"মেলভিন ডগলাস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

'প্রারম্ভিক জীবন' পরিচ্ছেদ যোগ
('কর্মজীবন' পরিচ্ছেদ যোগ)
('প্রারম্ভিক জীবন' পরিচ্ছেদ যোগ)
 
ডগলাস কৈশোরে শেকসপিয়ারীয় রিপার্টরিতে এবং [[আইওয়া]]র সিউক্স সিটি, [[ইন্ডিয়ানা]]র ইভান্সভিল, [[উইসকনসিন]]ের ম্যাডিসন এবং [[মিশিগান]]ের ডেট্রয়েটে স্টক কোম্পানিতে কাজ করে অভিনয়ের দক্ষতা অর্জন করেন। [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]]ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে নিয়োজিত ছিলেন। [[শিকাগো]]তে তিনি একটি আউটডোর থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। মুখ্য অভিনেতা হিসেবে তিনি দীর্ঘকাল মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অভিনয় করেন। ''দ্য বেস্ট ম্যান''-এ আদর্শবান রাষ্ট্রপতি চরিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে [[টনি পুরস্কার]] অর্জন করেন।
 
==প্রারম্ভিক জীবন==
ডগলাস ১৯০১ সালের ৫ই এপ্রিল জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ম্যাকনে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এডুয়ার্ড গ্রেগরি হেসেলবার্গ ছিলেন কনসার্টের পিয়ানোবাদক ও সুরকার এবং মাতা লিনা প্রিসিলা (জন্মনাম: শেকেলফোর্ড)। তার পিতা [[লাটভিয়া]]র [[রিগা]] (তৎকালীন [[রাশিয়া]]র অংশ) থেকে আগত একজন ইহুদি অভিবাসী ছিলেন। তার মাতা [[টেনেসি]]র অধিবাসী। তিনি প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মাবলম্বী ও মে ফ্লাওয়ার বংশোদ্ভূত ছিলেন।<ref name="নিসেলসন-১৯৮৭">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ=নিসেলসন|প্রথমাংশ=হিউ|তারিখ=১৮ জানুয়ারি ১৯৮৭|শিরোনাম=HE ALMOST MADE GARBO LAUGH
|ইউআরএল=https://www.nytimes.com/1987/01/18/books/he-almost-made-garbo-laugh.html|কর্ম=[[দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ আগস্ট ২০১৮|ভাষা=ইংরেজি}}</ref>
 
==কর্মজীবন==
[[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] থেকে ফিরে এসে ডগলাস [[শিকাগো]]তে একটি আউটডোর থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩০ সালে তিনি ব্রডওয়ে মঞ্চে ''টুনাইট অর নেভার'' মঞ্চনাটকে মুখ্য অভিনেতা হিসেবে কাজ করেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন তার ভবিষ্যৎ স্ত্রী হেলেন গ্যাহাগ্যান। তিনি ১৯৩২ সালে জেমস হোয়ালের ভীতিপ্রদ ধ্রুপদী চলচ্চিত্র ''দ্য ওল্ড ডার্ক হাউজ''-এ বরিস কার্লফ ও [[চার্লস লটন]]ের সাথে শীর্ষ পারিশ্রমিক গ্রহীতা হিসেবে অভিনয় করেন। একই বছর তিনি ভীতিপ্রদ ''দ্য ভ্যাম্পায়ার ব্যাট'' চলচ্চিত্রে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন।
 
১৯৩৫ সালে তিনি ''শি ম্যারিড হার বস'' চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন। তিনি [[গ্রেটা গার্বো]]র বিপরীতে তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। সেগুলো হল ''অ্যাজ ইউ ডিজায়ার মি'' (১৯৩২), হাস্যরসাত্মক ''নিনোচকা'' (১৯৩৯)<ref name="নিসেলসন-১৯৮৭"> ও গার্বো অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ''টু-ফেসড ওম্যান'' (১৯৪১)। এছাড়া তিনি [[জোন ক্রফোর্ড]]ের বিপরীতে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ''আ ওম্যান্‌স ফেস'' (১৯৪১)।
 
১৯৫৯-৬০ সালে তিনি দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রথমটি ''দ্য গ্যাংস অল হিয়ার''-এ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]য়ের অনুকরণে চিত্রিত একজন স্বাচ্ছন্দপ্রিয় ও নৈতিকভাবে অলস রাষ্ট্রপতি চরিত্রে এবং দ্বিতীয়টি ''দ্য বেস্ট ম্যান''-এ আদর্শবান রাষ্ট্রপতি চরিত্রে। দ্বিতীয় কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীমুখ্য অভিনেতা বিভাগে [[টনি পুরস্কার]] অর্জন করেন।<ref name="ফ্লিন্ট-১৯৮১"/>
 
==তথ্যসূত্র==