</ref> এশিয়ার চারটি প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র আছেঃ টোকিও, হংকং, সিঙ্গাপুর ও সাংহাই। কল সেন্টার ও ব্যবসা প্রসেস আউটসোর্সিং (BPOs) ভারত ও ফিলিপাইনে প্রধান নিয়োগকারী হয়ে উঠছে, অত্যন্ত দক্ষ, ইংরেজি ভাষাভাষী কর্মীর সহজলভ্যতার কারণে। আউটসোর্সিং বর্ধিত ব্যবহারের কারণে আর্থিক কেন্দ্র হিসাবে ভারত ও চীনের উত্থানকে সহায়তা করে। বড় এবং প্রতিযোগিতামূলক তথ্য প্রযুক্তি শিল্পের কারণে, ভারত আউটসোর্সিং জন্য প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
 
২০১০ সালে, এশিয়ায় ৩৩&nbsp;লক্ষ মিলিওনেয়ার ছিল (বাড়ি ব্যতীত মার্কিন $১ মিলিয়ন বেশি আয়করা মানুষ), উত্তর আমেরিকার সামাণ্য নিচে ৩৪&nbsp;লক্ষ মিলিওনেয়ার। গত বছর এশিয়া ইউরোপকে অতিক্রম করে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.theglobeandmail.com/report-on-business/international-news/asian-pacific/asias-millionaire-population-overtakes-europe/article2072205/?utm_medium=Feeds%3A%20RSS%2FAtom&utm_source=Home&utm_content=2072205 |titleশিরোনাম=Asia has more millionaires than Europe |locationঅবস্থান=Toronto |deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল=yes}} {{Dead link|date=September 2011|bot=RjwilmsiBot}}</ref> সম্পদ প্রতিবেদন ২০১২-এ সিটি গ্রুপ উল্লেখ করে যে এশীয় সেন্তা-মিলিওনেয়ার উত্তর আমেরিকার সম্পদ কব্জা করে প্রথমবারের মত, তা পূর্বে পাঠানো অব্যাহত থাকে। ২০১১-এর শেষ নাগাদ, ১৮,০০০ এশীয় মানুষ বিশেষ করে [[দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া]], চীন ও জাপানের যাদের কমপক্ষে $১০০ মিলিয়ন নিষ্পত্তিযোগ্য সম্পদ, যখন উত্তর আমেরিকায় তা ১৭,০০০ জন এবং পশ্চিম ইউরোপে ১৪,০০ জন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.bloomberg.com/news/2012-03-27/citigroup-study-shows-asian-rich-topping-north-american.html |titleশিরোনাম=Citigroup Study Shows Asian Rich Topping North American |dateতারিখ=28 March 2012 | workকর্ম=Bloomberg |firstপ্রথমাংশ=Sanat |lastশেষাংশ=Vallikappen}}</ref>
 
== পর্যটন ==
[[File:Grand Palace Bangkok.jpg|thumb|right|alt=A Thai temple complex with several ornate buildings and a stupa, and a lot of visitors|গ্র্যান্ড প্যালেসের ওয়াত ফ্রা কা ব্যাংককের প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।]]
মাস্টারকার্ড বৈশ্বিক গন্তব্য শহর সূচক ২০১৩ প্রকাশ করে, যেকানে ২০টি শহরের মধ্যে ১০টি এশিয়ার এবং এশিয়ার কোনো শহর (ব্যাংকক) শীর্ষস্থানীয় অবস্থায় ছিলো, ১৫.৯৮ আন্তর্জাতিক পর্যটক নিয়ে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |urlইউআরএল=http://www.italianvenue.com/news/20135281339-milan-and-rome-named-among-the-most-widely-visited-cities-in-the-world-in-the-mastercard-global-destination-cities-index-report/ |titleশিরোনাম=Milan and Rome named among the most widely visited cities in the world in the Mastercard Global Destination Cities Index report |dateতারিখ=28 May 2013}}</ref>
 
== জনমিতি ==
{{Mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার জনমিতি}}
<!--{{Historical populations
|title = Historical populations
স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও আয় তথ্য প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, [[পূর্ব এশিয়া]] সার্বিক [[মানব উন্নয়ন সূচক|মানব উন্নয়ন সূচকে]] (এইচডিআই) পৃথিবীর যেকোন অঞ্চলের চেয়ে বেশি উন্নতি সাধন করে, যা গত ৪০ বছরে দ্বিগুণ হয়।
 
চীন, এইচডিআই উন্নতিতে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্জনকারী ১৯৭০ সাল থেকে, "টপ টেন মুভার্স" তালিকার একমাত্র দেশ যা স্বাস্থ্য বা শিক্ষার সফলতা জন্য নয় আয়ের কারণে। শেষ চার দশকে এর মাথাপিছু আয় অত্যাশ্চর্য ২১ গুণ বেড়ে, লক্ষ লক্ষ মানুষের আয়ের দারিদ্যতা থেকে মুক্তি দেয়। তবুও এটা স্কুল তালিকাভুক্তি এবং প্রত্যাশিত আয়ুতে অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় নয়।<ref name="UNDP">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://hdr.undp.org/en/media/PR6-HDR10-RegRBAP-E-rev5-sm.pdf |titleশিরোনাম=2010 Human Development Report: Asian countries lead development progress over 40 years |publisherপ্রকাশক=UNDP |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=22 December 2010}}</ref>
 
[[নেপাল]], একটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, প্রধানত কারণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বের দ্রুততম অগ্রসরমান। এর বর্তমান প্রত্যাশিত আয়ু ১৯৭০ সালের তুলনায় ২৫ বছর বেশি। নেপালে প্রতি পাঁচ জন শিশুদের মধ্যে চার জনের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়, যা ৪০ বছর আগে ১ জন ছিলো।<ref name="UNDP"/>
 
=== ভাষাসমূহ ===
{{Mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার ভাষা}}
এশিয়া বিভিন্ন ভাষা পরিবার এবং বিচ্ছিন্ন ভাষার আবাস। বেশিরভাগ এশিয়ার দেশগুলোতে স্থানীয়ভাবে একাধিক ভাষায় কথা বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ [[এথ্‌নোলগ]] অনুযায়ী, ৬০০-র অধিক ভাষা ইন্দোনেশিয়ায়, ও ৮০০-র অধিক ভাষা ভারতে প্রচলিত। এবং ১০০-এর বেশি ফিলিপাইনে প্রচলিত। চীন বিভিন্ন প্রদেশে অনেক ভাষা এবং উপভাষা রয়েছে।
 
=== ধর্ম ===
{{Seeআরো alsoদেখুন|প্রাচ্যের দর্শন|এশিয়ার ধর্ম|এশীয় পুরাণের তালিকা}}
[[File:Dome of Rock, Temple Mount, Jerusalem.jpg|thumb|[জেরুসালেমে টেম্পল মাউন্টটনে ডোম অব রক, [[জেরুসালেম]] [[ইহুদি ধর্ম]], [[খ্রিস্ট ধর্ম]], [[ইসলাম]] ধর্মের জন্য একটি পবিত্র শহর।]]
[[File:Beyt-i Haram.jpg|thumb|right|[[মক্কা|মক্কার]] কাবায় [[হজ্জ|হজ্জের]] তীর্থযাত্রীরা]]
 
====ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ====
[[ইব্রাহিমীয় ধর্ম]]গুলো [[ইহুদি ধর্ম]], [[খ্রিস্ট ধর্ম]], [[ইসলাম]] এবং [[বাহাই ধর্ম]] পশ্চিম এশিয়ায় উত্পত্তি। [[ইহুদি ধর্ম]], ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম, [[ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] মধ্যে প্রাথমিকভাবে চর্চা করা হয়, যা [[ইহুদি|হিব্রু জাতির]] জন্মস্থান এবং ঐতিহাসিক স্বদেশ। ইহুদিদের [[বনী ইসরাঈল]] বলা হয়, তারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, [[মিযরাহি ইহুদি|এশিয়া/উত্তর আফ্রিকা]], [[ইহুদি প্রবাসী|প্রবাসী]] [[ইউরোপীয় ইহুদি|ইউরোপীয়]], [[মার্কিন ইহুদি|উত্তর আমেরিকায়]], এবং অন্যান্য অঞ্চল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.jewishvirtuallibrary.org/jsource/Judaism/jewpop.html |titleশিরোনাম=The Jewish Population of the World |publisherপ্রকাশক=Jewishvirtuallibrary.org |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 June 2010}}</ref>
 
[[খ্রিস্ট ধর্ম]] এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত। ফিলিপাইন ও [[পূর্ব তিমুর|পূর্ব তিমুরে]], রোমান ক্যাথলিক প্রধান ধর্ম; যা যথাক্রমে [[স্পেন|স্পেনীয়]] ও [[পর্তুগাল|পর্তুগীজ]] দ্বারা পরিচিতি লাভ করে। [[আর্মেনিয়া]], সাইপ্রাস, [[জর্জিয়া (রাষ্ট্র)|জর্জিয়া]] এবং এশীয় রাশিয়ায়, [[প্রাচ্যের অর্থোডক্স]] প্রধান ধর্ম। বিভিন্ন খ্রিস্টান গোষ্ঠীর প্রচারের জন্য এর অনুসারী মধ্যপ্রাচ্য, চীন ও ভারতেও আছে। সন্ত টমাস ভারতে ১ম শতাব্দীতে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের চিহ্ন খুঁজে বের করেন।<ref>The Encyclopedia of Christianity, Volume 5 by Erwin Fahlbusch. Wm. B. Eerdmans Publishing - 2008, Page 285. {{আইএসবিএন|978-0-8028-2417-2}}.</ref>
 
==== ভারতীয় এবং প্রাচ্য এশীয় ধর্মসমূহ ====
[[File:Akshardham Lotus.jpg|thumb|left|[[দিল্লি|দিল্লিতে]] স্বামী নারায়ণ আকসারধাম মন্দির, [[গিনেস বিশ্ব রেকর্ড]] অনুসারে এটি ''বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমন্বিত হিন্দু মন্দির''<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি | firstপ্রথমাংশ=Preeti | lastশেষাংশ=Jha | urlইউআরএল=http://www.expressindia.com/latest-news/Guinness-comes-to-east-Delhi-Akshardham-worlds-largest-Hindu-temple/254631/ | titleশিরোনাম=Guinness comes to east Delhi: Akshardham world’s largest Hindu temple | dateতারিখ=26 December 2007 | publisherপ্রকাশক=[[The Indian Express|ExpressIndia.com]] | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=2 January 2008 }}</ref>]]
প্রায় সব এশীয় ধর্মের দার্শনিক চরিত্র আছে এবং দার্শনিক চিন্তা এবং লেখার বৃহদাংশ এশীয় দার্শনিক ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্ত করে। [[হিন্দু দর্শন]] ও [[বৌদ্ধ দর্শন]] [[ভারতীয় দর্শন|ভারতীয় দর্শনের]] অন্তর্ভুক্ত। এখানে অবস্তুগত উপাদানের সাধনার কথা বলা হয়েছে, অন্য দিকে আরেকটি ভারতীয় দর্শন চার্ভাকা, বস্তুগত বিশ্বের উপভোগ প্রচার করে থাকে। [[হিন্দুধর্ম]], [[বৌদ্ধ ধর্ম]], [[জৈন ধর্ম]] এবং [[শিখধর্ম]] ভারত, দক্ষিণ এশিয়া থেকে উদ্ভূত। পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে চীন ও জাপানে [[কনফুসীয় ধর্ম]], [[তাওবাদ]] ও [[জেন|জেন বৌদ্ধ ধর্ম]] বিকাশ লাভ করে।
 
২০১২ সালের হিসাবে, হিন্দুধর্মের অনুসারী প্রায় ১.১ বিলিয়ন মানুষ। এই ধর্মবিশ্বাস এশিয়ার জনসংখ্যার প্রায় ২৫% প্রতিনিধিত্ব করে এবং এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। তবে, এটি বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়ায় ঘনীভূত। ভারত ও নেপালের জনসংখ্যার ৮০% লোক এবং বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও বালি, ইন্দোনেশিয়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এছাড়াও বার্মা, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো দেশে অনেক বিদেশী ভারতীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
 
দক্ষিণ পূর্ব ও পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখন্ডে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর প্রাধান্য রয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এমন দেশ গুলো হলোঃ [[কম্বোডিয়া]] (৯৬%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/cb.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/cb.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[থাইল্যান্ড]] (৯৫%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/th.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/th.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[মায়ানমার]] (৮০%-৮৯%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/bm.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/bm.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> জাপান (৩৬%–৯৬%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/ja.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/ja.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[ভূটান]] (৭৫%-৮৪%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/bt.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/bt.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[শ্রীলঙ্কা]] (৭০%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.statistics.gov.lk/PopHouSat/CPH2011/index.php?fileName=pop43&gp=Activities&tpl=3 The Census of Population and Housing of Sri Lanka-2011
|titleশিরোনাম=Department of Census and Statistics|publisherপ্রকাশক=|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=29 July 2013}}</ref> [[লাওস]] (৬০%-৬৭%)<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/la.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/la.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> এবং [[মঙ্গোলিয়া]] (৫৩%-৯৩%)।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/mg.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/mg.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> এছাড়াও বৃহৎ বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী রয়েছে এমন দেশগুলো হলোঃ [[সিঙ্গাপুর]] (৩৩%-৫১%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/sn.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/sn.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[তাইওয়ান]] (৩৫%–৯৩%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/tw.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/tw.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=China (includes Taiwan only): International Religious Freedom Report 2005 |urlইউআরএল=http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2005/51508.htm |publisherপ্রকাশক=US Department of State: [[Bureau of Democracy, Human Rights, and Labor]] |dateতারিখ=8 November 2005 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=24 January 2008| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2005/51508.htm| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 11 January 2008 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=China (includes Taiwan only): International Religious Freedom Report 2006 |urlইউআরএল=http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2006/71337.htm |publisherপ্রকাশক=[[US Department of State]]: [[Bureau of Democracy, Human Rights, and Labor]] |dateতারিখ=15 September 2006 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=24 February 2008| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2006/71337.htm| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 13 February 2008 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=China (includes Taiwan only): International Religious Freedom Report 2007 |urlইউআরএল=http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2007/90134.htm |publisherপ্রকাশক=[[US Department of State]]: [[Bureau of Democracy, Human Rights, and Labor]] |dateতারিখ=15 September 2006 |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=24 February 2008| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2007/90134.htm| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 16 February 2008 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[দক্ষিণ কোরিয়া]] (২৩%-৫০%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/ks.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/ks.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[মালয়েশিয়া]] (১৯%-২১%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/my.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/my.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[নেপাল]] (৯%-১১%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/np.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/np.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 29 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> [[ভিয়েতনাম]] (১০%–৭৫%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/vm.html |titleশিরোনাম=CIA&nbsp;— The World Factbook |publisherপ্রকাশক=Cia.gov |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 December 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/vm.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 28 December 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> চীন (২০%–৫০%),<ref>[http://www.travelchinaguide.com/intro/nationality/han/ Travel China Guide – Han Chinese], [http://asia.msu.edu/eastasia/China/religion.html Windows on Asia – Chinese Religions]</ref> [[উত্তর কোরিয়া]] (১.৫%–১৪%),<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.everyculture.com/Ja-Ma/North-Korea.html|titleশিরোনাম=Culture of North Korea – Alternative name, History and ethnic relations|workকর্ম=Countries and Their Cultures|publisherপ্রকাশক=Advameg Inc.|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=4 July 2009}}</ref><ref>[https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/kn.html#People CIA The World Factbook – North Korea]</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.state.gov/r/pa/ei/bgn/2792.htm|titleশিরোনাম=Background Note: North Korea|authorলেখক=Bureau of East Asian and Pacific Affairs|dateতারিখ=2009-2|publisherপ্রকাশক=U.S. State Department|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=4 July 2009| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/00000000000000/http://www.state.gov/r/pa/ei/bgn/2792.htm| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 1 July 2009 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> এবং [[ভারত]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] ছোট সম্প্রদায়।
 
অনেক চীনা সম্প্রদায়ের মধ্যে, মহায়ানা বৌদ্ধ ধর্ম সহজে তাওবাদের সাথে সমন্বয় সাধন হয়েছে। ফলে সঠিক ধর্মীয় পরিসংখ্যান বের করা কঠিন এবং তা কম বা বেশি হতে পারে। চীন, ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট-শাসিত দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে নাস্তিক, তাই বৌদ্ধ এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কম উল্লেখিত হতে পারে।
 
== সংস্কৃতি ==
{{Mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার সংস্কৃতি}}
=== নোবেল পুরস্কার ===
[[File:Tagore3.jpg|thumb|upright|[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ১৯১৩ সালে প্রথম এশীয় হিসেবে [[নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন।]]
২০০৬ সালে, বাংলাদেশের ড. [[মুহাম্মদ ইউনূস]] [[গ্রামীণ ব্যাংক]], যা একটি গোষ্ঠী উন্নয়ন ব্যাংক, (যা দরিদ্র মানুষ, বিশেষ করে বাংলাদেশের মহিলাদের টাকা ধার দেয়) প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ডঃ ইউনুস শহরের ভ্যান্দারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষুদ্র ঋণ ধারণার জন্য পরিচিত, যার মাধ্যমে সামান্য অথবা কোন সমান্তরালের সঙ্গে দরিদ্র ও নিঃস্ব লোক টাকা ধার করতে পারবে। সাধারণত ঋণগ্রহীতারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত দেয় এবং ঋণ খেলাপের হার খুব কম।
 
দালাই লামা তাঁর আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক কর্মজীবনে প্রায় চুরাশিটি পুরষ্কার পেয়েছেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|authorলেখক=His Holiness's Teachings at TCV |urlইউআরএল=http://www.dalailama.com/biography/a-brief-biography |titleশিরোনাম=A Brief Biography – The Office of His Holiness The Dalai Lama |publisherপ্রকাশক=Dalailama.com |accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 June 2010| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/20100525181231/http://www.dalailama.com/biography/a-brief-biography| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 25 May 2010 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}</ref> ২০০৬ সালের ২২ জুন, তিনি কানাডার গভর্নর জেনারেল কর্তৃক কানাডার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব লাভ করেন, যা তাঁর আগে মাত্র তিন জন লাভ করে। ২০০৫ সালের ২৮ মে, তিনি যুক্তরাজ্যের বৌদ্ধ সোসাইটি থেকে ক্রিসমাস হামফ্রে পুরস্কার পান। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ১৯৮৯ সালের ১০ ডিসেম্বর তারিখে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ।
 
==রাজনৈতিক সীমা==
{{Mainমূল নিবন্ধ|এশিয়ার রাজনীতি}}
{{Seeআরো alsoদেখুন|এশিয়ার সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের তালিকা}}
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed references-small"
|+
! [[রাজধানী]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Afghanistan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Afghanistan.svg|20px]]
| [[আফগানিস্তান]]
| [[কাবুল]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Armenia}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Armenia.svg|20px]]
| [[আর্মেনিয়া]]
| [[ইয়েরেভান]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Azerbaijan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Azerbaijan.svg|20px]]
| [[আজারবাইজান]]
| [[বাকু]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Bahrain}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Bahrain.svg|20px]]
| [[বাহরাইন]]
| [[মানামা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Bangladesh}}
| style="text-align:center;" | [[File:National emblem of Bangladesh.svg|20px]]
| [[বাংলাদেশ]]
| [[ঢাকা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Bhutan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Bhutan emblem.svg|20px]]
| [[ভুটান]]
| [[থিম্পু]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Brunei}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Brunei.svg|20px]]
| [[ব্রুনাই]]
| [[বন্দর সেরি বেগাওয়ান]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Burma}}
| style="text-align:center;" | [[File:State seal of Myanmar.svg|20px]]
| [[মায়ানমার]]
| [[নাইপিডো]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Cambodia}}
| style="text-align:center;" | [[File:Royal Arms of Cambodia.svg|20px]]
| [[কম্বোডিয়া]]
| [[প্‌নম পেন]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|China}}
| style="text-align:center;" | [[File:National Emblem of the People's Republic of China.svg|20px]]
| [[গণচীন]]
| [[বেইজিং]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Cyprus}}
| style="text-align:center;" |
| [[সাইপ্রাস]]
| [[নিকোসিয়া]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|East Timor}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of East Timor.svg|20px]]
| [[পূর্ব তিমুর]]
| [[দিলি]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Georgia}}
| style="text-align:center;" | [[File:Greater coat of arms of Georgia.svg|20px]]
| [[জর্জিয়া (রাষ্ট্র)|জর্জিয়া]]
| [[তিবি‌লিসি]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|India}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of India.svg|20px]]
| [[ভারত]]
| [[নতুন দিল্লি]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Indonesia}}
| style="text-align:center;" | [[File:National emblem of Indonesia Garuda Pancasila.svg|20px]]
| [[ইন্দোনেশিয়া]]
| [[জাকার্তা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Iran}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Iran.svg|20px]]
| [[ইরান]]
| [[তেহরান]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Iraq}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms (emblem) of Iraq 2008.svg|20px]]
| [[ইরাক]]
| [[বাগদাদ]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Israel}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Israel.svg|20px]]
| [[ইসরায়েল]]
| [[জেরুসালেম]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Japan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Imperial Seal of Japan.svg|20px]]
| [[জাপান]]
| [[টোকিও]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Jordan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Jordan.svg|20px]]
| [[জর্দান]]
| [[আম্মান]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Kazakhstan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Kazakhstan.svg|20px]]
| [[কাজাখস্তান]]
| [[আস্তানা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Kuwait}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Kuwait.svg|20px]]
| [[কুয়েত]]
| [[কুয়েত সিটি]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Kyrgyzstan}}
| style="text-align:center;" | [[File:National emblem of Kyrgyzstan.svg|20px]]
| [[কিরগিজিস্তান]]
| [[বিশকেক]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Laos}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Laos.svg|20px]]
| [[লাওস]]
| [[ভিয়েনতিয়েন]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Lebanon}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of Arms of Lebanon.svg|20px]]
| [[লেবানন]]
| [[বৈরুত]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Malaysia}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Malaysia.svg|20px]]
| [[মালয়েশিয়া]]
| [[কুয়ালালামপুর]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Maldives}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Maldives.svg|20px]]
| [[মালদ্বীপ]]
| [[মালে]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Mongolia}}
| style="text-align:center;" | [[File:State emblem of Mongolia.svg|20px]]
| [[মঙ্গোলিয়া]]
| [[উলানবাটর]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Nepal}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Nepal.svg|20px]]
| [[নেপাল]]
| [[কাঠমান্ডু]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|North Korea}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of North Korea.svg|20px]]
| [[উত্তর কোরিয়া]]
| [[পিয়ং ইয়াং]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Oman}}
| style="text-align:center;" | [[File:National emblem of Oman.svg|20px]]
| [[ওমান]]
| [[মাস্কাট]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Pakistan}}
| style="text-align:center;" | [[File:State emblem of Pakistan.svg|20px]]
| [[পাকিস্তান]]
| [[ইসলামাবাদ]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Palestine}}
| style="text-align:center;" | [[File:Palestine COA (alternative).svg|20px]]
| [[ফিলিস্তিন]]
| [[গাজা সিটি|গাজা]]/[[রামাল্লাহ]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Philippines}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of Arms of the Philippines.svg|20px]]
| [[ফিলিপাইন]]
| [[ম্যানিলা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Qatar}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Qatar.svg|20px]]
| [[কাতার]]
| [[দোহা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Saudi Arabia}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Saudi Arabia.svg|20px]]
| [[সৌদি আরব]]
| [[রিয়াদ]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Singapore}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Singapore (blazon).svg|20px]]
| [[সিঙ্গাপুর]]
| [[সিঙ্গাপুর]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Sri Lanka}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Sri Lanka.svg|20px]]
| [[শ্রীলঙ্কা]]
| [[কলম্বো]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|South Korea}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of South Korea.svg|20px]]
| [[দক্ষিণ কোরিয়া]]
| [[সিওল]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Syria}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Syria.svg|20px]]
| [[সিরিয়া]]
| [[দামেস্ক]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Tajikistan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Tajikistan.svg|20px]]
| [[তাজিকিস্তান]]
| [[দুশান্‌বে]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Thailand}}
| style="text-align:center;" | [[File:Garuda Emblem of Thailand.svg|20px]]
| [[থাইল্যান্ড]]
| [[ব্যাংকক]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Turkey}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Turkey.svg|20px]]
| [[তুরস্ক]]
| [[আঙ্কারা]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Turkmenistan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of Arms of Turkmenistan.svg|20px]]
| [[তুর্কমেনিস্তান]]
| [[আশখাবাদ]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|United Arab Emirates}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of the United Arab Emirates.svg|20px]]
| [[সংযুক্ত আরব আমিরাত]]
| [[আবুধাবি]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Uzbekistan}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of Arms of Uzbekistan.svg|20px]]
| [[উজবেকিস্তান]]
| [[তাশখন্দ]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Vietnam}}
| style="text-align:center;" | [[File:Coat of arms of Vietnam.svg|20px]]
| [[ভিয়েতনাম]]
| [[হ্যানয়]]
|-
| style="text-align:center;" | {{Flagiconপতাকা আইকন|Yemen}}
| style="text-align:center;" | [[File:Emblem of Yemen.svg|20px]]
| [[ইয়েমেন]]
 
== গ্রন্থপঞ্জি ==
* {{বই উদ্ধৃতি | refসূত্র=harv | titleশিরোনাম=The myth of continents: a critique of metageography |firstপ্রথমাংশ=Martin W. |lastশেষাংশ= Lewis |first2প্রথমাংশ২= Kären |last2শেষাংশ২= Wigen |publisherপ্রকাশক=University of California Press |yearবছর= 1997 |isbnআইএসবিএন= 0-520-20743-2 | locationঅবস্থান=Berkeley and Los Angeles}}
* {{বই উদ্ধৃতি | refসূত্র=harv | firstপ্রথমাংশ=Michael | lastশেষাংশ=Ventris | first2প্রথমাংশ২=John | last2শেষাংশ২=Chadwick | titleশিরোনাম=Documents in Mycenaean Greek | editionসংস্করণ=2nd | yearবছর=1973 | locationঅবস্থান=Cambridge | publisherপ্রকাশক=University Press}}
 
== আরও পড়ুন ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{Sister project links|voy=Asia|Asia}}
* {{ওয়েব উদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Display Maps | workকর্ম=The Soil Maps of Asia | publisherপ্রকাশক=European Digital Archive of Soil Maps – EuDASM | urlইউআরএল=http://eusoils.jrc.ec.europa.eu/esdb_archive/EuDASM/asia/indexes/idx_country.htm | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=26 July 2011}}
* {{ওয়েব উদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Asia Maps | workকর্ম=Perry-Castañeda Library Map Collection | urlইউআরএল=http://www.lib.utexas.edu/maps/asia.html | publisherপ্রকাশক=University of Texas Libraries | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=20 July 2011| archiveurlআর্কাইভের-ইউআরএল= //web.archive.org/web/20110718061834/http://www.lib.utexas.edu/maps/asia.html| archivedateআর্কাইভের-তারিখ= 18 July 2011 | deadurlঅকার্যকর-ইউআরএল= no}}
* {{ওয়েব উদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=Asia | publisherপ্রকাশক=Norman B. Leventhal Map Center at the Boston Public Library | urlইউআরএল=http://maps.bpl.org/search_advanced/?mtid=786 | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=26 July 2011}}
* {{citeসাময়িকী journalউদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=What is Asia? | urlইউআরএল=http://afe.easia.columbia.edu/geography/geo_whatis.html | firstপ্রথমাংশ=Philip | lastশেষাংশ=Bowring | journalসাময়িকী=Eastern Economic Review | volumeখণ্ড=135 | numberনম্বর=7 | dateতারিখ=12 February 1987 | publisherপ্রকাশক=Columbia University Asia For Educators}}
 
{{প্রবেশদ্বার দণ্ড|এশিয়া|ভূগোল}}
}}
 
{{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}}
{{Authority control}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:এশিয়া| ]]
৮১,১২৩টি

সম্পাদনা