"মির্জা গালিব" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
}}
 
'''মির্জা আসাদুল্লাহ বেগ''' ([[উর্দু ভাষা|উর্দু]] /[[ফার্সি ভাষা|ফার্সি]]: مرزا اسد اللہ بیگ خان ), ডাক নাম '''গালিব''' ([[উর্দু ভাষা|উর্দু]]/[[ফার্সি ভাষা|ফার্সি]]]: غالب, ''গালিব অর্থ সর্বোচ্চ'') এবং (পূর্বের ডাক নাম) '''আসাদ''' ([[উর্দু ভাষা|উর্দু]]/[[ফার্সি ভাষা|ফার্সি]]]: اسد, আসাদ অর্থ [[সিংহ]]) (ডিসেম্বর ২৭, ১৭৭৯ — ফেব্রুয়ারি ১৫, ১৮৬৯) ভারতবর্ষে [[মুঘল সাম্রাজ্য|মোঘল]]-সম্রাজ্যের শেষ ও ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকের একজন [[উর্দু ভাষা|উর্দু]] এবং [[ফার্সি ভাষা|ফার্সি]] ভাষার কবি । সাহিত্যে তার অনন্য অবদানের জন্য তাঁকে '''দাবির-উল-মালিক''' ও '''নাজিম-উদ-দৌলা''' উপাধি দেওয়া হয়।  তাঁর সময়কালে [[ভারতবর্ষ|ভরতবর্ষে]] [[মুঘল সাম্রাজ্য|মোঘল]] সাম্রাজ্য তার ঔজ্জ্বল্য হারায় এবং শেষে ১৮৫৭ সালের [[সিপাহী বিদ্রোহ ১৮৫৭|সিপাহীবিদ্রোহ]] এর মধ্য দিয়ে ব্রিটিশরা পুরোপুরিভাবে মোঘলদের ক্ষমতাচ্যুত করে সিংহাসন দখল করে, তিনি তার লেখায় এ ঘটনা বর্ণনা করেছেন। মহাবিদ্রোহের সময়কার তার লেখা সেই দিনলিপির নাম '''দাস্তাম্বু'''। তিনি জীবনকালে বেশ কয়েকটি [[গজল]] রচনা করেছিলেন যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জন বিভিন্ন আঙ্গিকে বিভিন্নভাবে বর্ননা করেছেন ও গেয়েছেন। তাঁকে মোঘল সম্রাজ্যের সর্বশেষ কবি হিসেবে ও দক্ষিণ এশিয়ায় তাঁকে উর্দু ভাষার সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি বলে মনে করা হয়। আজ শুধু [[ভারত]] বা [[পাকিস্তান|পাকিস্তানে]] নয় সারা বিশ্বেই গালিবের জনপ্রিয়তা রয়েছে।
 
গালিব কখনো তাঁর জীবিকার জন্য কাজ করেননি। সারা জীবনই তিনি হয় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অথবা ধার কর্য করে নতুবা কোনো বন্ধু উদারতায় জীবন যাপন করেন। তাঁর খ্যাতি আসে তাঁর মৃত্যুর পর। তিনি তার নিজের সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি বেঁচে থাকতে তার গুণকে কেউ স্বীকৃতি না দিলেও, পরবর্তী প্রজন্ম তাঁকে স্বীকৃতি দিবে। ইতিহাস এর সত্যতা প্রমাণ করেছে। [[উর্দু ভাষা|উর্দূ]] কবিদের মধ্যে তাঁকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি লেখা হয়েছে।
৩৩১টি

সম্পাদনা