"মেলভিন ডগলাস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যছক ও পুরস্কারের টেমপ্লেট যোগ
('প্রারম্ভিক জীবন' পরিচ্ছেদ যোগ)
(তথ্যছক ও পুরস্কারের টেমপ্লেট যোগ)
{{তথ্যছক ব্যক্তি
[[চিত্র:Douglas-portrait.jpg|থাম্ব|১৯৩৯ সালে ডগলাস]]
| name = মেলভিন ডগলাস
| native_name = Melvyn Douglas
| native_name_lang = en
| image = Douglas-portrait.jpg
| imagesize =
| caption = আনু. ১৯৩৯ সালে ডগলাসের স্টুডিও প্রচারণামূলক ছবি
| birth_name = মেলভিন এডুয়ার্ড হেসেলবের্গ
| birth_date = {{জন্ম তারিখ|১৯০১|০৪|০৫}}
| birth_place = ম্যাকন, জর্জিয়া, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]
| death_date = {{মৃত্যু তারিখ ও বয়স|১৯৮১|০৮|০৪|১৯০১|০৪|০৫}}
| death_place = [[নিউ ইয়র্ক সিটি]], [[নিউ ইয়র্ক]], মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
| occupation = অভিনেতা, গায়ক
| years_active = ১৯২৭–১৯৮১
| spouse = {{বিবাহ|রোজালিন্ড হাইটাওয়ার<br>|১৯২৫|১৯৩০|end=তালাক}}<br />{{বিবাহ|হেলেন গ্যাহাগান<br>|১৯৩১|১৯৮০|end=মৃত্যু}}
|children = ৩
| relatives = ইলিয়েনা ডগলাস (নাতনী)
}}
 
'''মেলভিন ডগলাস''' ({{lang-en|Melvyn Douglas}}; জন্ম: '''মেলভিন এডুয়ার্ড হেসেলবের্গ''', [[৫ এপ্রিল]] [[১৯০১]] - [[৪ আগস্ট]] [[১৯৮১]]) ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা। তিনি ১৯৩০-এর দশকে মুখ্য অভিনেতা হিসেবে প্রসিদ্ধি অর্জন করেন, বিশেষ করে তার ১৯৩৯ সালের প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র ''নিনোচকা'' চলচ্চিত্রে [[গ্রেটা গার্বো]]র বিপরীতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। পরবর্তীকালে তিনি বয়স্ক ও পিতৃস্থানীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ''[[হাড (১৯৬৩-এর চলচ্চিত্র)|হাড]]'' (১৯৬৩) ও ''[[বিয়িং দেয়ার]]'' (১৯৭৯) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দুইবার [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার জন্য একাডেমি পুরস্কার]] অর্জন করেন এবং ''[[আই নেভার স্যাং ফর মাই ফাদার]]'' (১৯৭০) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে একাডেমি পুরস্কারে মনোনীত হন।<ref name="ফ্লিন্ট-১৯৮১">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ=ফ্লিন্ট|প্রথমাংশ=পিটার বি.|তারিখ=৫ আগস্ট ১৯৮১|শিরোনাম=MELVYN DOUGLAS DEAD; ACTOR, 80, WON 2 OSCARS|ইউআরএল=https://www.nytimes.com/1981/08/05/obituaries/melvyn-douglas-dead-actor-80-won-2-oscars.html|কর্ম=[[দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ আগস্ট ২০১৮|ভাষা=ইংরেজি}}</ref> শেষ কয়েক বছর তিনি ভৌতিক ও অতিপ্রাকৃত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তার অভিনীত সর্বশেষ দুটি চলচ্চিত্র হল ''দ্য চ্যাঞ্জেলিং'' (১৯৮০) ও ''ঘোস্ট স্টোরি'' (১৯৮১)।
[[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] থেকে ফিরে এসে ডগলাস [[শিকাগো]]তে একটি আউটডোর থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩০ সালে তিনি ব্রডওয়ে মঞ্চে ''টুনাইট অর নেভার'' মঞ্চনাটকে মুখ্য অভিনেতা হিসেবে কাজ করেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন তার ভবিষ্যৎ স্ত্রী হেলেন গ্যাহাগ্যান। তিনি ১৯৩২ সালে জেমস হোয়ালের ভীতিপ্রদ ধ্রুপদী চলচ্চিত্র ''দ্য ওল্ড ডার্ক হাউজ''-এ বরিস কার্লফ ও [[চার্লস লটন]]ের সাথে শীর্ষ পারিশ্রমিক গ্রহীতা হিসেবে অভিনয় করেন। একই বছর তিনি ভীতিপ্রদ ''দ্য ভ্যাম্পায়ার ব্যাট'' চলচ্চিত্রে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন।
 
১৯৩৫ সালে তিনি ''শি ম্যারিড হার বস'' চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন। তিনি [[গ্রেটা গার্বো]]র বিপরীতে তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। সেগুলো হল ''অ্যাজ ইউ ডিজায়ার মি'' (১৯৩২), হাস্যরসাত্মক ''নিনোচকা'' (১৯৩৯)<ref name="নিসেলসন-১৯৮৭"/> ও গার্বো অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ''টু-ফেসড ওম্যান'' (১৯৪১)। এছাড়া তিনি [[জোন ক্রফোর্ড]]ের বিপরীতে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ''আ ওম্যান্‌স ফেস'' (১৯৪১)।
 
১৯৫৯-৬০ সালে তিনি দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রথমটি ''দ্য গ্যাংস অল হিয়ার''-এ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]য়ের অনুকরণে চিত্রিত একজন স্বাচ্ছন্দপ্রিয় ও নৈতিকভাবে অলস রাষ্ট্রপতি চরিত্রে এবং দ্বিতীয়টি ''দ্য বেস্ট ম্যান''-এ আদর্শবান রাষ্ট্রপতি চরিত্রে। দ্বিতীয় কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ মুখ্য অভিনেতা বিভাগে [[টনি পুরস্কার]] অর্জন করেন।<ref name="ফ্লিন্ট-১৯৮১"/>
{{একাডেমি পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা}}
{{শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পার্শ্ব অভিনেতার জন্য গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}
{{টনি পুরস্কার মঞ্চনাটকে শ্রেষ্ঠ মুখ্য অভিনেতা}}
{{ন্যাশনাল বোর্ড অব রিভিউ পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা}}
{{প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার সীমিত ধারাবাহিক বা টিভি চলচ্চিত্রে সেরা মুখ্য অভিনেতা}}
}}
{{অভিনয়ের ত্রি-মুকুট বিজয়ী}}