"পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
'''পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল''' বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বুঝায়, যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল-ও বলা হয়। এই বায়ুমন্ডল সূর্য থেকে আগত [[অতিবেগুনি রশ্মি]] শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে। এছাড়ও তাপ ধরে রাখার মাধ্যমে ([[গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া]]) ভূপৃষ্টকে উওপ্ত করে এবং দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা হ্রাস করে।
 
[[শ্বাস-প্রশ্বাস]] ও [[সালোকসংশ্লেষণ|সালোকসংশ্লেষণের]] জন্য ব্যবহৃত [[বায়ুমন্ডলীয় গ্যাস|বায়ুমন্ডলীয় গ্যাসসমূহের]] প্রদত্ত প্রচলিত নাম [[বায়ু]] বা বাতাস।পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% [[নাইট্রোজেন]],২০.৯৫% [[অক্সিজেন]],<ref name="NYT-20131003">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |last=Zimmer |first=Carl |authorlink=Carl Zimmer |title=পৃথিবীর অক্সিজেন: একটি রহস্য যা গ্রহন করার জন্য সহজ |url=http://www.nytimes.com/2013/10/03/science/earths-oxygen-a-mystery-easy-to-take-for-granted.html |date=3 October 2013 |work=[[New York Times]] |accessdate=3 October 2013 }}</ref> ০.৯৩% [[আর্গন]], .০৩% [[কার্বন ডাইঅক্সাইড]] এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ [[জলীয় বাষ্প]] রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।বাতাসের পরিমাণ ও বায়ুমন্ডলীয় চাপ বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন রকম হয়,স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত বাতাস কেবল পৃথিবীর ট্রপোমণ্ডল এবং কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলসমূহে পাওয়া যাবে।
 
বায়ুমন্ডলের ভর হচ্ছে প্রায় ৫{{e|১৮}}&nbsp;কেজি,যার তিন চতুর্থাংশ পৃষ্ঠের প্রায় ১১ [[কিলোমিটার|কিলোমিটারের]] (৩৬,০০০ ফুট ৬.৮ মাইল) মধ্যে থাকে।উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমন্ডল পাতলা হতে থাকে এবং বায়ুমণ্ডল ও [[মহাশূন্য|মহাশূন্যের]] মধ্যে কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই।Karman লাইন, 100 কিলোমিটার (62 মাইল), অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এর 1.57% এ, প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যে মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।[[কারম্যান রেখা]] যা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১০০ [[কিলোমিটার]] (৬২ [[মাইল]]) উপরে অথবা পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ১.৫৭% প্রায়ই বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে সীমান্ত হিসাবে ব্যবহার করা হয়।বায়ুমন্ডলীয় প্রভাবসমূহ পরিলক্ষিত হয় যখন মহাকাশযান প্রায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উচ্চতায় অথ্যাৎ কারম্যান রেখার উপরে গমন করে।বৈশিষ্ট্য যেমন তাপমাত্রা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে বায়ুমন্ডলকে কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়।
বেনামী ব্যবহারকারী