প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

সম্পাদনা সারাংশ নেই
== কাপ্তাই লেকে প্রথমবারের মতো নিজস্ব রিসার্চ ভেসেল নামানোর উদ্যোগ সিভাসুর ==
==তথ্যসূত্র==মৎস্য বিধির বাস্তবায়ন ও উন্নত ব্যবস্থাপনার প্রবর্তনের জন্য কাপ্তাই লেক নিয়ে রয়েছে ফলপ্রসূ গবেষণার প্রয়োজন। তাই কাপ্তাই লেকের সর্বোপরি ব্যবস্থাপনা করার লক্ষ্যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে চলেছে “চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়”, (সিভাসু)। অতি শীঘ্রই কাপ্তাই লেকে নিজস্ব রিসার্চ ভেসেল নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সিভাসু্র গবেষক দল। এই গবেষণা কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে-
* - বিভিন্ন প্রজাতির মাছের স্টক অ্যাসেসমেন্ট করা
* - মাছের অভয়াশ্রম সৃষ্টির জন্য স্থান নির্বাচন করা
* - সময়ের সাথে লেকের বিভিন্ন ভৌত রাসায়নিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা
* - বিলুপ্তপ্রায় মৎস্য প্রজাতির পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখা
* - কাপ্তাই লেকের নিজস্ব প্রজাতি ছাড়াও অন্যান্য প্রজাতির মাছ খাঁচায় ও পেন কালচার প্রক্রিয়ায় চাষ করা
* - কাপ্তাই লেকে চাষযোগ্য সম্ভাব্য প্রজাতি বের করা
* - বিভিন্ন মাছের প্রজনন ক্ষেত্রের বাস্তব অবস্থা নিরুপণ করা
* - প্রজনন ক্ষেত্র নষ্ট হওয়ায় উপযুক্ত কারণ বিশ্লেষণ করা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা
* - স্থানীয় জনশক্তিকে খাঁচায় ও পেন কালচারের মাধ্যমে মাছ চাষে উদ্যোগী করা
* - মাছের পোনা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য লেকের উপযুক্ত অবস্থা নিরুপণ ও পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা
* - ক্রিক কালচার বা ঘোনায় মাছ চাষের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো যাচাইকরণ
* - কাপ্তাই লেকে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্যের বিস্তৃতির বর্তমান অবস্থা নিরুপণ ও প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদন বাড়াতে করণীয় বিষয় বিবেচনা করা
* - কাপ্তাই লেক ভরাট হওয়ার জন্য দায়ী কারণগুলো বিশ্লেষণ করা এবং সম্ভাব্য ব্যবস্থা নিরুপণ করা
* - কাপ্তাই লেকের দূষণ দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা
* - অতিমাত্রায় ও অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধ করার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া
কাপ্তাই লেক ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক জারিকৃত ফিশ ট্রেডার লাইসেন্স, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, খাঁচা ও ঘোনায় মাছ চাষ, নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা,মাছের অভয়াশ্রম সৃষ্টি করা, অতিমাত্রায় আহরণ বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী। তাছাড়া মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মেয়াদে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা এবং উক্ত সময়ে জেলেদের ভর্তুকি প্রদান করা, জেলে নিবন্ধন কর্মসূচী, পাহাড়ে বিশেষ প্রযুক্তি “ক্রিক কালচার” বা ঘোনায় ব্য মাছ চাষ করা ইত্যাদি। ৫৮,৩০০ হেক্টরের এই বিশাল জলাভূমির মাছ উৎপাদন মাত্র ১০,০০০ মেট্রিক টন, যা সত্যি কাম্য নয় যেখানে পুকুরেই প্রতি একরে ৪৫০০ কেজি মাছ অতি সহজেই উৎপাদিত হচ্ছে।
১৫টি

সম্পাদনা