প্রবর্তক সংঘ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(উদ্ধৃতি টেমপ্লেটের তারিখ সংশোধন)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
 
== প্রতিষ্ঠা ==
১৯২০ সালে [[হুগলী জেলা]]<nowiki/>র চন্দননগরে [[মতিলাল রায়]] প্রবর্তক সংঘ স্থাপন করেন। ফরাসী অধ্যুষিত [[চন্দননগর|চন্দননগরে]] ভারতীয় বিপ্লবীদের অন্যতম আশ্রয়স্থল ছিল প্রবর্তক সংঘ। মতিলাল, ঋষি [[অরবিন্দ ঘোষ]] দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। ১৯২৫ সালে তিনি সংঘগুরু ও সংস্থার প্রধান আধ্যাত্মিক ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের যুগে এই সংঘে বিভিন্ন সময় আশ্রয় নিয়েছেন শতাধিক বিপ্লবী। ১৯২৭ খৃষ্টাব্দের মে মাসে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] এই সংঘের প্রার্থনা ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সংঘের মুখপত্র প্রবর্তক পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন প্রবীন বিপ্লবী ও বোমা বিশারদ [[মণীন্দ্রনাথ নায়েক]]<ref>{{বই উদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=Rabindranath Tagore: A Centenary, Volumes 1861-1961|lastশেষাংশ=Radhakrishnan, Sarvapalli|firstপ্রথমাংশ=|publisherপ্রকাশক=সাহিত্য একাদেমী|yearবছর=১৯৯২|isbnআইএসবিএন=8172013329|locationঅবস্থান=দিল্লী|pagesপাতাসমূহ=৪৬৮}}</ref><ref name=":0">{{বই উদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=বাঙালি সংসদ চরিতাভিধান|lastশেষাংশ=প্রথম খন্ড|firstপ্রথমাংশ=সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত|publisherপ্রকাশক=সাহিত্য সংসদ|yearবছর=২০০২|isbnআইএসবিএন=81-85626-65-0।|locationঅবস্থান=কলকাতা|pagesপাতাসমূহ=৩৯০, ৩৯১}}</ref>
 
== কর্মকান্ড ==
 
== পরবর্তী অবস্থা ==
দেশভাগের পরে প্রবর্তক সংঘের কাজকর্ম হ্রাস পায়। ১৯৫৯ সালে মতিলাল রায়ের মৃত্যুর পর অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ হয়ে যায় ও সংঘের কর্মকাণ্ড প্রধান কেন্দ্র চন্দননগর অভিমুখী হয়ে পড়ে। ১৯৬৩ তে সংস্থার ব্যাংক ব্যাবসা ইউনাইটেড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাংকের সাথে মিশে কাজ করতে থাকে। ১৯৬৫ সালে জুট কারখানাটি সোহনলাল মিল ও পরে বহুজাতিক সংস্থা অধিগ্রহণ করে।<ref name=":0" /> চট্টগ্রাম প্রবর্তক সংঘ [[বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ]]<nowiki/>কালে আক্রান্ত হয়। ১৯৭১ সালে সংঘের সকল কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় প্রবর্তক সংঘের কার্যকলাপ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। সংঘের প্রতিষ্ঠিত প্রেস, ব্যাংক, কুটির শিল্প, কৃষি প্রকল্প, ট্রেনিং সেন্টার, চিকিৎসা কেন্দ্র, আবাসন প্রকল্পসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|urlইউআরএল=https://www.dailyjanakantha.com/print/details/article/139830/|titleশিরোনাম=চট্টগ্রাম প্রবর্তক সংঘের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধকতা|lastশেষাংশ=|firstপ্রথমাংশ=|dateতারিখ=২৯ আগস্ট ২০১৫|websiteওয়েবসাইট=|publisherপ্রকাশক=দৈনিক জনকণ্ঠ|accessসংগ্রহের-dateতারিখ=৫ মে ২০১৭}}</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা