"চর্যাপদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(1.187.221.210 (আলাপ)-এর সম্পাদিত 3132641 নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে)
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
{{বাংলা সাহিত্য}}
{{Buddhism}}
'''চর্যাপদ''' [[বাংলা ভাষা|বাংলা ভাষার]] প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা [[সাহিত্য]] নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি।<ref name=sahittosomogro44>''বাংলা সাহিত্যের সমগ্র ইতিহাস'', ক্ষেত্র গুপ্ত, গ্রন্থনিলয়, কলকাতা, ২০০১, পৃ. ৪৪</ref> খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির [[রচয়িতারা]] ছিলেন সহজিয়া [[বৌদ্ধ]] সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। [[বাংলা সাধন সংগীত]] শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক।{{Cref2|ক}} [[১৯০৭]] খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]], [[নেপাল|নেপালের]] রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত [[পুঁথি]] উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য [[সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়]] ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন [[লুই পা|লুইপাদ]], [[কাহ্নপাদ]], [[ভুসুকুপাদ]], [[শবর পা|শবরপাদ]] প্রমুখ।
 
== আবিষ্কার ==
বেনামী ব্যবহারকারী