"ইস্পাত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

কিছু সম্পাদনা, রচনাশৈলী, পরিষ্কারকরণ, সম্প্রসারণ, বানান সংশোধন
(হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:ইস্পাত যোগ)
(কিছু সম্পাদনা, রচনাশৈলী, পরিষ্কারকরণ, সম্প্রসারণ, বানান সংশোধন)
{{Unreferenced|date=মার্চ ২০১০}}
[[চিত্র:רכבת העמק - מעבירי מים והסוללה - צומת העמקים - עמק יזרעאל והגלבוע (40).JPG|thumb|ইস্পাত]]
'''ইস্পাত''' একটি লোহা ও কার্বনের একটি [[সংকর ধাতু]] যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০ .২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। [[ম্যাংগানিজ]], [[ক্রোমিয়াম]], [[ভ্যানাডিয়াম]] এবং [[ট্যাংস্টেন]] লোহার সাথে ব্যবহৃতমিশিয়ে হলেওইস্পাত কার্বনতৈরী সবচেয়েযায়। সাশ্রয়ী।তবে লোহারকার্বেই সাথে এই ধাতুগুলো যুক্ত হয়ে লোহার দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।নিন্ম গলনাংক ও ঠালাই যৌগ্যতার জন্য উচ্চ কার্বনযুক্ত সংকর ঠালাই লোহা (কাস্টসবচেয়ে আয়রণ)সাশ্রয়ী নামেউপাদান। পরিচিত।
 
ইস্পাত লোহার তুলনায় দৃঢ়তর। লোহার সঙ্গে বিভিন্ন ধাতু মিশ্রণ করা হলে লোহার দৃঢ়তা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। নিম্ন গলনাংক ও ঢালাই যোগ্যতার জন্য উচ্চ কার্বনযুক্ত সংকর [[ঢালাই লোহা]] (ইং: কাস্ট আয়রন) নামে পরিচিত।
 
== ইতিহাস ==
বিভিন্ন অদক্ষ উপায়ে রেনেসাঁ যুগের অনেক আগে থেকেই ইস্পাত তৈরি শুরু হয়। কিন্তু ১৭শ শতাব্দীতে বিভিন্ন উন্নত উপায়ে ইস্পাত তৈরি শুরু হলে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বেসমার পদ্ধতিতে ইস্পাত উৎপাদন শুরু হলে এটি সস্তা ও বহুল ব্যবহৃত ধাতুতে পরিণত হয়। আরও পরে বেসিক অক্সিজেন প্রক্রিয়ায় উৎপাদনের ফলে এর মান অনেক বৃদ্ধি পায় ও দাম অনেক কমে যায়। বর্তমানে ইস্পাত পৃথিবীর অন্যতম বহুল ব্যবহৃত পদার্থ। দালান-কোঠা, মেশিন, জাহাজ, গাড়ী, তৈজসপত্র ইত্যাদির প্রধান উপাদান ইস্পাত। বর্তমানে ইস্পাতের মান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানদানকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিমাপ করা হয়।
 
== বৈশিষ্ট্য ==
== বৈশিষ্ট ==
অন্যান্য ধাতুর মত লোহাও ভূগর্ভে অক্সিজেন ও সালফারের সাথে যুক্ত অবস্থায় থাকে। ঠালাইঢালাই লোহার গলনাংক ১৩৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ইস্পাতের ঘনত্ব মানের উপরওপর ভিত্তি করে প্রতি ঘনসেন্টিমিটার ৭.৭৫ থেকে ৮.০৫ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা|em30}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:সংকর ধাতু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইস্পাত]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধাতু রসায়ন]]
৫৭৯টি

সম্পাদনা