জওহরলাল নেহেরু: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
== প্রথম জীবন ==
[[গঙ্গা]] নদীর তীরে [[এলাহাবাদ]] শহরে জওহরলাল নেহেরু জন্মগ্রহণ করেন [[১৮৮৯]] সালে। তার পিতা [[মতিলাল নেহেরু]] ও মা স্বরুপ রানি। আইন ব্যবসার কারণে মতিলাল নেহেরু এলাহবাদেএলাহাবাদে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে একজন আইনজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠিাপ্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এই সময়েই মতিলাল নেহেরু কংগ্রেসের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন। জওহরলাল ও তার দুই বোন বিজয়া লক্ষ্মী ও কৃষ্ণা "আনন্দ ভবন" নামক বিশাল বাড়িতে পশ্চাত্যপাশ্চাত্য সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে গড়ে উঠেন। [[ইংরেজি|ইংরেজির]] সাথে সাথে তাদের [[হিন্দী]] ও [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতিওসংস্কৃত]] শিক্ষা দেওয়া হত। তৎকালীন ভারতের সবথেকে আধুনিক স্কুলে পড়ার পর প্রায় ১৫ বছর বয়সে নেহেরু ইংল্যান্ডের হ্যারোতে চলে যান। তিনি প্রকৃতি বিজ্ঞানের উপরে কেমব্রীজ[[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের]] [[ট্রিনিটি কলেজ|ট্রিনিটি কলেজে]] লেখাপড়া করেন। এরপর তিনি [[কেমব্রীজকেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|কেমব্রীজেইকেমব্রিজেই]] ব্যারিস্টারি পড়া শুরু করেন। [[যুক্তরাজ্য|ইংল্যান্ডে]] পড়ার সময় নেহেরু ভারতীয় ছাত্র সংসদের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এই সময়েই তিনি [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] প্রতি আকৃষ্ট হন।
 
ভারতে ফিরে আসবার পরে [[১৯১৬]] সালের [[ফেব্রুয়ারি ৮|৮ ফেব্রুয়ারি]] জওহরলাল নেহেরু কমলা কাউলকে বিয়ে করেন। তখন তার বয়স ২৭ আর তার স্ত্রীর বয়স ছিল ১৬। পরের বছরেই কমলা কাউলের গর্ভে তাদের একমাত্র কন্যা [[ইন্দিরা গান্ধী|ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনিরপ্রিয়দর্শীনির]] জন্ম হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কালীনবিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে একজন আইনজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সাথে সাথে নেহেরু ভারতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। [[১৯১৬]] সালে লক্ষ্মৌ সম্মেলনে কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতার জানায় (?জানায়।{{?)।}} সে সময় পিতার হাত ধরেই নেহেরু কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগ দেন ; যদিও [[মহাত্মা গান্ধীরগান্ধী]]র ভারত আগমনের পূর্বে নেহেরু কংগ্রেসের রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ভূমিকা রাখেন নি।
 
== নবীন নেতা নেহেরু ==