"সঙ্গীত" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(সংশোধন)
(সম্প্রসারণ)
'''সংগীত''' এক ধরনের শ্রবণযোগ্য [[কলা (বিষয়)|কলা]] যা সুসংবদ্ধ [[শব্দ]] ও নৈশব্দের সমন্বয়ে [[মানুষ|মানব]] চিত্তে বিনোদন সৃষ্টি করতে সক্ষম। স্বর ও ধ্বনির সমন্বয়ে সঙ্গীতের সৃষ্টি। এই ধ্বনি হতে পারে মানুষের কণ্ঠ নিঃসৃত ধ্বনি, হতে পারে যন্ত্রোৎপাদিত শব্দ অথবা উভয়ের সংমিশ্রণ। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে [[সুর]] ধ্বনির প্রধান বাহন। সুর ছাড়াও অন্য যে অনুষঙ্গ সঙ্গীতের নিয়ামক তা হলো [[তাল]]। কার্যত ধ্বনি, সুর ও তালের সমন্বয়ে সঙ্গীত সৃজিত হয়।
 
== ইতিহাস ==
 
ধ্রুপদ, খেয়াল, ঠুংরী, টপ্পা, গজল, কাওয়ালী, কালোয়াতী
 
== সঙ্গীতের স্বরলিপি ==
সংগীত বা সুর এর প্রকাশ পদ্ধতিতে সাত (৭) টি চিহ্ন ( সংকেত ) ব্যবহৃত হয়, যথা :
 
'''সা রে গা মা পা ধা নি'''
 
এই সাতটি চিহ্ন দ্বারা সাতটি কম্পাংক নির্দেশ করা হয় । এছাড়াও আরও ৫টি স্বর রয়েছে ; যাদেরকে বিকৃত স্বর বলা হয় । যথা :
 
'''ঋ জ্ঞ ক্ষ্ম ণ'''
 
== সঙ্গীতের তাল ==
সঙ্গীত সর্বাঙ্গীণ সুন্দর হয় তখনই, যখন তাল, মাত্রা, লয় সহকারে নির্দিষ্ট প্রণালীতে সম্পন্ন হয়। বলা হয়ে থাকে বেসুরো সঙ্গীত তবুও শ্রবনযোগ্য, তবে তাল-হীন গান সহ্য করা সম্ভব নয়। তাল হল সঙ্গীতের কঙ্কাল স্বরুপ। বিভিন্ন রকম তাল এর নাম ও মাত্রাঃ
* [[দাদরা]] : ৬ মাত্রা
* [[কাহারবা]] : ৮ মাত্রা
* [[তেওড়া]] : ৭ মাত্রা
* [[রুপক]] : ৭ মাত্রা
* [[ঝাঁপতাল]] : ১০ মাত্রা
* [[ত্রিতাল]] : ১৬ মাত্রা
 
== [[যন্ত্র সঙ্গীত]] ==
১৯৫টি

সম্পাদনা