"পম্পেই" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

চিত্র
(সংশোধন)
(চিত্র)
[[রোমান সাম্রাজ্য|রোমান]] ছোট নগর বা শহর; [[ইতালি|ইতালির]] [[কাম্পানিয়া]] অঞ্চলের আধুনিক [[নাপোলি|নেপলসের]] ([[নাপোলি]]) কাছে পম্পেই ইউনিয়নে এর অবস্থান। [[৭৯|৭৯ খ্রিস্টাব্দে]] [[ভিসুভিয়াস|ভিসুভিয়াস পর্বতের]] আগ্নেয়গিরির দুই দিনব্যাপী সর্বনাশা অগ্নুৎপাতে পম্পেই নগরী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। ৬০ ফুট উঁচু ছাই এবং ঝামাপাথরের নিচে শহরটি চাপা পড়ে যায়।
 
[[চিত্র:Casa Delle Venere in Conchiglia.jpg|থাম্ব|বাম|পম্পেইয়ের একটি বাড়ি]]
এর ঠিক ১৭ বছর আগে, [[৬২|৬২ খ্রিস্টাব্দেও]] একটি ভয়াবহ ভূকম্পনের ফলে কাম্পানিয়া অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পম্পেই নগরী এবং পার্শ্ববর্তী [[হেরকুলেনিয়াম]] ও অন্যান্য শহরেও তার অভিঘাতে যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। পম্পেই নগরীও এতে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়, কিন্তু সাথে সাথেই এর পুনর্নিমাণের কাজ শুরু করা হয়েছিল। ১৭ বছর পরে, যখন পুণর্নিমাণ কাজ একই গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলো (যদিও বাসস্থানগুলোকে তখনও অনেকাংশেই পুনরুদ্ধার করার দরকার ছিল), এই শহর এবং তার হতভাগ্য বাসিন্দারা প্রাচীন ইতিহাসের একটি অন্যতম দুর্ভাগ্যজনক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শিকারে পরিণত হয়। [[কারলো দি বোরবোনে]]-এর আর্থিক সহায়তায় শহরটি [[১৭৪৮]] খ্রিস্টাব্দে পুনরায় মাটির নিচ থেকে আলোতে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় প্রত্নত্তাত্ত্বিক অঞ্চল যা সর্বাপেক্ষা বেশি পরিদর্শন করা হয়েছে।
পম্পেই নগরীর সাথে পার্শ্ববর্তী শহর [[হেরকুলেনিয়াম]] এবং [[অপলন্তেস|অপলন্তেসকেও]] [[ইউনেস্কো]] [[বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান]] হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। [[২০০৮]] খ্রিস্টাব্দে এই স্থানটিকে ২,২৫৩,৬৩৩ জন<ref name="static.touring">[http://static.touring.it/store/document/21_file.pdf The dossier of the Italian Touring Club], Dossier Museums 2009. Page-5. {{it icon}}</ref> পরিদর্শন করেছিলেন। আজ, ইতালির সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণের একটি হলো এই নগরী।
৭৪০টি

সম্পাদনা